সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার শিয়ালকোলে তুচ্ছ ঘটনায় ইমরান হোসেন (৩৫) নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে শ্যালকের বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে শ্যালক রাশেদুল ইসলাম পলাতক রয়েছেন।
নিহত ইমরান হোসেন সিরাজগঞ্জ পৌর এলাকার রানীগ্রাম মহল্লার আবুল হোসেনের ছেলে। তিনি সদর উপজেলার শিয়ালকোল ইউনিয়নের উত্তর সারটিয়া গ্রামের ফরিদুল ইসলামের মেয়েকে বিয়ে করে শশুর বাড়িতেই বসবাস করতেন।
আজ শনিবার (২ মার্চ) ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইমরানের মৃত্যু হয়। এঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানান, বেশ কিছু দিন আগে ইমরানকে মারধর করেন শ্যালক রাশেদুল। এঘটনায় রাশেদুলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করে ইমরান। এদিকে সম্প্রতি রাশেদুল ইসলামের সঙ্গে তার স্ত্রীর পারিবারিক কলোহ চলে আসছিলো। এঘটনায় রাশেদুলের স্ত্রী তার বিরুদ্ধে যৌতুক ও নারী নির্যাতন মামলা দায়ের করেন। স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় রাশেদুলের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারী টরোয়ানা জারি করে আদালত। পরে পুলিশ রাশেদুলকে গ্রেপ্তার করতে গেলে তিনি পালিয়ে যান। রাশেদুলের ধারনা ইমরানের দায়ের করা মামলায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করতে এসেছে।
এই ধারনা থেকে গত ১ মার্চ বিকেলে উত্তর সারটিয়া গ্রামে ইমরানকে কুপিয়ে আহত করে রাশেদুল ইসলাম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জের ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে রাতেই ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ভোরে মারা যান ইমরান।
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম বলেন, ইমরানের মৃত্যুর খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছিলো। নিহতের মরদেহ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে। এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।





















