০৯:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৪, ১ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

নির্বাচনে ভোট কেনা রুখতে বিশেষ অ্যাপ

 

 

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কোনোরকম অনিয়ম-দুর্নীতি যাতে না হয় সে জন্য বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপ এরই মধ্যে নেওয়া শুরু করেছে।

টাকা দিয়ে যাতে ভোট না কেনা হয়, তা নিয়ে নজরদারি করতে এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় দপ্তরগুলো অর্থাৎ এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট আয়কর বিভাগ ও শুল্ক দপ্তরসহ দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের মোট ২২টি এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে ভোটের আবহে টাকা পাচার রুখতে ব্যাংকগুলোর ওপর বিশেষ নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। আর এসবের জন্য তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ অ্যাপ। দেশের কোনো ব্যাংক থেকে একসঙ্গে এক লাখ রুপির বেশি তোলা হলে তৎক্ষণাৎ সেই তথ্য চলে আসবে অ্যাপে।

 

কোনো ব্যক্তি কোন ব্যাংক থেকে টাকা তুললেন সবই নথিভুক্ত হয়ে যাবে ওই অ্যাপে। পাশাপাশি যেসব বাহন এটিএমে টাকা ভরার জন্য বা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়, সেগুলোতেও থাকবে বিশেষ কিউআর কোড। ইলেকশন সিজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ইএসএমএস নামক এ অ্যাপকে হাতিয়ার করেই এবার কালো টাকার রমরমা রুখতে চাইছে কমিশন।

 

ব্যাংক বা এজেন্সি অনুমোদিত টাকার গাড়িগুলোকে এত দিন নাকা চেকিংয়ের বাইরেই রাখা হতো। এবার প্রতি ব্যাংকের জন্য একটি করে আলাদা কিউআর কোড চালু করেছে কমিশন। সেই ব্যাংক অনুমোদিত টাকার গাড়িগুলোতেও থাকবে ওই কিউআর কোড। কোডের সঙ্গে টাকার পরিমাণ না মিললে সেই টাকাকে বেআইনি বলে গণ্য হবে।

 

নির্বাচন কমিশনের এ অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। পাশাপাশি দেশের অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকরী হবে সেটি যেমন সময় বলবে, ঠিক তেমনি এই পদক্ষেপ যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সে ক্ষেত্রে হয়তো ভারতবাসী দেশের ১৮ তম লোকসভা নির্বাচনকে দুর্নীতিমুক্ত দেখতে পাবেন।

 

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে, যা চলবে আগামী ১ জুন পর্যন্ত। নির্বাচনের ফলাফল জানা যাবে আগামী ৪ জুন। এরই মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পর্যাপ্ত বাহিনী চেয়েছে ইসি।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নির্বাচনে ভোট কেনা রুখতে বিশেষ অ্যাপ

আপডেট সময় : ০৭:২৭:৪১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মার্চ ২০২৪

 

 

ভারতের লোকসভা নির্বাচনে কালো টাকার ব্যবহার রুখতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। কোনোরকম অনিয়ম-দুর্নীতি যাতে না হয় সে জন্য বিভিন্ন প্রশাসনিক পদক্ষেপ এরই মধ্যে নেওয়া শুরু করেছে।

টাকা দিয়ে যাতে ভোট না কেনা হয়, তা নিয়ে নজরদারি করতে এরই মধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় দপ্তরগুলো অর্থাৎ এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট আয়কর বিভাগ ও শুল্ক দপ্তরসহ দেশের অর্থ মন্ত্রণালয়ের মোট ২২টি এজেন্সিকে কাজে লাগাচ্ছে নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে ভোটের আবহে টাকা পাচার রুখতে ব্যাংকগুলোর ওপর বিশেষ নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। আর এসবের জন্য তৈরি হয়েছে একটি বিশেষ অ্যাপ। দেশের কোনো ব্যাংক থেকে একসঙ্গে এক লাখ রুপির বেশি তোলা হলে তৎক্ষণাৎ সেই তথ্য চলে আসবে অ্যাপে।

 

কোনো ব্যক্তি কোন ব্যাংক থেকে টাকা তুললেন সবই নথিভুক্ত হয়ে যাবে ওই অ্যাপে। পাশাপাশি যেসব বাহন এটিএমে টাকা ভরার জন্য বা অন্যত্র নিয়ে যাওয়ার জন্য ব্যবহার হয়, সেগুলোতেও থাকবে বিশেষ কিউআর কোড। ইলেকশন সিজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা ইএসএমএস নামক এ অ্যাপকে হাতিয়ার করেই এবার কালো টাকার রমরমা রুখতে চাইছে কমিশন।

 

ব্যাংক বা এজেন্সি অনুমোদিত টাকার গাড়িগুলোকে এত দিন নাকা চেকিংয়ের বাইরেই রাখা হতো। এবার প্রতি ব্যাংকের জন্য একটি করে আলাদা কিউআর কোড চালু করেছে কমিশন। সেই ব্যাংক অনুমোদিত টাকার গাড়িগুলোতেও থাকবে ওই কিউআর কোড। কোডের সঙ্গে টাকার পরিমাণ না মিললে সেই টাকাকে বেআইনি বলে গণ্য হবে।

 

নির্বাচন কমিশনের এ অভিনব উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল। পাশাপাশি দেশের অভিজ্ঞ মহল মনে করছে, নির্বাচন কমিশনের এই পদক্ষেপ কতটা কার্যকরী হবে সেটি যেমন সময় বলবে, ঠিক তেমনি এই পদক্ষেপ যদি সঠিকভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সে ক্ষেত্রে হয়তো ভারতবাসী দেশের ১৮ তম লোকসভা নির্বাচনকে দুর্নীতিমুক্ত দেখতে পাবেন।

 

ভারতের ১৮তম লোকসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, আগামী ১৯ এপ্রিল থেকে, যা চলবে আগামী ১ জুন পর্যন্ত। নির্বাচনের ফলাফল জানা যাবে আগামী ৪ জুন। এরই মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে। যেকোনো পরিস্থিতির মোকাবিলায় শান্তি-শৃঙ্খলা ও শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখতে নির্বাচন কমিশন প্রচুর পরিমাণে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ব্যবহার করবে বলে জানিয়েছে। এ প্রসঙ্গে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে পর্যাপ্ত বাহিনী চেয়েছে ইসি।