০৬:০২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ২৫ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

এস আলম সুগার মিল

পরিশোধিত চিনির মজুদ অক্ষত থাকায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে সরবরাহ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ সাইফুল আলম। গতকাল মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

বাজারে চিনির দামে প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, উৎপাদনে যেতে দুই-একদিন সময় লাগবে। আগুন নেভানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। চিনির সংকট হবে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ টন অপরিশোধিত চিনির গুদামে আগুন লেগেছে। পাশের ফিনিশড সুগারের গুদাম ও চিনি পরিশোধনের যন্ত্রপাতির ইউনিটগুলো অক্ষত আছে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও থাইল্যান্ড থেকে চিনির কাঁচামাল এনে পরিশোধন করা হয় দুইটি প্লান্টে। এর মধ্যে প্লান্ট ১ এর উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ৯০০ টন, প্লান্ট ২ এর উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ টন।

 

থাইল্যান্ড ও ফ্রান্সের প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তায় এই কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, চিনি কারখানার আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে অগ্নিনির্বাপক রোবট ‘লুফ- ৬০’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই যন্ত্র দিয়ে মিনিটে এক হাজার লিটার স্পিডে পানি ছিটানো হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করছে সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ড। কৌতূহলী মানুষের ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

এস আলম সুগার মিল

আপডেট সময় : ০৪:১৯:৩৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৬ মার্চ ২০২৪

পরিশোধিত চিনির মজুদ অক্ষত থাকায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ থেকে সরবরাহ শুরু করা হবে বলে জানিয়েছেন এস আলম গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ সাইফুল আলম। গতকাল মঙ্গলবার (৫ মার্চ) ঘটনাস্থল পরিদর্শনকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এমন মন্তব্য করেছেন।

বাজারে চিনির দামে প্রভাব পড়বে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, উৎপাদনে যেতে দুই-একদিন সময় লাগবে। আগুন নেভানোই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য। চিনির সংকট হবে না। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজের এক লাখ টন অপরিশোধিত চিনির গুদামে আগুন লেগেছে। পাশের ফিনিশড সুগারের গুদাম ও চিনি পরিশোধনের যন্ত্রপাতির ইউনিটগুলো অক্ষত আছে। ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা ও থাইল্যান্ড থেকে চিনির কাঁচামাল এনে পরিশোধন করা হয় দুইটি প্লান্টে। এর মধ্যে প্লান্ট ১ এর উৎপাদন ক্ষমতা দৈনিক ৯০০ টন, প্লান্ট ২ এর উৎপাদন ক্ষমতা ১ হাজার ৬০০ টন।

 

থাইল্যান্ড ও ফ্রান্সের প্রযুক্তি ও কারিগরি সহায়তায় এই কারখানাটি পরিচালিত হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, চিনি কারখানার আগুন ছড়িয়ে পড়া রোধ করতে অগ্নিনির্বাপক রোবট ‘লুফ- ৬০’ ব্যবহার করা হচ্ছে। এই যন্ত্র দিয়ে মিনিটে এক হাজার লিটার স্পিডে পানি ছিটানো হচ্ছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিসকে সহযোগিতা করছে সেনা, নৌ, বিমানবাহিনী, কোস্টগার্ড। কৌতূহলী মানুষের ভিড় সামলাতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর রয়েছে।