দ্বাদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত ৫০টি নারী আসনের মধ্যে সিরাজগঞ্জ-পাবনা আসনে মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য মরনোত্তোর একুশে পদক প্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা মরহুমা সৈয়দা ইসাবেলা ও বঙ্গবন্ধুর ঘনিষ্ঠ সহচর ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন রতুর কন্যা ইমেলদা হোসেন দীপা কে এমপি হিসেবে দেখতে চায় সিরাজগঞ্জ ও পাবনা বাসী।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসংখ্য স্ট্যাটাস দিয়ে তার পক্ষে প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন ভক্ত-শুভাকাঙ্খিরা।
সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে নারীনেত্রী ও সুদক্ষ সংগঠক হিসেবে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের হয়ে দিনরাত কাজ করেছেন। সেই সঙ্গে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড সবার মাঝে তুলে ধরছেন। ইমেলদা হোসেন দীপা এরই মধ্যে বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য এবং সাহসিকা নারী উন্নয়ন সংস্থা সভাপতির দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।
শুধু তাই নয় সিরাজগঞ্জ জেলা মহিলা আওয়ামীলীগ সদস্য ইসাবেলা ফাউন্ডেশনের সদস্য সচিব এর দায়িত্ব পালন করছে। দীর্ঘ ২৫ বছর প্রতিবন্ধী মানুষের জীবন মান উন্নয়ন, করোনা মহামারীর মধ্যে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নিজ হাতে ত্রাণ বিতরণ, শীতের মধ্যে অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করে সিরাজগঞ্জ বাসীর কাছে ইমেলদা হোসেন দীপা একজন মানবিক মানুষ হিসেবে পরিচিত লাভ করেছে। দলমত নির্বিশেষে যে কোনো মানুষের বিপদে সবার আগে পাশে থাকেন তিনি। জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত সিরাজগঞ্জ-পাবনা আসনে বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা ইমেলদা হোসেন দীপাকে মনোনয়ন দিয়ে এমপি হিসাবে নির্বাচিত করবে বলে প্রত্যাশা করছে এই অঞ্চলের মানুষ। ইতিমধ্যে নারীনেত্রী হিসেবে সবার কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন তিনি। দলীয় নেতাকর্মীসহ সিরাজগঞ্জ বাসী তাকে সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চান।
সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা বলেন, আমাদের সবার প্রত্যশা ইমেলদা হোসেন দীপা সংরক্ষিত আসনে এমপি হবেন। উনি এর যোগ্য দাবিদার। শুধু একজন ভাষা সৈনিক বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন রতুর কন্যার উত্তরাধিকারিনী বলে নয়, রাজনীতিতে সক্রিয়তা, সোনার বাংলা গড়ার সপক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার তারুণ্য নির্ভরতা, নারীর ক্ষমতায়ন, সর্বোপরি সিরাজগঞ্জ ও পাবনা বাসীর আপামর জনসাধারণের কাছে একজন প্রিয় নেত্রী হিসেবে উনার যথাযোগ্য মূল্যায়ন হোক, সেটাই আমাদের প্রত্যাশা।
সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থী ইমেলদা হোসেন দীপা বলেন, আমি আমার বাবার হাত ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে এসেছি। তিনি ২৩ বছর সফলতার সাথে সিরাজগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সিরাজগঞ্জ বাসীর প্রিয় মানুষ আমার বাবা ও ভাই সাবেক মন্ত্রী পরিষদের সচিব কবির বিন আনোয়ার অপু । তারা জনগণের জন্য কাজ করেছেন বলেই একেক জন জনপ্রিয় ব্যক্তি হয়ে উঠেছেন। আমি আমার বাবা ও মা’র আদর্শ নিয়ে মানুষের সেবা করতে চাই। নেত্রী আমাকে সেই সুযোগ দেবেন বলে আমি আশাবাদী।



















