১০:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬, ২৮ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নোবিপ্রবির প্রশান্তি পার্ক যেন ময়লার ভাগাড়, ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০১:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩
  • 112

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামের পাশে প্রশান্তি পার্কে দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে আবর্জনার স্তুপ। এসব আবর্জনা থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনার কারণে ক্যাম্পাসের পার্কে মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে যাচ্ছে। অপচনশীল প্লাস্টিক ও পলিথিন থাকায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। দুর্গন্ধের কারণে প্রশান্তি পার্ক এখন হয়ে উঠেছে স্বস্তির বদলে আতঙ্কের নাম।

এসব আবর্জনার স্তুপ জমা হওয়ার অন্যতম কারণ, প্রশান্তি পার্কের টং দোকান , অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান শেষে ব্যবহৃত খাবারের প্যাকেট , প্লাস্টিকের প্লেট, গ্লাস, পানির বোতল ফেলা হয় এখানে। এসব অপচনশীল দ্রব্য ফেলার জন্য কোনো পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে না। যার ফলে ময়লা আবর্জনার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশের মধ্যে দুর্ভোগে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

পার্কের এমন অস্বাস্থ্যকর অবস্থার ক্ষোভ জানিয়ে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, সারাদিনের ক্লান্তি শেষে স্বস্তির আশায় পার্কে যাই। দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় পার্কে বসা যায় না। শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির ডেঙ্গুর কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের এই বিষয়টা দ্রুত সমাধান ও যথাযথ নজরদারিতে রাখা উচিত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, অতিদ্রুতই বিষয় দেখব।

জনপ্রিয় সংবাদ

উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ডাকাতি মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন

নোবিপ্রবির প্রশান্তি পার্ক যেন ময়লার ভাগাড়, ভ্রুক্ষেপ নেই প্রশাসনের

আপডেট সময় : ০১:৪৭:২৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৩

নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) বীর মুক্তিযোদ্ধা হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস অডিটোরিয়ামের পাশে প্রশান্তি পার্কে দীর্ঘদিন ধরে জমে আছে আবর্জনার স্তুপ। এসব আবর্জনা থেকে সৃষ্ট দুর্গন্ধের কারণে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে শিক্ষার্থীদের। পরিবেশ দূষণের পাশাপাশি বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘদিন ধরে বর্জ্য, ময়লা-আবর্জনার কারণে ক্যাম্পাসের পার্কে মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে যাচ্ছে। অপচনশীল প্লাস্টিক ও পলিথিন থাকায় দূষিত হচ্ছে পরিবেশ। দুর্গন্ধের কারণে প্রশান্তি পার্ক এখন হয়ে উঠেছে স্বস্তির বদলে আতঙ্কের নাম।

এসব আবর্জনার স্তুপ জমা হওয়ার অন্যতম কারণ, প্রশান্তি পার্কের টং দোকান , অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠান শেষে ব্যবহৃত খাবারের প্যাকেট , প্লাস্টিকের প্লেট, গ্লাস, পানির বোতল ফেলা হয় এখানে। এসব অপচনশীল দ্রব্য ফেলার জন্য কোনো পরিবেশবান্ধব পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে না। যার ফলে ময়লা আবর্জনার স্তূপ থেকে দুর্গন্ধ ও অস্বাস্থ্যকর নোংরা পরিবেশের মধ্যে দুর্ভোগে রয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।

পার্কের এমন অস্বাস্থ্যকর অবস্থার ক্ষোভ জানিয়ে একাধিক শিক্ষার্থী বলেন, সারাদিনের ক্লান্তি শেষে স্বস্তির আশায় পার্কে যাই। দুর্গন্ধ, মশা-মাছির উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় পার্কে বসা যায় না। শিক্ষার্থীদের ঝুঁকির ডেঙ্গুর কথা চিন্তা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের এই বিষয়টা দ্রুত সমাধান ও যথাযথ নজরদারিতে রাখা উচিত।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান বলেন, অতিদ্রুতই বিষয় দেখব।