ডা. সরজীৎ কুমার কুন্ডু। কর্মরত ছিলেন যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগের সহকারি রেজিস্ট্রার হিসেবে। ১০ দিনের ছুটি নিয়ে তিনি আর কর্মস্থলে ফিরে আসেননি। বর্তমানে ১৩ বছর ধরে তিনি লাপাত্তা হয়েছেন। বর্তমানে তার কোন খবর জানেন না হাসপাতালের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে, ডা. সরজীৎ কুমার কুন্ডু গত ২০১০ সালের ২১ আগস্ট ৩১ আগস্ট পর্যন্ত ছুটি চেয়ে কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করেন। ২০ আগস্ট জমা দেয়া আবেদনপত্রে উল্লেখ করা হয় শারীরিক অসুস্থতার কারনে চিকিৎসা গ্রহণের জন্য তার ১০ দিনের ছুটির জরুরি প্রয়োজন। ছুটি মঞ্জুরের পর তিনি সেই কর্মস্থল ছেড়েছেন। হাসপাতালে আর ফেরেননি। তার বাড়ি ঝিকরগাছা উপজেলায় খোঁজ নিয়েও সন্ধান পাওয়া যায়নি। সরকারের নিয়মনীতি না মেনে তিনি নিজের ইচ্ছায় কর্মস্থলে বছরের পর বছর অনুপস্থিত রয়েছেন। সূত্রটি আরও জানায়, কর্মস্থলে হাজির হওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষ বিগত দিনে তাকে নানাভাবে তাগিদ দিলেও তিনি কর্ণপাত করেননি। ডা. সরজীৎ কুমার কুন্ডুর পদটি বিলুপ্ত করে নতুন পদ সৃষ্টির জন্য কয়েক বছরে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ে অন্তত ১৫টি পত্র পাঠানো হয়েছে। কিন্তু কোন ফলাফল মেলেনি। ফলে বিষয়টি অমিমাংশিত থেকে গেছে। বর্তমানে তার কোন খবর জানেন না হাসপাতালের উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
এদিকে, একটি সূত্রের দাবি অসুস্থজনিত ছুটি নেয়ার পরে ডা. সরজীৎ কুমার কুন্ডু বিদেশ পাড়ি জমান। বর্তমানে তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন। তবে কোন দেশে তিনি আছেন তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেননি।
হাসপাতালের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ জানান, ডা. সরজীৎ কুমার কুন্ডু ছুটি ও অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি তাকে কেউ অবগত করেননি। সত্য হলে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে জোরালোভাবে আলোচনা করা হবে।
হাসপাতালের বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক ডা. হারুন অর রশিদ জানান, ডা. সরজীৎ কুমার কুন্ডু ছুটি ও অনুপস্থিত থাকার বিষয়টি তাকে কেউ অবগত করেননি। সত্য হলে বিষয়টি নিষ্পত্তির জন্য উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সাথে জোরালোভাবে আলোচনা করা হবে।


























