০৯:৫৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মার্চ ২০২৪, ১৯ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

থানায় ঢুকে ওসিকে বৈদ্যুতিক শক

রাজবাড়ী সদর থানায় ঢুকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখারুল আলম প্রধানকে বৈদ্যুতিক শকার মেশিন দিয়ে শক দিয়ে আহত করেছেন এক যুবক।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নীহারিকা সরকার বাদী হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।এর আগে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ওসির নিজ অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের ডিগ্রীচর চাঁদপুর গ্রামের আজাদ শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৪), একই গ্রামের আজিজ শেখের ছেলে লিটন শেখ (৪৫) ও শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে আক্কাস আলী মিয়া (৪৩)। এদের মধ্যে আক্কাস আলী শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের রূপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জি এম আবুল কালাম আজাদ জানান, রোববার বিকেলে লিটন থানায় একটি জিডি করতে যান। তার সঙ্গে থানায় যান শফিকুল। এসময় লিটন ডিউটি অফিসারের কাছে গিয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে জিডি করতে চান। ৯ জনের বিরুদ্ধে জিডির বিষয়টি ডিউটি অফিসারের সন্দেহ হলে তিনি ওসি ইফতেখারুল আলম প্রধানকে জানান। তখন ওসি লিটন ও শফিকুলকে ডেকে তার রুমে নেন। শফিকুল ওসির রুমে ঢুকে আক্কাসকে ফোন করে লাইনে রেখে ফোন পকেটে ঢুকান। এ সময় ওসির সন্দেহ হলে ওসি শফিকুলের পকেট চেক করতে যান। তখন শফিকুল তার পকেটে থাকা ৫ হাজার কিলোভোল্টের বৈদ্যুতিক শকার মেশিন বের করে ওসির মুখে শক দেন। এতে ওসির মুখ কেটে যায়। এ সময় শফিকুল ও লিটন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে তাদের সহযোগী আক্কাসকেও আটক করা হয়।

থানায় ঢুকে ওসিকে বৈদ্যুতিক শক

আপডেট সময় : ০৬:০৩:৫৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১২ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

রাজবাড়ী সদর থানায় ঢুকে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইফতেখারুল আলম প্রধানকে বৈদ্যুতিক শকার মেশিন দিয়ে শক দিয়ে আহত করেছেন এক যুবক।

সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে এ ঘটনায় রাজবাড়ী সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) নীহারিকা সরকার বাদী হয়ে ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

মামলার তিন আসামিকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠিয়েছে গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।এর আগে রোববার (১১ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে ওসির নিজ অফিস কক্ষে এ ঘটনা ঘটে।
গ্রেফতার ব্যক্তিরা হলেন, রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর ইউনিয়নের ডিগ্রীচর চাঁদপুর গ্রামের আজাদ শেখের ছেলে শফিকুল ইসলাম (২৪), একই গ্রামের আজিজ শেখের ছেলে লিটন শেখ (৪৫) ও শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের মো. ইউসুফ আলীর ছেলে আক্কাস আলী মিয়া (৪৩)। এদের মধ্যে আক্কাস আলী শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের রূপপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক।
রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার জি এম আবুল কালাম আজাদ জানান, রোববার বিকেলে লিটন থানায় একটি জিডি করতে যান। তার সঙ্গে থানায় যান শফিকুল। এসময় লিটন ডিউটি অফিসারের কাছে গিয়ে ৯ জনের বিরুদ্ধে জিডি করতে চান। ৯ জনের বিরুদ্ধে জিডির বিষয়টি ডিউটি অফিসারের সন্দেহ হলে তিনি ওসি ইফতেখারুল আলম প্রধানকে জানান। তখন ওসি লিটন ও শফিকুলকে ডেকে তার রুমে নেন। শফিকুল ওসির রুমে ঢুকে আক্কাসকে ফোন করে লাইনে রেখে ফোন পকেটে ঢুকান। এ সময় ওসির সন্দেহ হলে ওসি শফিকুলের পকেট চেক করতে যান। তখন শফিকুল তার পকেটে থাকা ৫ হাজার কিলোভোল্টের বৈদ্যুতিক শকার মেশিন বের করে ওসির মুখে শক দেন। এতে ওসির মুখ কেটে যায়। এ সময় শফিকুল ও লিটন দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে পুলিশ তাদের আটক করে। পরে তাদের সহযোগী আক্কাসকেও আটক করা হয়।