০৬:২৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ জানুয়ারী ২০২৬, ২৪ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নড়াইলে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম চড়া

খাবারের তালিকায় অপরিহার্য শীতের সবজি বাজারে উঠেছে প্রচুর পরিমাণে। পর্যাপ্ত সরবরাহে নেই কোন সমস্যা। কিন্তু বাজারে সবজি কিনতে গেলেই নাভিশ্বাস উঠে ক্রেতাদের। বিশেষ করে, যাদের আয় বাড়েনি তারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সবজি কিনতেই পারছেন না। ক্রেতাদের অভিযোগ, সবজি দেশে উৎপাদন হয়। বাজারের দিকে তাকালে মনে হয় উৎপাদনও ভালো। কিন্তু দামের দিকে তাকালে হতাশ হতে হয়। সবজির সরবরাহের তুলনায় দাম অন্তত তিনগুণ বেশি।
গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) জেলার কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। শসা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, আলু লাল ৪০ থেকে ৫০,আলু সাদা ৩৫ থেকে ৪৫,টমেটো ৪০ থেকে ৬০, গাজর ৩০, বেগুন ৭০ থেকে ৮০, মুলা ২০ থেকে ৩০, মরিচ ৮০ থেকে ১০০, পেঁয়াজ দেশী নতুন ৯০ থেকে ১০০, পেঁয়াজ কালি ৪০টাকা,ওল ৪০ থেকে ৫০,আদা ২০০ থেকে ২৪০, রসুন ২২০ থেকে ২৫০, পুঁইশাক ৬০ থেকে ৭০, শিম ৬০, বরবটি ৮০ থেকে ১০০, মটরশুঁটি ১০০ থেকে ১২০, সাদা বেগুন ৬৫ থেকে ৭০, করলা ১০০, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০.কাচঁকলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৩০টাকা ও মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে।
একজন ক্রেতা বলেন, শীতের সময় সবজির দাম কম হওয়ার কথা। কিন্তু শীতকালীন সবজিতে বাজার ভরপুর হলেও সবজি চড়া দাম কেন? এত টাকা দিয়ে সবজি কিনে পরিবার চালানো মুশকিল হয়ে পড়েছে। বাজারে সব কিছু থাকা সত্ত্বেও দাম বেশি। কি কারণে জিনিসপত্রের দাম বেশি বুঝতে পারছি না। তাছাড়া বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ না থাকার কারণে দেশি পেঁয়াজের দাম অনেক বেশি। সব ধরনের সবজির দাম তুলনামূলক বেড়েছে। সাধারণ মানুষের চড়া মূল্যে সবজি কিনতে হিমসিম খাচ্ছে। কৃষক সবজি উৎপাদন করে তারা দাম বেশী পায়না কিন্ত খুচরা বাজারে শাক-সবজির দাম চড়া।
এ বিষয়ে নড়াইল বাজারের পাইকারি বিক্রেতা রাহুল বলেন, সরবরাহের বড় কোনো ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও অন্যবারের তুলনায় সবজির দাম এবার একটু বেশি। আবহাওয়ার কারণে শীতের সবজিতে কিছুটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । এ জন্য আগের তুলনায় সবজির দাম একটু বেড়েছে।
তিনি আরো বলেন, আশা করছি ৭-৮ দিনের মধ্যে সবজির দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।
স/মিফা

জাতীয় নির্বাচনে পর্যবেক্ষক দল পাঠাচ্ছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন

নড়াইলে সবজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকলেও দাম চড়া

আপডেট সময় : ০৬:৩৭:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জানুয়ারী ২০২৪
খাবারের তালিকায় অপরিহার্য শীতের সবজি বাজারে উঠেছে প্রচুর পরিমাণে। পর্যাপ্ত সরবরাহে নেই কোন সমস্যা। কিন্তু বাজারে সবজি কিনতে গেলেই নাভিশ্বাস উঠে ক্রেতাদের। বিশেষ করে, যাদের আয় বাড়েনি তারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সবজি কিনতেই পারছেন না। ক্রেতাদের অভিযোগ, সবজি দেশে উৎপাদন হয়। বাজারের দিকে তাকালে মনে হয় উৎপাদনও ভালো। কিন্তু দামের দিকে তাকালে হতাশ হতে হয়। সবজির সরবরাহের তুলনায় দাম অন্তত তিনগুণ বেশি।
গত মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) জেলার কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি বাঁধাকপি ৩০ থেকে ৪০ টাকা ও ফুলকপি ৪০ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। শসা প্রতি কেজি ৬০ থেকে ৭০ টাকা, আলু লাল ৪০ থেকে ৫০,আলু সাদা ৩৫ থেকে ৪৫,টমেটো ৪০ থেকে ৬০, গাজর ৩০, বেগুন ৭০ থেকে ৮০, মুলা ২০ থেকে ৩০, মরিচ ৮০ থেকে ১০০, পেঁয়াজ দেশী নতুন ৯০ থেকে ১০০, পেঁয়াজ কালি ৪০টাকা,ওল ৪০ থেকে ৫০,আদা ২০০ থেকে ২৪০, রসুন ২২০ থেকে ২৫০, পুঁইশাক ৬০ থেকে ৭০, শিম ৬০, বরবটি ৮০ থেকে ১০০, মটরশুঁটি ১০০ থেকে ১২০, সাদা বেগুন ৬৫ থেকে ৭০, করলা ১০০, পেঁপে ৩০ থেকে ৪০.কাচঁকলা প্রতি হালি ২৫ থেকে ৩০টাকা ও মিষ্টি কুমড়া বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি দরে।
একজন ক্রেতা বলেন, শীতের সময় সবজির দাম কম হওয়ার কথা। কিন্তু শীতকালীন সবজিতে বাজার ভরপুর হলেও সবজি চড়া দাম কেন? এত টাকা দিয়ে সবজি কিনে পরিবার চালানো মুশকিল হয়ে পড়েছে। বাজারে সব কিছু থাকা সত্ত্বেও দাম বেশি। কি কারণে জিনিসপত্রের দাম বেশি বুঝতে পারছি না। তাছাড়া বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ না থাকার কারণে দেশি পেঁয়াজের দাম অনেক বেশি। সব ধরনের সবজির দাম তুলনামূলক বেড়েছে। সাধারণ মানুষের চড়া মূল্যে সবজি কিনতে হিমসিম খাচ্ছে। কৃষক সবজি উৎপাদন করে তারা দাম বেশী পায়না কিন্ত খুচরা বাজারে শাক-সবজির দাম চড়া।
এ বিষয়ে নড়াইল বাজারের পাইকারি বিক্রেতা রাহুল বলেন, সরবরাহের বড় কোনো ঘাটতি না থাকা সত্ত্বেও অন্যবারের তুলনায় সবজির দাম এবার একটু বেশি। আবহাওয়ার কারণে শীতের সবজিতে কিছুটা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে । এ জন্য আগের তুলনায় সবজির দাম একটু বেড়েছে।
তিনি আরো বলেন, আশা করছি ৭-৮ দিনের মধ্যে সবজির দাম ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে চলে আসবে।
স/মিফা