মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার টেংগারচর ইউনিয়নে উত্তর শাহপুর এলাকায় ফুলকুঁড়ি প্রি-ক্যাডেট স্কুলে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।
গতকাল ৯ মার্চ শনিবার দুপুর ২ টা থেকে শুরু হয়ে বিকেল ৬ টা পর্যন্ত এ অনুষ্ঠান চলে। এ সময় বিভিন্ন ক্রীড়া প্রতিযোগীতায় অংশ গ্রহণ কারী বালক মোড়গ লড়াই,বালিকা চেয়ার সিটিং, বালক অংক দৌড়, বালিকা বিতর বাহির, বালক চকলেট দৌড়, বালিকা চকলেট দৌড়, বালক ১০০ মিটার দৌড়,বালিকা ১০০ মিটার দৌড়ের প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় হওয়াদের মাঝে পুরষ্কার বিতরণ করা হয়। তাছাড়া সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পর্বে কবিতা আবৃত্তি, নাতে রাসূল, কুইজ প্রতিযোগীতা, মারবেল কুঁড়ানোসহ বিদ্যালয়টির শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন গানে নৃত্য পরিবেশন করেন।
টেংগারচর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান কামরুল হাছান ফরাজীর সভাপতিত্বে এবং মো: আবু জাফর ভুট্টু পরিচালক ফুলকুঁড়ি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের সার্বিক তত্ত্ববধয়নে এ সময় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন রেল মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম রেল সচিব মোহাম্মদ মাহাবুবুল হক, তাছাড়া উদ্বোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শিল্পপতি মোহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ইঞ্জি মো: এমদাদ হোসেন সমাজ সেবক, মো: মিজানুর রহমান খোকন সমাজ সেবক, মো: আজিম উদ্দিন ফরাজী, সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুপ্রিম কোর্ট কর্মকর্তা কর্মচারী কল্যাণ ট্রাষ্ট, মো: আব্দুল হান্নান প্রধান উত্তরশাহপুর ঈদগাঁ কমিটির সাধারণ সম্পাদক, মো: রফিকুল ইসলাম প্রধান শিক্ষক হাজী কেরামত আলী উচ্চ বিদ্যালয়, মো: ফেরদৌস আহম্মদ ব্যবস্থাপক এনবিআর ব্যাংক ভবেরচর শাখা, মো: শহিদুজ্জামান শাহিন সমাজ সেবক, মো: হুমায়ুন কবির সমাজ সেবক, মো: ফজলুল হক নয়ন সভাপতি উপজেলা কিন্ডারগার্ডেন এসোসিয়েশন গজারিয়া, মো: দুলাল মিয়া উপদেষ্টা উপজেলা কিন্ডারগার্ডেন এসোসিয়েশন গজারিয়া। এছাড়াও প্রধান বিচারক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এইচ.এম খোরশেদ আলম বিশিষ্ট ব্যাংকার। এছাড়া অত্র বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক কবির হোসেন, সহকারী প্রধান শিক্ষক মতিউর রহমান, সহকারী শিক্ষক আবুল খায়ের, সুফিয়া আক্তার, সুমাইয়া আক্তার, সহকারী শিক্ষক রুনা আক্তার, শাহানাজ আক্তার, রুবিয়া আক্তার, নাহিদা আক্তার প্রমুখ।
এ সময় যুগ্ম রেলপথ মন্ত্রণালয় মোহাম্মদ মাহবুবুল হক বলেন, আজকের শিশু আগামীদিনের ভবিষ্যত, ফুলকুঁড়ি প্রি-ক্যাডেট স্কুলের শিক্ষার্থীদের প্রতিভা দেখে আমি মুগ্ধ। তাছাড়া এ স্কুল থেকে সব সময় শিক্ষার্থীরা বৃত্তির পাশাপাশি ভালো রেজাল্ট করে থাকে,সে জন্য স্কুল কর্তৃপক্ষ এবং সকল শিক্ষক শিক্ষিকা কে জানাই অভিনন্দন,আপনাদের প্রচেষ্টায় এ ছোট স্কুলটি তাদের স্বাক্ষমতার স্বাক্ষর রেখে যাচ্ছে।আমি একজন শিক্ষকের সন্তান আমার বাবা সব সময় বলতেন তিনি আমাদের এবং তার ছাত্রদের কখনো আলাদা চোখে দেখতেন না।তাই আমি বিশ্বাস করি আপনারাও তাই করেন।সে জন্য সব সময় এ প্রতিষ্ঠান এতো ভালো ফলাফল করে।আমি ব্যক্তিগত ভাবে এ প্রতিষ্ঠানের সার্বিক কল্যাণে পাশে থাকবো।




















