১২:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ডিআইইউতে সাংবাদিকতা করার দায়ে ১০ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কারের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রতিবাদ

বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তরীণ অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নারী কেলেঙ্কারির সংবাদ প্রকাশের জেরে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ এবং দশ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতি৷

বুধবার (১৩ মার্চ) সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির  সভাপতি ইয়াছিন মোল্লা  এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান৷ এবং অবিলম্বে এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাসে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার পরিবেশ তৈরীর আহ্বান জানান৷


বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ‘আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের বাক স্বাধীনতা হরণে উঠে পড়ে লেগেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির মতো বিষয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করলেই সংগঠনটিকে একাধিবার বন্ধের পাঁয়তারা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ সর্বশেষ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সংগঠনটির ১০ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন৷


সাংবাদিক নেতারা মনে করেন, সংগঠনটি ২০২০ সাল থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসলেও সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অনিয়মের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়াতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সাংবাদিকদের হেনস্তা ও কণ্ঠরোধের অলীক স্বপ্ন দেখছে। যেখানে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চ শিক্ষায় নিয়োজিত কলেজগুলো সাংবাদিক সংগঠনগুলোর জন্য জায়গা বরাদ্দসহ বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করলেও বিপরীতে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এমন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে- বিশ্ববিদ্যালয়টি মুক্তবুদ্ধি চর্চায় অসহযোগিতা ও শিশুসুলভ আচরণ করছে। ট্রাস্টি বোর্ডের ব্যবসায়ী মনোভাবে সাংবাদিক সমিতি আঘাত হানতে পারে এমন মনোভাব থেকে মুক্ত চিন্তায় স্থায়ী বাঁধা দিতে চাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে সাংবাদিক সংগঠনের ওপর এমন নগ্ন সিদ্ধান্ত স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চার পরিপন্থি বলেও মনে করে তারা।


নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

সাময়িক বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাসে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার সুযোগ তৈরি আহবান জানাচ্ছি৷ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মুক্তবুদ্ধিচর্চার স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের কন্ঠরোধের অপচেষ্টা বন্ধ করার  জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় সারা দেশের ক্যাম্পাস সাংবাদিক সংগঠন নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে৷

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

ডিআইইউতে সাংবাদিকতা করার দায়ে ১০ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কারের ঘটনায় সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির প্রতিবাদ

আপডেট সময় : ০৮:১৮:৪৪ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ মার্চ ২০২৪

বিশ্ববিদ্যালয় অভ্যন্তরীণ অনিয়ম, দুর্নীতি এবং নারী কেলেঙ্কারির সংবাদ প্রকাশের জেরে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতির কার্যক্রম বন্ধের নির্দেশ এবং দশ শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কারের ঘটনায় প্রতিবাদ জানিয়েছে সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতি৷

বুধবার (১৩ মার্চ) সোহরাওয়ার্দী কলেজ সাংবাদিক সমিতির  সভাপতি ইয়াছিন মোল্লা  এবং সাধারণ সম্পাদক শেখ জাহাঙ্গীর এক যৌথ বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানান৷ এবং অবিলম্বে এ বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাসে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার পরিবেশ তৈরীর আহ্বান জানান৷


বিবৃতিতে সাংবাদিক নেতারা বলেন, ‘আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও কর্তৃপক্ষ প্রতিনিয়ত সাংবাদিকদের বাক স্বাধীনতা হরণে উঠে পড়ে লেগেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ অনিয়ম, দুর্নীতি ও নারী শিক্ষার্থীদের যৌন হয়রানির মতো বিষয়ে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি সাংবাদিক সমিতি বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ প্রচার করলেই সংগঠনটিকে একাধিবার বন্ধের পাঁয়তারা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ৷ সর্বশেষ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সংগঠনটির ১০ জন শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিস্কার করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন৷


সাংবাদিক নেতারা মনে করেন, সংগঠনটি ২০২০ সাল থেকে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করে আসলেও সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা অনিয়মের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রকাশ হওয়াতে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপের অপচেষ্টা চালাচ্ছে। সাংবাদিকদের হেনস্তা ও কণ্ঠরোধের অলীক স্বপ্ন দেখছে। যেখানে অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় এবং উচ্চ শিক্ষায় নিয়োজিত কলেজগুলো সাংবাদিক সংগঠনগুলোর জন্য জায়গা বরাদ্দসহ বিভিন্ন ভাবে সহযোগিতা করলেও বিপরীতে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এমন সিদ্ধান্ত প্রমাণ করে যে- বিশ্ববিদ্যালয়টি মুক্তবুদ্ধি চর্চায় অসহযোগিতা ও শিশুসুলভ আচরণ করছে। ট্রাস্টি বোর্ডের ব্যবসায়ী মনোভাবে সাংবাদিক সমিতি আঘাত হানতে পারে এমন মনোভাব থেকে মুক্ত চিন্তায় স্থায়ী বাঁধা দিতে চাচ্ছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের সামগ্রিক উন্নয়নের সহযোগী হিসেবে সাংবাদিক সংগঠনের ওপর এমন নগ্ন সিদ্ধান্ত স্বাধীন গণমাধ্যম ও মুক্ত সাংবাদিকতা চর্চার পরিপন্থি বলেও মনে করে তারা।


নেতৃবৃন্দ বলেন, অবিলম্বে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন

সাময়িক বহিস্কারাদেশ প্রত্যাহার করে ক্যাম্পাসে বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতা চর্চার সুযোগ তৈরি আহবান জানাচ্ছি৷ ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের মুক্তবুদ্ধিচর্চার স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের কন্ঠরোধের অপচেষ্টা বন্ধ করার  জোর দাবি জানাচ্ছি। অন্যথায় সারা দেশের ক্যাম্পাস সাংবাদিক সংগঠন নিয়ে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে৷