১১:১৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩০ বঙ্গাব্দ

সিরাজগঞ্জে মাকে হত্যার দায়ে পুত্র ও পুত্রবধূর মৃত্যুদণ্ড

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে মাকে হত্যার দায়ে পুত্র ও পুত্রবধূকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কাজীপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাই গুরিবেড় গ্রামের মকসেদ আলীর ছেলে আবদুস সামাদ ও তার স্ত্রী রাশিদা খাতুন।

আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক কানিজ ফাতিমা এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এ্যাডভোকেট শামসুল আলম। তিনি বলেন, আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত আজ এই রায় দেন। এরপর তাদেরকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাইগুরিবেড় গ্রামে আব্দুস সামাদের সাথে তার বৃদ্ধ মা ফাতেমা বেগম একই বাড়িতে বসবাস করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় সেদিন রাতেও বৃদ্ধ ফাতেমা খাওয়া দাওয়া শেষ করে তার কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরেরদিন ২০১৬ সালের ১ই নভেম্বর ভোরে ফাতেমা বেগমের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় ও একটি ছুরি জব্দ করে।

পরে আব্দুস সামাদের ভাই আব্দুল রহিম বাদি হয়ে কাজিপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দেয় থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন বিচার কার্য চলার পরে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় প্রদান করেন।

স/মিফা

অব্যাহত অভিযানেও চলছে অবৈধ ক্লিনিক হাসপাতাল-ডায়াগনস্টিক সেন্টার

সিরাজগঞ্জে মাকে হত্যার দায়ে পুত্র ও পুত্রবধূর মৃত্যুদণ্ড

আপডেট সময় : ০৫:৪১:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে মাকে হত্যার দায়ে পুত্র ও পুত্রবধূকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, কাজীপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাই গুরিবেড় গ্রামের মকসেদ আলীর ছেলে আবদুস সামাদ ও তার স্ত্রী রাশিদা খাতুন।

আজ মঙ্গলবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) দুপুর সোয়া ১টার দিকে সিরাজগঞ্জ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ তৃতীয় আদালতের বিচারক কানিজ ফাতিমা এ রায় ঘোষণা করেন।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ৩য় আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) এ্যাডভোকেট শামসুল আলম। তিনি বলেন, আসামিদের উপস্থিতিতে আদালত আজ এই রায় দেন। এরপর তাদেরকে জেলা কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার দক্ষিণ রেহাইগুরিবেড় গ্রামে আব্দুস সামাদের সাথে তার বৃদ্ধ মা ফাতেমা বেগম একই বাড়িতে বসবাস করতেন। প্রতিদিনের ন্যায় সেদিন রাতেও বৃদ্ধ ফাতেমা খাওয়া দাওয়া শেষ করে তার কক্ষে ঘুমিয়ে পড়েন। পরেরদিন ২০১৬ সালের ১ই নভেম্বর ভোরে ফাতেমা বেগমের গলাকাটা মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন স্বজনরা। পরে পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠায় ও একটি ছুরি জব্দ করে।

পরে আব্দুস সামাদের ভাই আব্দুল রহিম বাদি হয়ে কাজিপুর থানায় অজ্ঞাতনামা আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে আদালতে চার্জশিট দেয় থানা পুলিশ। দীর্ঘদিন বিচার কার্য চলার পরে ১৪ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে আজ মঙ্গলবার দুপুরে আসামিদের উপস্থিতিতে বিচারক এ রায় প্রদান করেন।

স/মিফা