০৮:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আচরণবিধি লঙ্ঘনে নৌকা প্রার্থীর, ব্যবস্থা নেই

দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে মহল্লায় মহল্লায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। তবে এসব ঘটনায় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। নির্দিষ্ট সময়ের পরও মাইকে উচ্চ শব্দে নির্বাচনী প্রচার মাইক চালু রাখা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে নির্বাচনী পোস্টার ঝোলানো, জনসভায় ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া, প্রতিপক্ষকে বাধা, প্রার্থীর পক্ষে সরকারি সুবিধাভোগী জনপ্রতিনিধিদের
নির্বাচনী প্রচার, ভোট চাওয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০০৮ (সংশোধনী-২০২৩) এর ১১ এর ‘ক’ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারকালে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে বক্তব্য প্রদান বা কোনো ধরনের তিক্ত বা উসকানিমূলক বা মানহানিকর কিংবা লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে, এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকে দিনাজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল নৌকা প্রতীক ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা ট্রাক প্রতীকের পক্ষে নেতা-কর্মীরা প্রচার শুরু করেন। তাঁরা বেশ কিছু জনসভাও করেছেন। এসব জনসভায় দুই প্রার্থী ও প্রার্থীর নেতা-কর্মীরা প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে উসকানিমূলক বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। এতে যেকোনো সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্ধসঢ়;‌বিতণ্ডা ও সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। কয়েক দিনে দুটি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী জনসভায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মনোরঞ্জন শীল গোপাল, তাঁর কর্মী এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ট্রাক প্রতীক) ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা, তাঁর কর্মীসহ অনেক কর্মী-সমর্থককে উসকানিমূলক বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।
নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা-৪এর ১ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কার্যালয়কে কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী বৈঠক করেন। সেখানে উপজেলার বেশ কয়েকজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি (ইউপি চেয়ারম্যান) ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কোনো কোনো এলাকার নির্বাচনী জনসভায় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও গ্রাম পুলিশ সদস্যকে ব্যবহার করতেও দেখা গেছে।

এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলার নির্বাচনকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফজলে এলাহী বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ-পরিস্থিতি তদারকি করার জন্য আমি ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রতিদিনই বের হচ্ছি। যখনই কোথাও নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘনের খবর পাচ্ছি, সেখানে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করছি। নির্বাচনী বিধি মেনে প্রচারণা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছি।’

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে আল হাবিব ইন্টা.ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাঝে বই বিতরণ

আচরণবিধি লঙ্ঘনে নৌকা প্রার্থীর, ব্যবস্থা নেই

আপডেট সময় : ০১:৫৮:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৪

দিনাজপুর-১ (বীরগঞ্জ-কাহারোল) আসনে মহল্লায় মহল্লায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। তবে এসব ঘটনায় প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না। নির্দিষ্ট সময়ের পরও মাইকে উচ্চ শব্দে নির্বাচনী প্রচার মাইক চালু রাখা, বৈদ্যুতিক খুঁটি ও গাছে নির্বাচনী পোস্টার ঝোলানো, জনসভায় ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে উসকানিমূলক বক্তব্য দেওয়া, প্রতিপক্ষকে বাধা, প্রার্থীর পক্ষে সরকারি সুবিধাভোগী জনপ্রতিনিধিদের
নির্বাচনী প্রচার, ভোট চাওয়াসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে আচরণবিধি লঙ্ঘনের ঘটনা ঘটছে। জাতীয় সংসদ নির্বাচন আচরণ বিধিমালা-২০০৮ (সংশোধনী-২০২৩) এর ১১ এর ‘ক’ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারকালে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে বক্তব্য প্রদান বা কোনো ধরনের তিক্ত বা উসকানিমূলক বা মানহানিকর কিংবা লিঙ্গ, সাম্প্রদায়িকতা বা ধর্মানুভূতিতে আঘাত লাগে, এমন কোনো বক্তব্য দেওয়া যাবে না। ১৮ ডিসেম্বর নির্বাচনী প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকে দিনাজপুর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য মনোরঞ্জন শীল গোপাল নৌকা প্রতীক ও আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা ট্রাক প্রতীকের পক্ষে নেতা-কর্মীরা প্রচার শুরু করেন। তাঁরা বেশ কিছু জনসভাও করেছেন। এসব জনসভায় দুই প্রার্থী ও প্রার্থীর নেতা-কর্মীরা প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ব্যক্তিগত চরিত্র হনন করে উসকানিমূলক বক্তব্য দিতে দেখা গেছে। এতে যেকোনো সময় দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্ধসঢ়;‌বিতণ্ডা ও সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে। কয়েক দিনে দুটি উপজেলার বিভিন্ন স্থানে নির্বাচনী জনসভায় নৌকা প্রতীকের প্রার্থী মনোরঞ্জন শীল গোপাল, তাঁর কর্মী এবং উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম, আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী (ট্রাক প্রতীক) ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ্ব জাকারিয়া জাকা, তাঁর কর্মীসহ অনেক কর্মী-সমর্থককে উসকানিমূলক বক্তব্য দিতে দেখা গেছে।
নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা-৪এর ১ ধারা অনুযায়ী, কোনো সরকারি কার্যালয়কে কোনো দল বা প্রার্থীর পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারের স্থান হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না। গত শুক্রবার দুপুর ১২টার দিকে বীরগঞ্জ ও কাহারোল উপজেলার বিভিন্ন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে নৌকা প্রতীকের কর্মী-সমর্থকদের নিয়ে নির্বাচনী বৈঠক করেন। সেখানে উপজেলার বেশ কয়েকজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি (ইউপি চেয়ারম্যান) ও এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কয়েকজন শিক্ষক উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কোনো কোনো এলাকার নির্বাচনী জনসভায় ইউনিয়ন পরিষদের সচিব ও গ্রাম পুলিশ সদস্যকে ব্যবহার করতেও দেখা গেছে।

এ বিষয়ে বীরগঞ্জ উপজেলার নির্বাচনকালীন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফজলে এলাহী বলেন, ‘নির্বাচনী পরিবেশ-পরিস্থিতি তদারকি করার জন্য আমি ও সহকারি কমিশনার (ভূমি) প্রতিদিনই বের হচ্ছি। যখনই কোথাও নির্বাচনী বিধিমালা লঙ্ঘনের খবর পাচ্ছি, সেখানে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সতর্ক করছি। নির্বাচনী বিধি মেনে প্রচারণা করার জন্য উদ্বুদ্ধ করছি।’