১১:২০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নানা সংকটে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন, দুর্ভোগে যাত্রীরা

অসুস্থ মাকে চিকিৎসা করাতে কুষ্টিয়া এসেছিলেন চুয়াডাঙ্গার ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম৷ সম্প্রতি তার মায়ের হাঁটুতে একটি অপারেশন করা হয়েছে৷ তিনি এখন মোটামুটি সুস্থ৷ তবে বার্ধক্য আর অস্ত্রোপচারের কারণে তিনি একা হাঁটতে পারেন না৷ আরামদায়ক ভ্রমণের চিন্তা থেকে শহিদুল সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রেনে করে চুয়াডাঙ্গা ফিরবেন৷ মাকে নিয়ে চলে এলেন কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে৷ অপেক্ষায় থাকলেন ‘নকশিকাঁথা এক্সপ্রেসের’৷

কিন্তু স্টেশনে এসে দেখলেন, প্ল্যাটফর্মের চেয়ে ট্রেনের উচ্চতা অনেক বেশি। চাইলেই কেউ প্ল্যাটফর্ম থেকে সহজে ট্রেনে উঠতে বা নামতে পারবেন না। অসুস্থ মাকে নিয়ে পড়ে গেলেন চিন্তায়। প্রচণ্ড ক্ষোভ আর দুশ্চিন্তা থেকে তিনি বলেন, ‘আম্মাকে নিয়ে বাড়ি যাব। তার পায়ে অপারেশন করা হয়েছে। এখন চিন্তায় আছি তাকে কীভাবে এত উঁচু ট্রেনে ওঠাব। তার বয়স হয়েছে। একা চলতে পারে না। দেশের এত কিছুতে উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু এই স্টেশনটি এখনো আগের আমলেই পড়ে আছে।’

স্টেশনে ভিড়ল ‘নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস’। ওই ট্রেনে করে ঢাকা থেকে ফিরেছেন শাহাদত হোসেন। দোকানের জন্য মালামাল কিনে নেমেছেন কোর্ট স্টেশনে। কিন্তু তিনি যে বগিতে ছিলেন সেটি থেমেছে প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্তত ১০০ গজ দূরে। সেখানে ছিল সড়কপথ। প্ল্যাটফর্ম না থাকায় নিচ থেকে ট্রেনের উচ্চতা ছিল আরও অনেক বেশি, যেখানে নামা আরও কষ্টকর। তিনি বলেন, ‘আমার বগি যেখানে থেমেছে, সেখানে কীভাবে নামব তা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তার ওপর সঙ্গে কিছু মালামালও ছিল। এভাবে ট্রেন থেকে নামা খুবই কষ্টকর, সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণও।’

শুধু শহিদুল ইসলাম আর শাহাদত হোসেন নন, ভ্রমণের জন্য কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে ওঠা-নামা করা সব যাত্রীকে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন নারী, শিশু আর বয়স্ক ব্যক্তিরা। শুধু যাত্রী ওঠা-নামার অসুবিধাই নয়, গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা থাকলেও নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা। যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার থাকলেও তা ব্যবহারের উপযোগী নয়, নেই পর্যাপ্ত শৌচাগারও, যা আছে তাও ব্যবহারের অনুপোযোগী। অভিযোগ রয়েছে, স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও সহজে দেখা মেলে না। ইচ্ছামতো অফিস করেন কর্মকর্তারা। যেন দেখার কেউ নেই!

রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরুর আগে এই রুটে আপ এবং ডাউনে দুটি লোকাল এবং দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করত। তাই এই রুটে যাত্রীদের চাপ তেমন একটা ছিল না। কিন্তু পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরুর পর থেকে গুরুত্ব বেড়েছে এই রুটের। খুলনা থেকে কুষ্টিয়া হয়ে ঢাকা এবং রাজশাহী থেকে কুষ্টিয়া হয়ে ঢাকায় ট্রেনে যেতে সময় এবং খরচ দুটোই কম লাগে। তাই এই রুটে যাত্রী বেড়েছে কয়েকগুণ। তবে যাত্রী এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়লেও কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের সেবার মান বাড়েনি একটুও। তাই জীবন-জীবিকার তাগিদে যাদের এই স্টেশনটি ব্যবহার করতে হয় তাদের পোহাতে হয় নানা ভোগান্তি।

স্টেশনে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি ট্রেনের জন্যই অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ রয়েছে। কোনো ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের হুড়োহুড়ি লেগে যায়। তার ওপরে থামার সময় মাত্র চার মিনিট। সব মিলিয়ে এই স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে এবং নামতে রীতিমতো যাত্রীদের যুদ্ধ করতে হয়। তরুণরা এই যুদ্ধে জিততে পারলেও হাল ছেড়ে দিতে হয় নারী, শিশু ও বয়স্কদের। বর্তমানে এই স্টেশন দিয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস, নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস, মধুমতী এক্সপ্রেস চলাচল করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্টেশনে দায়িত্বরত জিআরপি পুলিশের এক সদস্য সবুজ বাংলাকে বলেন, ‘এই রুটে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ট্রেন চালুর পর থেকে স্টেশনটির চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। যাত্রীও বাড়ছে প্রতিদিন। কিন্তু স্টেশনটি আছে সেই আগের মান্ধাতার মতোই। ট্রেন এসে থামলে সামনের তিনটি এবং পেছনের তিন-চারটি বগি প্ল্যাটফর্মের বাইরে থাকে। উঁচু ট্রেনে ওঠা-নামা করতে যাত্রীদের ঘাম ঝরাতে হয়। মাঝেমধ্যে অনেক যাত্রী পা ফসকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হন। এই স্টেশনটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।’

স্টেশনের পাশেই থাকেন মাহফুজ খন্দকার। মাঝেমধ্যেই স্বজনদের ট্রেনে তুলে দিতে প্ল্যাটফর্মে আসেন। যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্র দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছেন। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্টদের অদক্ষতাকে দায়ী করেন তিনি। বলেন, ‘ঢাকা থেকে এই রুটে ট্রেন চলাচল শুরুর আগেই স্টেশনটি আকারে বড় এবং উঁচু করা উচিত ছিল। কারণ এখানকার যাত্রীর মধ্যে বেশির ভাগই নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তি। স্টেশনটির বর্তমান অবকাঠামোগত সংকটের কারণে ট্রেনে ওঠা-নামা করা খুবই কষ্টসাধ্য।’ ট্রেনের বগির সঙ্গে মিল রেখে প্ল্যাটফর্ম উঁচু করার পাশাপাশি আধুনিক বিশ্রামাগার ও শৌচাগার নিমার্ণের দাবি জানান তিনি।

কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের সব সংকটের বিষয়টি নজরে আনলে স্টেশন মাস্টার ইতিয়ারা খাতুন সবুজ বাংলাকে বলেন, ‘যাত্রী দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত আকারে জানিয়েছি। আমার জানামতে, স্টেশন উঁচু করা এবং বড় করার কার্যক্রম এরই মধ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশী অঞ্চলের ব্যবস্থাপক নাজিব কায়সার সবুজ বাংলাকে বলেন, ‘এরই মধ্যে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনটি উঁচু করার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। স্টেশনটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন পূর্বদিকে বাড়ানোর কার্যক্রম চলমান আছে। অচিরেই সার্বিক উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।’

স/ম

জনপ্রিয় সংবাদ

সোনারগাঁয়ে আল হাবিব ইন্টা.ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা মাঝে বই বিতরণ

নানা সংকটে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশন, দুর্ভোগে যাত্রীরা

আপডেট সময় : ০১:৪৫:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪

অসুস্থ মাকে চিকিৎসা করাতে কুষ্টিয়া এসেছিলেন চুয়াডাঙ্গার ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলাম৷ সম্প্রতি তার মায়ের হাঁটুতে একটি অপারেশন করা হয়েছে৷ তিনি এখন মোটামুটি সুস্থ৷ তবে বার্ধক্য আর অস্ত্রোপচারের কারণে তিনি একা হাঁটতে পারেন না৷ আরামদায়ক ভ্রমণের চিন্তা থেকে শহিদুল সিদ্ধান্ত নিলেন ট্রেনে করে চুয়াডাঙ্গা ফিরবেন৷ মাকে নিয়ে চলে এলেন কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে৷ অপেক্ষায় থাকলেন ‘নকশিকাঁথা এক্সপ্রেসের’৷

কিন্তু স্টেশনে এসে দেখলেন, প্ল্যাটফর্মের চেয়ে ট্রেনের উচ্চতা অনেক বেশি। চাইলেই কেউ প্ল্যাটফর্ম থেকে সহজে ট্রেনে উঠতে বা নামতে পারবেন না। অসুস্থ মাকে নিয়ে পড়ে গেলেন চিন্তায়। প্রচণ্ড ক্ষোভ আর দুশ্চিন্তা থেকে তিনি বলেন, ‘আম্মাকে নিয়ে বাড়ি যাব। তার পায়ে অপারেশন করা হয়েছে। এখন চিন্তায় আছি তাকে কীভাবে এত উঁচু ট্রেনে ওঠাব। তার বয়স হয়েছে। একা চলতে পারে না। দেশের এত কিছুতে উন্নয়ন হয়েছে, কিন্তু এই স্টেশনটি এখনো আগের আমলেই পড়ে আছে।’

স্টেশনে ভিড়ল ‘নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস’। ওই ট্রেনে করে ঢাকা থেকে ফিরেছেন শাহাদত হোসেন। দোকানের জন্য মালামাল কিনে নেমেছেন কোর্ট স্টেশনে। কিন্তু তিনি যে বগিতে ছিলেন সেটি থেমেছে প্ল্যাটফর্ম থেকে অন্তত ১০০ গজ দূরে। সেখানে ছিল সড়কপথ। প্ল্যাটফর্ম না থাকায় নিচ থেকে ট্রেনের উচ্চতা ছিল আরও অনেক বেশি, যেখানে নামা আরও কষ্টকর। তিনি বলেন, ‘আমার বগি যেখানে থেমেছে, সেখানে কীভাবে নামব তা বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তার ওপর সঙ্গে কিছু মালামালও ছিল। এভাবে ট্রেন থেকে নামা খুবই কষ্টকর, সঙ্গে ঝুঁকিপূর্ণও।’

শুধু শহিদুল ইসলাম আর শাহাদত হোসেন নন, ভ্রমণের জন্য কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনে ওঠা-নামা করা সব যাত্রীকে নানা ভোগান্তির শিকার হতে হয়। সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েন নারী, শিশু আর বয়স্ক ব্যক্তিরা। শুধু যাত্রী ওঠা-নামার অসুবিধাই নয়, গাড়ি পার্কিংয়ের জায়গা থাকলেও নেই পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা। যাত্রীদের জন্য বিশ্রামাগার থাকলেও তা ব্যবহারের উপযোগী নয়, নেই পর্যাপ্ত শৌচাগারও, যা আছে তাও ব্যবহারের অনুপোযোগী। অভিযোগ রয়েছে, স্টেশনের দায়িত্বপ্রাপ্তদেরও সহজে দেখা মেলে না। ইচ্ছামতো অফিস করেন কর্মকর্তারা। যেন দেখার কেউ নেই!

রেলওয়ে স্টেশন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত বছর পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরুর আগে এই রুটে আপ এবং ডাউনে দুটি লোকাল এবং দুটি আন্তনগর ট্রেন চলাচল করত। তাই এই রুটে যাত্রীদের চাপ তেমন একটা ছিল না। কিন্তু পদ্মা সেতু দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরুর পর থেকে গুরুত্ব বেড়েছে এই রুটের। খুলনা থেকে কুষ্টিয়া হয়ে ঢাকা এবং রাজশাহী থেকে কুষ্টিয়া হয়ে ঢাকায় ট্রেনে যেতে সময় এবং খরচ দুটোই কম লাগে। তাই এই রুটে যাত্রী বেড়েছে কয়েকগুণ। তবে যাত্রী এবং ট্রেনের সংখ্যা বাড়লেও কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের সেবার মান বাড়েনি একটুও। তাই জীবন-জীবিকার তাগিদে যাদের এই স্টেশনটি ব্যবহার করতে হয় তাদের পোহাতে হয় নানা ভোগান্তি।

স্টেশনে ঘুরে দেখা যায়, প্রায় প্রতিটি ট্রেনের জন্যই অতিরিক্ত যাত্রীর চাপ রয়েছে। কোনো ট্রেন থামার সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীদের হুড়োহুড়ি লেগে যায়। তার ওপরে থামার সময় মাত্র চার মিনিট। সব মিলিয়ে এই স্টেশন থেকে ট্রেনে উঠতে এবং নামতে রীতিমতো যাত্রীদের যুদ্ধ করতে হয়। তরুণরা এই যুদ্ধে জিততে পারলেও হাল ছেড়ে দিতে হয় নারী, শিশু ও বয়স্কদের। বর্তমানে এই স্টেশন দিয়ে সুন্দরবন এক্সপ্রেস, বেনাপোল এক্সপ্রেস, নকশিকাঁথা এক্সপ্রেস, মধুমতী এক্সপ্রেস চলাচল করে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্টেশনে দায়িত্বরত জিআরপি পুলিশের এক সদস্য সবুজ বাংলাকে বলেন, ‘এই রুটে ঢাকার সঙ্গে সরাসরি ট্রেন চালুর পর থেকে স্টেশনটির চাহিদা দিনদিন বাড়ছে। যাত্রীও বাড়ছে প্রতিদিন। কিন্তু স্টেশনটি আছে সেই আগের মান্ধাতার মতোই। ট্রেন এসে থামলে সামনের তিনটি এবং পেছনের তিন-চারটি বগি প্ল্যাটফর্মের বাইরে থাকে। উঁচু ট্রেনে ওঠা-নামা করতে যাত্রীদের ঘাম ঝরাতে হয়। মাঝেমধ্যে অনেক যাত্রী পা ফসকে পড়ে দুর্ঘটনার শিকার হন। এই স্টেশনটি দ্রুত সংস্কার করা প্রয়োজন।’

স্টেশনের পাশেই থাকেন মাহফুজ খন্দকার। মাঝেমধ্যেই স্বজনদের ট্রেনে তুলে দিতে প্ল্যাটফর্মে আসেন। যাত্রীদের ভোগান্তির চিত্র দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছেন। বর্তমান পরিস্থিতির জন্য সংশ্লিষ্টদের অদক্ষতাকে দায়ী করেন তিনি। বলেন, ‘ঢাকা থেকে এই রুটে ট্রেন চলাচল শুরুর আগেই স্টেশনটি আকারে বড় এবং উঁচু করা উচিত ছিল। কারণ এখানকার যাত্রীর মধ্যে বেশির ভাগই নারী, শিশু এবং বয়স্ক ব্যক্তি। স্টেশনটির বর্তমান অবকাঠামোগত সংকটের কারণে ট্রেনে ওঠা-নামা করা খুবই কষ্টসাধ্য।’ ট্রেনের বগির সঙ্গে মিল রেখে প্ল্যাটফর্ম উঁচু করার পাশাপাশি আধুনিক বিশ্রামাগার ও শৌচাগার নিমার্ণের দাবি জানান তিনি।

কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনের সব সংকটের বিষয়টি নজরে আনলে স্টেশন মাস্টার ইতিয়ারা খাতুন সবুজ বাংলাকে বলেন, ‘যাত্রী দুর্ভোগের কথা মাথায় রেখে আমরা বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিত আকারে জানিয়েছি। আমার জানামতে, স্টেশন উঁচু করা এবং বড় করার কার্যক্রম এরই মধ্যে হাতে নেওয়া হয়েছে।’

বাংলাদেশ রেলওয়ে পাকশী অঞ্চলের ব্যবস্থাপক নাজিব কায়সার সবুজ বাংলাকে বলেন, ‘এরই মধ্যে কুষ্টিয়া কোর্ট স্টেশনটি উঁচু করার জন্য দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। স্টেশনটির অবকাঠামোগত উন্নয়ন পূর্বদিকে বাড়ানোর কার্যক্রম চলমান আছে। অচিরেই সার্বিক উন্নয়নের কাজ শুরু হবে।’

স/ম