০৮:০৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৭ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাঙ্গালহালিয়ায় গলায় দড়ি দিয়ে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা।

রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে এক ব্যক্তির গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ভিমাছড়া এলাকায় গলায় দড়ি দিয়ে মিন্টু চরণ দে (৪৬) নামক এই ব্যক্তি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যায়।
আত্মহত্যাকারী মিন্টু চরণ দে একই এলাকার মৃত ননীগোপাল দে’র ছেলে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আত্নহত্যাকারী মিন্টু চরণ দে দীর্ঘদিন ধরে মদ পান করতো। এজন্য পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন সময় মাদক সেবন না করার জন্য চাপ প্রযোগ করতো। তবে কোনো কিছুতেই তার এ সমস্যা দূর করা সম্ভব হয়নি।
নিত্যদিনের মতো শুক্রবার বাড়ি থেকে বের হয় মিন্টু চরণ দে। বেশকিছু সময় পার হলেও তিনি আর বাড়ি ফিরেন আসেননি। এরপর তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ীর পেছনের একটি গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি লাগানো অবস্থায় মিন্টুকে ঝুলতে দেখেন তার স্বজনরা। পরে দড়ি কেটে তাকে নিচে নামানো হয়।
এই বিষয়ে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বলেন, আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশের নিকট খবর দিয়েছি।
এই বিষয়ে চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ এমরুল করিম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। কোনো অভিযোগ না থাকায় শুক্রবার বিকালে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

বাঙ্গালহালিয়ায় গলায় দড়ি দিয়ে এক ব্যক্তির আত্মহত্যা।

আপডেট সময় : ০৭:১২:৩৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ মার্চ ২০২৪
রাজস্থলী উপজেলার বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নে এক ব্যক্তির গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
শুক্রবার (১ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের ভিমাছড়া এলাকায় গলায় দড়ি দিয়ে মিন্টু চরণ দে (৪৬) নামক এই ব্যক্তি গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে জানা যায়।
আত্মহত্যাকারী মিন্টু চরণ দে একই এলাকার মৃত ননীগোপাল দে’র ছেলে।
স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, আত্নহত্যাকারী মিন্টু চরণ দে দীর্ঘদিন ধরে মদ পান করতো। এজন্য পরিবারের লোকজন তাকে বিভিন্ন সময় মাদক সেবন না করার জন্য চাপ প্রযোগ করতো। তবে কোনো কিছুতেই তার এ সমস্যা দূর করা সম্ভব হয়নি।
নিত্যদিনের মতো শুক্রবার বাড়ি থেকে বের হয় মিন্টু চরণ দে। বেশকিছু সময় পার হলেও তিনি আর বাড়ি ফিরেন আসেননি। এরপর তাকে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন স্বজনরা। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ীর পেছনের একটি গাছের সঙ্গে গলায় দড়ি লাগানো অবস্থায় মিন্টুকে ঝুলতে দেখেন তার স্বজনরা। পরে দড়ি কেটে তাকে নিচে নামানো হয়।
এই বিষয়ে বাঙ্গালহালিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আদোমং মারমা বলেন, আমরা খবর পাওয়ার সাথে সাথে পুলিশের নিকট খবর দিয়েছি।
এই বিষয়ে চন্দ্রঘোনা থানার অফিসার ইনচার্জ এমরুল করিম জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। কোনো অভিযোগ না থাকায় শুক্রবার বিকালে মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তবে এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে।