২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবস। ২০২৪ সালের ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫৪ বছর পূর্ণ হলো। স্বাধীনতা দিবস আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। স্বাধীনতা অর্জনের লক্ষ্যে রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী শহীদদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন এবং জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার শপথ গ্রহণের মধ্য দিয়ে গর্বিত জাতি ৫৪তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করছে।
দীর্ঘ নয় মাসের সংগ্রামের ফসল আমাদের স্বাধীনতা। স্বাধীনতা দিবস আজও তরুণ প্রজন্মের কাছে এগিয়ে যাওয়ার প্রেরণা। প্রেরণা যোগায় নিষ্ঠার পথে নির্ভীক যোদ্ধা হওয়ার। শুধু একটি দিবস হিসেবে নয়, এর বর্ণচ্ছটায় বদলে যায় জীবনের গতিপথ, সাহস যোগায় নতুন শপথ নেওয়ার। আর এ কারণেই স্বাধীনতা দিবসের তাৎপর্য এত বেশি।
মহান এই স্বাধীনতা দিবস বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যয়নরত তরুণ মেধাবীদের শিক্ষার্থীদের ভাবনা ও মতামত তুলে ধরা হলো।
“তুমি জন্মেছিলে বলে জন্মেছে এ দেশ, বঙ্গবন্ধু তোমার আরেক নাম স্বাধীন বাংলাদেশ”
২৬শে মার্চ মহান স্বাধীনতা ও বিজয় দিবস।গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা ভরে স্মরণ করি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের তাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে আমরা আজ স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ পেয়েছি। বাঙালি জাতির হাজার বছরের ইতিহাসের শৌর্য-বীর্যের এক অবিস্মরণীয় গৌরবময় দিন আজ। বীরের জাতি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করার দিন আজ। পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক একটি স্বাধীন ভূখণ্ডের নাম জানান দেওয়ার দিন আজ। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাঙালি জাতি একসাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে ৯মাসে রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মাধ্যমে স্বাধীনতা অর্জন করে। ৩০ লক্ষ শহীদ ও ২ লক্ষ মা-বোনের সম্ভ্রমের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা। যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতা, বাঙালি জাতি তাদের অবদান কোনদিন ভুলবে না।
বায়জিদ আকন্দ(এম এ, বাংলা বিভাগ)
❝স্বাধীনতা দিবসে স্বাধীনতা নিয়ে ভাবনা ❞
আজ ২৬ মার্চ, বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবস। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী গেল বছর তিনেক আগে। এ বছরের ২৬ মার্চ ৫৩ বছর পূর্তি বাংলাদেশের স্বাধীনতার। ১৯৭১ সালে নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা ছিনিয়ে এনেছিলাম বিজয়ের লাল সূর্য। আমাদের স্বাধীনতা শুধু একটি ভূখণ্ডের নয়, নয় একটি মানবগোষ্ঠীর; সে বিজয় একটি চেতনার, একটি সংগ্রামের, একটি ইতিহাসের। সে স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ নয় একটি দিবসে, তা অনুরণিত প্রতিদিন, প্রতিপলে, প্রতিপ্রাণে।
দীর্ঘ এই ৫৩ বছরে ইতিহাসের পাতায় আছে আমাদের সংগ্রাম ও লড়াইয়ের শত কথা। আছে পাওয়া না পাওয়ার ইতিহাস। তবে অতীতের সকল দুঃখ কথা ভুলে আগামীর দিনে নতুন প্রত্যাশায় এগিয়ে যেতে হবে আমাদের। আমাদের জাতীয় জীবনে এ দিনটির প্রধান তাৎপর্য হচ্ছে এ দিন সমগ্র দেশবাসীর বহুকাল লালিত মুক্তি ও সংগ্রামের অঙ্গীকারে ভাস্বর। এ দিন আমাদের আত্মপরিচয়ের গৌরবে উজ্জ্বল, ত্যাগে ও বেদনায় মহীয়ান।
আজ ২০২৪ সালে এসে যখন পেছন ফিরে তাকাই, তখন দেখি অর্জনও আমাদের অনেক, বিশেষত আর্থসামাজিক অঙ্গনে। ৫২বছর আগে ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশ, তারপর সে আর পেছনে ফিরে তাকায়নি। গত ৫৩ বছরে দেশটির অনন্য সাফল্যের কারণে বিশ্ব তাকে চিহ্নিত করেছে ‘উন্নয়ন বিস্ময়’ বলে। গৌরবময় এ দিনটি পালন করতে গিয়ে আমাদের কর্তব্য হয়ে ওঠে স্বাধীনতার স্বপ্ন আমরা কতটুকু বাস্তবায়ন করতে পেরেছি, আমাদের প্রত্যেকের জাতীয় জীবনে অর্জন কতটুকু তা মিলিয়ে দেখা। এ দিনটি আমাদের হিসেব মেলাবার দিন, আত্মজিজ্ঞাসার দিন। দেশের প্রতিটি মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে কাজ করে যেতে হবে। কেননা, এ দেশ আমার আপনার সবার। তাই দেশের উন্নয়নে আমাদের সকলকেই দেশপ্রেমী হয়ে শ্রদ্ধার সাথে দেশের উন্নয়নে কাজ করে যেতে হবে।
শংকরী বাড়ৈ শ্রুতি শিক্ষার্থী,বাংলা বিভাগ মাস্টার্স শেষ বর্ষ,ইডেন মহিলা কলেজ
❝স্বাধীনতা আমাদের গর্ব, আমাদের অহংকার❞
একটি পরাধীন জাতি জানে স্বাধীনতার কি মর্ম। পৃথিবীতে আজ যারা স্বাধীনতার জন্য সংগ্রাম করছে, তাদের নির্মম পরিণতি চোখের সামনে দেখছি। আমরা রাশিয়া-ইউক্রেনের যুদ্ধ দেখছি, আমরা ফিলিস্তিনের সংগ্রাম দেখছি, এমনকি নিজ ভিটেমাটি থেকে বিতাড়িত মিয়ানমারের রোহিঙ্গাদের কষ্ট দেখছি।
পৃথিবীর প্রতিটি প্রাণী জন্ম থেকেই স্বাধীনতামুখী। প্রতিটি প্রাণী নিজ স্বাধীনতা অর্জনে বদ্ধপরিকর থাকে। একটি স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্রে জন্মগ্রহণ করাটা যে কতটা সৌভাগ্যের, তা কেবল স্বাধীন দেশে জন্ম নেওয়া, বেড়ে ওঠা শিশুরাই উপলব্ধি করতে পারে। তাদের একটি সুন্দর শৈশব থাকে, নির্ভয়ে খেলতে পারে, লেখাপড়া করতে পারে।
যুগ যুগ ধরে বহু জাতি সংগ্রাম, যুদ্ধ, রক্ত, ইজ্জত, সম্পদ হারিয়েছে কেবল স্বাধীনতার স্বাদ পাওয়ার জন্য। আমরাও করেছি। দীর্ঘ নয় মাস করেছি। রক্ত দিয়েছি, সম্পদ দিয়েছি, ইজ্জত দিয়েছি। সব দিয়েছি শুধুমাত্র স্বাধীনতা অর্জনের জন্য। এদেশে জন্ম গ্রহণ করা প্রতিটি মানুষ স্বাধীনতার স্বাদ উপভোগ করছে। এ স্বাধীনতা রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। বর্তমান প্রজন্মের দায়িত্ব। আমাদের বাঙালি জাতির দায়িত্ব।
১৯৭১ সালের ২৬-এ মার্চ এদেশের মানুষ পৃথিবীর বুকে নতুন একটি মানচিত্রের সৃষ্টি করেছিলো। বাঙালির মুক্তির সমস্ত আকাঙ্ক্ষা সমন্বিত হয়েছিলো সেদিন। শোষকদের শোষণের বিরুদ্ধে লড়াই করে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে যে স্বাধীনতা আমরা অর্জন করেছিলাম তার সূচনা হয়েছিলো সেদিন। ইতিহাসের পাতায় উজ্জ্বল এ দিনটিকে স্মরণীয় করে রাখতে প্রতিবছর এ দিনে সারাদেশে একযোগে স্বাধীনতা দিবস পালিত হয়ে থাকে। দিনটি আজন্মকাল ধরে বাঙালির হৃদয়ে জাগ্রত থাকবে। দিনটি আমাদের অহংকারের। এ স্বাধীনতা আমাদের অহংকার।
মোঃ জাহিদ হাসান,শিক্ষার্থী, ব্যবস্থাপনা বিভাগ
“চেতনায় স্বাধীনতার একাল সেকাল”
সেই যে, রক্তে রঞ্জিত এক বিভীষিকাময় রাত পাড় করে এই দেশে একদিন ভোর হয়েছিল, সেই ভোরের আলোয় জন্ম নিয়েছিলো এই বাংলা। বঙ্গবন্ধু’র বলিষ্ঠ কন্ঠে স্বাধীনতা’র ঘোষণা’ই আজকের বাংলার বীজ রোপন করেছিল। সেই গাছ আজ এই পৃথিবীর মানচিত্রে ডাল-পালা মেলেছে৷ মেঠোপথ ধরে বইতে শুরু করেছে উন্নয়নের জোয়ার৷
“এই তো সেদিন”, মায়ের ভাষায় এই দেশটা যেন সেদিনের শিশু, চোখের পলকে বড় হয়ে যাওয়া সেদিনের ছোট্ট শিশু।
আমার পূর্ব-পুরুষগণ আমাদের জন্য রেখে গেছেন রক্তাক্ত স্বাধীনতা। আমরা বেড়ে উঠছি, আমাদের মধ্যে বেড়ে উঠছে স্বাধীনতা’র চেতনা; দেশ এবং বিশ্বে মাথা উঁচু করে টিকে থাকার, পরাধীনতার আভরণ ফুরে বেড়িয়ে আসার শক্তিও বেড়ে উঠছে সেই সাথে। পরিবর্তনের নিয়ম মেনেই আমরা ধাবিত হচ্ছি সামনের দিনে। তবে আমাদের পরম সৌভাগ্য, একটি দেশ নিয়ে আমরা স্বপ্ন দেখতে পারি। যে দেশ’টি আমাদের।
২৬ মার্চের সেই সূচনা লগ্ন’টি তাই আজকের দিনেও আমাদের কাছে তাজা রক্তের মতন লাগে। আমাদের পূর্বজদের বয়ে নিয়ে আসা স্বপ্ন, সত্য আমাদের মধ্যেও প্রবাহিত হচ্ছে। আমাদের রক্তে মিশে আছে তাজা রক্ত মাখানো কালো রাতের গল্প৷ পরে থাকা লাশ আমাদের চোখে ভাসে৷ আমরা জেনে যাই, নিজেদের অজান্তেই, স্বাধীনতা কিনতে কতটা রক্ত লাগে। সেদিনের রক্ত আর লাশের হাটে জন্ম নেওয়া দেশ প্রেম, আমাদের বুকেও মাতাল হাওয়ার স্পর্শ দিয়ে যায় আজ। প্রাণ খুলে শ্বাস নিয়ে, গান তুলি কন্ঠে। সেই গানের ভাষায় আমাদের কতখানি অধিকার, তা এই স্বাধীনতা জানান দেয়। কথিত আছে,” স্বাধীনতা অর্জন করা যত না কঠিন, রক্ষা করা তার চেয়েও কঠিন।” এই বাংলার জন্ম লগ্ন যতটা সংশয়ের ছিল, আজ লড়াইয়ের ময়দানে স্বাধীন দেশ হিসেবে টিকে থেকে সেই সংশয়’কে আত্মবিশ্বাসে মুক্ত করেছি আমরা। আজকের সময় বলে দেয়, সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল সেই দিনের ২৬ মার্চের, স্বাধীনতার ঘোষণা।
আজ দেশের ক্রমাগত উন্নয়ন স্বাক্ষর দিয়ে যাচ্ছে ইতিহাসের পাতায়। দেশ পরিচালনায় যোগ্য ব্যক্তিত্ব নিয়ে সেইদিনের প্রশ্নের জবাব আজকের দিনগুলো দিয়ে যাচ্ছে।এই স্বাধীনতা আজ আমাদের সম্পদ। আমাদের অস্তিত্ব। এই স্বাধীনতা রক্ষার দায়িত্ব আমাদের-ই।
সুকন্যা সরকার,শিক্ষার্থী, ব্যবস্থাপনা বিভাগ
“মুক্তিযুদ্ধ আর নয়, মুক্ত যুদ্ধে জয় হয়”
স্বাধীনতার কথা মনে পড়লেই মনে পড়ে যায় দীর্ঘ নয় মাসের সেই রুদ্রশ্বাস সেই মুক্তিযুদ্ধের কথা। সেই যুদ্ধে দেশের জন্য যারা জীবন দিয়ে গেছে তাঁদের কথা স্মরণীয় থাকবে চিরকাল। কিন্তু স্বাধীন দেশের স্বাধীন পতাকা উড়ালেই কি স্বাধীনতা রক্ষা করা যায়! “ছোট্ট দেশ এই সোনার বাংলাদেশ” যেদেশে সোনার থেকেও দামী ফসল ফলে। পথে পথে ফুঁটে থাকে নাম না জানা হাজারো ফুল। প্রকৃতির এই সৌন্দর্যের মাসে চোখ বন্ধ করে হারিয়ে যাওয়া যায়। ভেজা মাটির গন্ধ, বৃষ্টির শব্দ কিংবা বসন্তে ফুটে ওঠা বাহারী ফুলই যেনো জানান দেয় স্বাধীন বাংলার কথা।
এই সুন্দর, স্নিগ্ধ দেশ রক্ষার্থে অক্লান্ত পরিশ্রমের মূল্য আমরা রক্ত দিয়েও শোধ করতে পারবো না। তাই আমাদের মুক্ত হাতে লড়াই করতে হবে। লড়াই করতে হবে দেশ রক্ষার্থে প্রতিটি সামাজিক কাজে। এ লড়াইয়ে থাকবে না প্রতিপক্ষ শত্রুসেনা, থাকবে না কোনো প্রাণঘাতি অস্র। আমাদের জাতীয় পতাকা “ঘন সবুজের পটভূমিকায় রক্তিম সূর্য” যখন উড়িয়েছি, রক্ষা আমরাই করতে পারবো। দেশের আনাচে কানাচে জমে থাকা আবর্জনাও আমাদেরই পরিষ্কার করতে হবে।
স্বাধীন বাংলার পথঘাট উন্নত হয়েছে। পদ্মাসেতু, মেট্রোরেল সহ হয়েছে সহজতর যোগাযোগ ব্যবস্থা। একইসাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে চাল, ডাল, সবজি, পোষাক সহ প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য। প্রতিঘাত-প্রতিবাদ হাতে নয়, অতিরিক্ত দ্রব্যমূল্যের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে জবাবদিহিতার মাধ্যমে। জনসাধারণের মাঝে করতে হবে জ্ঞান বিতরণ। একে অন্যের দিকে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে। ভাঙ্গতে হবে অর্থনৈতিক সিন্ডিকেট।
এক সময় বাংলার মানুষ সোনার ফসল ফলিয়েও ইংরেজদের শোষণ আর অত্যাচারে দিনের পর দিন অনাহারে কাটিয়েছে। কিন্তু স্বাধীন বাংলার নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্তরা কেনো অনাহারে, অর্ধহারে দিন কাটায়? এই ভয়ানক দেয়াল ভাঙ্গার দায়িত্ব আমার এবং আমাদের। মুক্তভাবে লড়তে হবে বাংলার প্রকৃতি ও মানুষের জন্য। তবেই স্বাধীনতার চেতনা প্রকৃতঅর্থে জাগ্রত হবে বাঙালির হৃদয়ে।
তুলি সাহা,শিক্ষার্থী, ব্যবস্থাপনা বিভাগ
“স্বাধীনতার ৫৪ বছরে আমার বাংলাদেশ”
একটি কালো রাত শেষে রক্তাক্ত ভোরে রচিত হয়েছিলো আমার স্বাধীনতার অঙ্গীকারপত্র। আমার বাংলাদেশ স্বাধীনতার ৫৪ বছরে পা দিলো আজ। ১৯৪৭ সালে ব্রিটিশরা ভারত ছাড়লে মুক্তি মেলেনি বাংলার মানুষের। জীবন ছিল পাকিস্তানি শেকলে বাঁধা।
একটি জাতিকে পরাধীনতার শিকলে আবদ্ধ করে অন্ধকারে নিমজ্জিত করার শেষ অপচেষ্টায় নেমে নৃশংসতার চরম পর্যায়ে অধিষ্ঠিত হয়েছিলো একদল হিংস্র হায়না, কেড়ে নিয়েছিলো লক্ষ্য প্রাণ, ইতিহাসের পাতায় হিংস্র নকের আঁছড়ে রচিত করেছিল এক জঘন্যতম কালো অধ্যায় সেই ২৫ শে মার্চের কালো রাত।একটা স্বাধীনতাকামী জাতিকে পঙ্গু করার সর্বপ্রকার জঘন্য অপচেষ্টায় লিপ্ত হয়েছিলো বর্বর হায়নার দল। তাদের সব অপচেষ্টাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে প্রিয় স্বাধীনতার স্বপ্নে নিজেকে রাঙ্গিয়ে একটা জাতির মুক্তিকামী সন্তানেরা জীবনের মায়া ত্যাগ করে নিজের মাতৃভূমিকে রক্ষার্থে ঝাঁপিয়ে পরেছিলো হায়নাদের বিরুদ্ধে।লক্ষ্য লক্ষ্য প্রাণের বিনিময়ে তিমির অন্ধকার শেষে স্বাধীনতার স্বপ্নে অঙ্কিত করেছিলো নতুন এক রক্তাক্ত বেলাভূমির। রক্তের বিনিময়ে ছিনিয়ে এনেছিলো লাল-সবুজের পতাকা, স্বাধীন করেছি প্রিয় মাতৃৃভূমিকে__
পৃথিবীর মানচিত্রে জন্ম দিয়েছিলো একটি নাম বাংলাদেশ!! আমার পরিচয়।স্বাধীনতার ৫৪ তম প্রহরে আজ আমরা কতটা স্বাধীন?
প্রশ্ন রেখে গেলাম পাঠকের কাছে। যে স্বাধীনতার জন্য শত্রুকে নিশ্চিহ্ন করেছিলো এ জাতি,
সেই স্বাধীনতায় পূর্ণতা আসুক এই কামনা।
২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস, স্বাধীনতা আমার অহংকার।
ফাইয়াজ ফায়েল ,শিক্ষার্থী,রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ


























