১১:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০২ জানুয়ারী ২০২৬, ১৯ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কুড়িগ্রামে ২৬জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ

কুড়িগ্রামে ৪টি সংসদীয় আসনে ২৬জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও
জেলা রিটার্ণিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন।
এসময় পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম ২২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল আব্দুল মোত্তাকিম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিলহাজ উদ্দিনসহ প্রার্থী, সমর্থক ও গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এবার জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামীগ থেকে ২জন, জাতীয় পার্টি থেকে ৪জন অংশগ্রহন করছে। এরমধ্যে কুড়িগ্রাম-১ ও কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে আওয়ামীলীগের ২জন প্রার্থী প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। এছাড়াও জাকের পার্টির ৩জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেও কুড়িগ্রাম-১ আসন থেকে আব্দুল হাই নামে একজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন। এর বাইরে ৫জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ৪জনই আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে তারা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে অবস্থান করছেন। এর বাইরে বিভিন্ন দল থেকে ১৫জন প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন।

এদিকে প্রতীক বরাদ্দকালে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাছুম ইকবাল ও মজিবর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীক দাবী করায় লটারীর মাধ্যমে মজিবর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীক পান। অপরদিকে মাছুম ইকবাল কাচি প্রতীক গ্রহন করেন। প্রতীক বরাদ্দকালে দুইজন অনুপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে একজন কুড়িগ্রাম-৩
আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রার্থী মো: সাফিউর রহমান ও কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে তৃণমুল বিএনপির প্রার্থী মো: আতিকুর রহমান খান অনুপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্ণিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সকল প্রার্থী যাতে নির্বাচনে সমান অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনী তৎপর থাকবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

কুড়িগ্রামে ২৬জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ

আপডেট সময় : ০৫:৪৮:৪০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০২৩

কুড়িগ্রামে ৪টি সংসদীয় আসনে ২৬জন প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। সোমবার দুপুর ১২টায় জেলা প্রশাসন সম্মেলন কক্ষে জেলা প্রশাসক ও
জেলা রিটার্ণিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ করেন।
এসময় পুলিশ সুপার আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম, কুড়িগ্রাম ২২বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে.কর্ণেল আব্দুল মোত্তাকিম, জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা জিলহাজ উদ্দিনসহ প্রার্থী, সমর্থক ও গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এবার জেলার ৪টি সংসদীয় আসনের মধ্যে আওয়ামীগ থেকে ২জন, জাতীয় পার্টি থেকে ৪জন অংশগ্রহন করছে। এরমধ্যে কুড়িগ্রাম-১ ও কুড়িগ্রাম-২ আসন থেকে আওয়ামীলীগের ২জন প্রার্থী প্রার্থীতা প্রত্যাহার করে নেন। এছাড়াও জাকের পার্টির ৩জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিলেও কুড়িগ্রাম-১ আসন থেকে আব্দুল হাই নামে একজন প্রার্থী প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন। এর বাইরে ৫জন স্বতন্ত্র প্রার্থীর মধ্যে ৪জনই আওয়ামীলীগ থেকে মনোনয়ন না পেয়ে তারা বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে মাঠে অবস্থান করছেন। এর বাইরে বিভিন্ন দল থেকে ১৫জন প্রতীক বরাদ্দ নিয়েছেন।

এদিকে প্রতীক বরাদ্দকালে কুড়িগ্রাম-৪ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মাছুম ইকবাল ও মজিবর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীক দাবী করায় লটারীর মাধ্যমে মজিবর রহমান বঙ্গবাসী ঈগল প্রতীক পান। অপরদিকে মাছুম ইকবাল কাচি প্রতীক গ্রহন করেন। প্রতীক বরাদ্দকালে দুইজন অনুপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে একজন কুড়িগ্রাম-৩
আসনের বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলনের প্রার্থী মো: সাফিউর রহমান ও কুড়িগ্রাম-৪ আসন থেকে তৃণমুল বিএনপির প্রার্থী মো: আতিকুর রহমান খান অনুপস্থিত ছিলেন।
জেলা প্রশাসক ও রিটার্ণিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, নির্বাচন কমিশনের বিধান অনুযায়ী নির্বাচন সুষ্ঠু করতে সব ধরণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সকল প্রার্থী যাতে নির্বাচনে সমান অধিকার প্রয়োগ করতে পারেন সে ব্যাপারে আইন শৃংখলা বাহিনী তৎপর থাকবে।