টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে পরিবেশ আইন অমান্য করে তিন ফসলি জমির উপরিভাগের উর্বর মাটি (টপ সয়েল) কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। এতে হুমকির মুখে কৃষি জমি। প্রসাশনের দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।
আজ মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) উপজেলার উয়ার্শী ইউনিয়নের সাফর্ত্তা গ্রামে সরেজমিনে দেখা যায়, এক্সকাভেটর (ভেকুযন্ত্র) দিয়ে তিন ফসলি জমির টপসয়েল কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। ওই মাটি মাহিন্দ্র ট্রাক দিয়ে পৌঁছে দিচ্ছে বিভিন্ন স্থানে। এতে ফসলি জমির সাথে হুমকির মুখে রাস্তাঘাট। ধুলাবালিতে ছেয়ে গেছে রাস্তাঘাট স্বাস্থ্য ঝুকিতে স্থানীয়রা।
স্থানীয়রা জানান, ধুলাবালিতে রাস্তায় চলতে সমস্যা হচ্ছে। গ্রামের ভেতর দিয়ে মাটিবোঝাই ট্রাক ও ট্রাক্টর চলাচল করায় গ্রামীণ রাস্তার ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। ভেকু দিয়ে মাটি কেটে নষ্ট করছে আবাদি জমি। এছাড়া সরেজমিনে দেখা যায় ফসলি জমির উপর দিয়ে মাহিন্দ্র গাড়ি যাতায়াত করে নষ্ট করছে ফসলি জমি।
কৃষি বিষেশজ্ঞরা জানান, ফসলি জমির উপরিভাগের ১০ থেকে ১২ ইঞ্চির মধ্যে মাটির জৈব উপাদান থাকে। সেই মাটি কাটা হলে জমির জৈব উপাদান চলে যায়। এতে জমির স্থায়ী ক্ষতি হয়। ফসলের উৎপাদন ক্ষমতা কমে যায়। ফসলি জমির মাটি কাটা তাই বেআইনি।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এর মদদে কাটা হচ্ছে মাটি, আ:লীগ সাধারণ সম্পাদক মনির খানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বলেন এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না। তার নাম ভাঙ্গিয়ে অবৈধ মাটি ব্যবসায়ীরা সুবিধা ভোগ করছেন বলেও তিনি জানান।
মির্জাপুর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাসুদুর রহমান সবুজ বাংলাকে জানান, বালুমহাল ও মাটি ব্যবস্থাপনা (সংশোধন) আইন অনুযায়ী ফসলি জমি বা উদ্ভিদ বিনষ্ট হওয়ার আশঙ্কা থাকলে- সেখান থেকে বালু বা মাটি তোলা যাবে না। অবৈধ মাটি কাটার বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
স/মিফা




















