০৭:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শীতে কাবু শেরপুরের শিশুরা। হাসপাতালে দ্বিগুণ রোগী ভর্তি

শেরপুর সূর্যের দেখা নেই গত এক সপ্তাহ ধরে। তার সাথে যোগ হয়েছে হিমেল হওয়া। ফলে শীতের প্রভাবে জুবুথুবু সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নিন্ময়ের মানুষ এবং বৃদ্ধ ও শিশুরা কাবু হয়ে পড়েছে শীতের দাপটে। স্কুলগামী শিশুরা খুবই কষ্টে আছে।

এদিকে গত ৭ দিনে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত নানা রোগে ভর্তি হচ্ছে শিশুরা। এসব রোগীর মধ্যে ঠান্ডা জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি শিশু। অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবায় কোন সমস্যা না হলেও রোগীর সয্যা সমস্যা এবং হাসপাতালের পরিবেশের নানা সমস্যা কথা জানায় শিশুরোগীদের অভিভাবকরা। এমনিতেই ঠান্ডা তার উপর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড সয্যা না থাকায় মেঝেতে রোগীরা অবস্থান করায় শিশু ও অভিভাবকদের অনেক ভুগতে হচ্ছে।

জেলা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, ২৫০ সয্যার জেলা সদর হাসপাতালে শিশু ওর্ডের সয্যা সংখ্যা ৪৫ টি থাকলেও বর্তমানে শীত জনিত কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় শতাধিক শিশু রোগী ভর্তি রয়েছে। তবে চিকিৎসা সেবা দিতে ডাক্তার সংকট থাকলেও তা কভার করা যাচ্ছে।

শিশু রোগীদের বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, ঠান্ডার জনিত কারণে শিশু রোগীদের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্স-কর্মচারীরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালে দ্বিগুণ রোগী থাকলেও চিকিৎসা সেবায় তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে ঠান্ডা একটু কমে আসলে রোগীর সংখ্যাও কমে যাবে। তখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

নিলামে ২০৬ মিলিয়ন ডলার কিনল বাংলাদেশ ব্যাংক

শীতে কাবু শেরপুরের শিশুরা। হাসপাতালে দ্বিগুণ রোগী ভর্তি

আপডেট সময় : ০৪:০৭:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৪

শেরপুর সূর্যের দেখা নেই গত এক সপ্তাহ ধরে। তার সাথে যোগ হয়েছে হিমেল হওয়া। ফলে শীতের প্রভাবে জুবুথুবু সাধারণ মানুষ। বিশেষ করে নিন্ময়ের মানুষ এবং বৃদ্ধ ও শিশুরা কাবু হয়ে পড়েছে শীতের দাপটে। স্কুলগামী শিশুরা খুবই কষ্টে আছে।

এদিকে গত ৭ দিনে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ঠান্ডা জনিত নানা রোগে ভর্তি হচ্ছে শিশুরা। এসব রোগীর মধ্যে ঠান্ডা জ্বর ও নিউমোনিয়ায় আক্রান্ত সবচেয়ে বেশি শিশু। অতিরিক্ত রোগীর চাপে চিকিৎসা সেবায় কোন সমস্যা না হলেও রোগীর সয্যা সমস্যা এবং হাসপাতালের পরিবেশের নানা সমস্যা কথা জানায় শিশুরোগীদের অভিভাবকরা। এমনিতেই ঠান্ডা তার উপর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড সয্যা না থাকায় মেঝেতে রোগীরা অবস্থান করায় শিশু ও অভিভাবকদের অনেক ভুগতে হচ্ছে।

জেলা সদর হাসপাতাল সূত্রে জানাগেছে, ২৫০ সয্যার জেলা সদর হাসপাতালে শিশু ওর্ডের সয্যা সংখ্যা ৪৫ টি থাকলেও বর্তমানে শীত জনিত কারণে নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রায় শতাধিক শিশু রোগী ভর্তি রয়েছে। তবে চিকিৎসা সেবা দিতে ডাক্তার সংকট থাকলেও তা কভার করা যাচ্ছে।

শিশু রোগীদের বিষয়ে হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার মোঃ জসিম উদ্দিন বলেন, ঠান্ডার জনিত কারণে শিশু রোগীদের জন্য হাসপাতালের চিকিৎসক ও নার্স-কর্মচারীরা নিরলস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে হাসপাতালে দ্বিগুণ রোগী থাকলেও চিকিৎসা সেবায় তাদের কোন সমস্যা হচ্ছে না। তবে ঠান্ডা একটু কমে আসলে রোগীর সংখ্যাও কমে যাবে। তখন স্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি হবে।