দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নোয়াখালী-২ আসন নৌকা ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মাঝে নির্বাচনী লড়াই জমে উঠেছে। এ আসনে নৌকার শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে নির্বাচনী মাঠে আছেন কাঁচি প্রতীকের আতাউর রহমান ভূইয়া মানিক। নৌকা এই লড়াইয়ে আছেন বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ মোরশেদ আলম। নৌকা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে জমে উঠেছে প্রার্থীদের প্রচার-প্রচারণা। নির্বাচনের বাকি মাত্র ৫ দিন। এরই মধ্যে আসনটিতে নৌকা এবং কাঁচি প্রতীকের মধ্যে নির্বাচনী লড়াই জমে উঠেছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন নেতা সবুজ বাংলাকে বলেন, নোয়াখালী ২ আসনে শক্ত ও হেভিওয়েট’ স্বতন্ত্র প্রার্থী আছেন। এতে নৌকা প্রতীক পাওয়া প্রার্থীদের জন্যও লড়াইটা সহজ হচ্ছে না বলে মনে করছেন তিনি। মূল প্রতিদ্বন্দ্বী দুই প্রার্থীর কর্মী, সমর্থকরা ছুটছেন ভোটারদের দ্বারে দ্বারে। ভোটারদের নিয়ে চলছে , পথসভা, গণসংযোগ। চায়ের দোকান, গ্রামের পাড়া-মহল্লা, হাটে-ঘাটে, বাজারে ভোটের লড়াইয়ে কে জিতবে? নৌকা না কাঁচি এ নিয়ে শুরু হয়েছে সরব আলোচনা। দুজনেই প্রতিদিন ভোটের জন্য জনগণের দ্বারে দ্বারে যাচ্ছেন এবং ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করছেন।
সেনবাগ এবং সোনাইমুড়ীর একাংশ নিয়ে গঠিত নোয়াখালী-২ আসন। এই আসনে এবারের নৌকার মাঝি হলেন বর্তমান সাংসদ ও বিশিষ্ট শিল্পপতি আলহাজ মোরশেদ আলম। অপরদিকে নৌকার শক্ত প্রতিপক্ষ হিসেবে মাঠে আছেন কাঁচি প্রতীকের স্বতন্ত্র প্রার্থী বাফুফের সহসভাপতি আতাউর রহমান ভূঁইয়া মানিক। দুজনই প্রতিদিন সমান তালে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন। নৌকার প্রার্থী মোরশেদ আলম মনে করেন, তিনি এলাকায় প্রচুর উন্নয়ন করেছেন তাই উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে মানুষ তাকে বিজয়ী করবে।
অপরদিকে কাঁচি প্রতীকের মানিক বলেন, মানুষ পরিবর্তন চায়, সুষ্ঠু ভোট হলে জনগণ তাকে বিপুল ভোটে বিজয়ী করবেন। ভোটাররা স্থানীয় নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় ব্যালট যুদ্ধের মাধ্যমে কাঁচি মার্কাকে বিজয়ী করবে। এছাড়াও সেনবাগ তৃণমূল আওয়ামী লীগের নৌকার মাঝির পরিবর্তন চান ।


























