০৫:০৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ এপ্রিল ২০২৪, ৮ বৈশাখ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা

দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। একইসঙ্গে বাড়ছে সাক্ষরতার হারও। তবে সার্বিকভাবে দেশের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বাংলাদেশের শিক্ষার মান অনেকে পিছিয়ে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সর্বোপরি গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর ফেলের মধ্য দিয়ে বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, নানা কারণে দেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারে না। যার প্রভাব পড়ে উচ্চ শিক্ষায়। ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করে মেধাবীদের ভর্তি করানো হলেও তাদের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ সম্মানে ভর্তি পরীক্ষার কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট বিজ্ঞান ইউনিট এবং চারুকলা ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল এই ফল প্রকাশ করেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, চার ইউনিট মিলিয়ে গড়ে ১১ দশমিক ০১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সে হিসেবে ফেল করেছে ৮৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের মধ্য দিয়ে এবারের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। পরদিন ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট, ১ মার্চ বিজ্ঞান ইউনিট এবং ৯ মার্চ চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ফল বিপর্যয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনিয়র অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম সবুজ বাংলাকে বলেন, ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা অনেক স্ট্যান্ডার্ড মানের হয়। এতে মেধাবীদের বাছাই করে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়। তবে দেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়সহ সার্বিকভাবে শিক্ষার মানের ধস নামায় তার প্রভাব উচ্চ শিক্ষায় পড়ে। কারণ বোর্ড পরীক্ষায় ৭০/৮০ শতাংশ পাস করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৯ শতাংশ ফেল করছে। আসলে স্কুল- কলেজে যেধরণের শিক্ষা পাওয়ার কথা তা পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। এতে উচ্চ শিক্ষায়ও মেধাবী শিক্ষার্থীর পাওয়া যাচ্ছে না। গতকাল গণসাক্ষরতা অভিযানের এক মতবিনিময় সভায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। এসময় শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা খাতের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। মতবিনিময় সভায় এডুকেশন ওয়াচের চেয়ারপারসন ও জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়ন কমিটির কো-চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষা নিয়ে এত বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে যে, পঞ্চম শ্রেণি শেষে সমাপনী পরীক্ষা হবে। কিছুদিন পরে আবার হবে না। এখন বন্ধ করা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আবারও নাকি কী ধরনের পরীক্ষা হবে। এভাবে যদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে থাকে তাহলে মানসম্মত শিক্ষা কী করে হবে? হতে পারে না। তিনি বলেন, একটার পর একটি পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছি, জাতি হিসেবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না কীভাবে শিক্ষা এগোবে। সুতরাং এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হওয়া উচিত। পঞ্চম শ্রেণি ও অষ্টম শ্রেণি শেষে পরীক্ষা বন্ধ হয়েছে, এটি যেন পুনরায় চালু না করা হয়। এসময় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী শিক্ষায় ন্যায্যতাভিত্তিক বাজেটের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, শিক্ষায় বিনিয়োগ, শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। সেই শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগের জায়গা থেকে যেন সরে আসা না হয়, সেই প্রত্যাশা করেন তিনি। স্থায়ী শিক্ষা কমিশন করা এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিকেন্দ্রীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ। তিনি বলেন, এগুলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। ঢাবির চার ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল এবার কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ১ লাখ ২ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

এর মধ্যে পাস করেছেন ১০ হাজার ২৭৫ জন, পাসের হার ১০ দশমিক ০৭ শতাংশ। এই ইউনিটে ২ হাজার ৯৩৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ৩৪ হাজার ৩৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮২ জন। এই ইউনিটে পাসের হার ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এই ইউনিটে ১ হাজার ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। বিজ্ঞান ইউনিটে ১ লাখ ৯ হাজার ৩৬৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন করেছেন ৯ হাজার ৭২৩ জন, পাসের হার ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এই ইউনিটে ১ হাজার ৮৫১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। চারুকলা ইউনিটে ৪ হাজার ৫১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পাস করেছেন ৫৩০ জন, পাসের হার ১১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এই ইউনিটে ১৩০ টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। চার ইউনিটে প্রথম হয়েছেন যারা কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ১০৫. ২৫ পেয়ে প্রথম হয়েছেন খুলনার সরকারি এম এম সিটি কলেজের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী মণ্ডল। ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ১০৫. ৫০ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী অথৈ ধর। বিজ্ঞান ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ১১১.২৫ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী প্রতীক রসুল। চারুকলা ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ৯৮. ১৬ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী মো. বাঁধন তালুকদার। যেভাবে ফল জানা যাবে: ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা তাদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ডের নাম, পাসের সন এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার রোল নম্বর এর মাধ্যমে https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার মান নিয়ে উদ্বেগে বিশেষজ্ঞরা

আপডেট সময় : ১১:০৫:২১ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৯ মার্চ ২০২৪

দেশে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা বাড়ছে। একইসঙ্গে বাড়ছে সাক্ষরতার হারও। তবে সার্বিকভাবে দেশের শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে সংশ্লিষ্ট মহলে। বিশেষ করে আন্তর্জাতিক মানদন্ডে বাংলাদেশের শিক্ষার মান অনেকে পিছিয়ে বলে বিভিন্ন পরিসংখ্যানে দেখা গেছে। সর্বোপরি গতকাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৯ শতাংশ শিক্ষার্থীর ফেলের মধ্য দিয়ে বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাদের মতে, নানা কারণে দেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা যথাযথ জ্ঞান অর্জন করতে পারে না। যার প্রভাব পড়ে উচ্চ শিক্ষায়। ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে বাছাই করে মেধাবীদের ভর্তি করানো হলেও তাদের মান নিয়েও প্রশ্ন রয়ে যায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ সম্মানে ভর্তি পরীক্ষার কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট বিজ্ঞান ইউনিট এবং চারুকলা ইউনিটের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার বিকাল সাড়ে ৩টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আব্দুল মতিন চৌধুরী ভার্চুয়াল ক্লাসরুমে উপাচার্য অধ্যাপক এ এস এম মাকসুদ কামাল এই ফল প্রকাশ করেন। প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, চার ইউনিট মিলিয়ে গড়ে ১১ দশমিক ০১ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে। সে হিসেবে ফেল করেছে ৮৮ দশমিক ৯৯ শতাংশ। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের মধ্য দিয়ে এবারের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়। পরদিন ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট, ১ মার্চ বিজ্ঞান ইউনিট এবং ৯ মার্চ চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হয়। ঢাবির ভর্তি পরীক্ষায় ফল বিপর্যয় প্রসঙ্গে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়টির সিনিয়র অধ্যাপক ড. এবিএম ওবায়দুল ইসলাম সবুজ বাংলাকে বলেন, ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা অনেক স্ট্যান্ডার্ড মানের হয়। এতে মেধাবীদের বাছাই করে ভর্তির সুযোগ দেওয়া হয়। তবে দেশের স্কুল-কলেজ পর্যায়সহ সার্বিকভাবে শিক্ষার মানের ধস নামায় তার প্রভাব উচ্চ শিক্ষায় পড়ে। কারণ বোর্ড পরীক্ষায় ৭০/৮০ শতাংশ পাস করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় ৮৯ শতাংশ ফেল করছে। আসলে স্কুল- কলেজে যেধরণের শিক্ষা পাওয়ার কথা তা পাচ্ছেন না শিক্ষার্থীরা। এতে উচ্চ শিক্ষায়ও মেধাবী শিক্ষার্থীর পাওয়া যাচ্ছে না। গতকাল গণসাক্ষরতা অভিযানের এক মতবিনিময় সভায় দেশের শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষার মান নিয়ে প্রশ্ন তুলে ধরেছেন বিশেষজ্ঞরা। এসময় শিক্ষার মান বাড়াতে শিক্ষকদের বেতন-ভাতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষা খাতের বাজেটে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তারা। মতবিনিময় সভায় এডুকেশন ওয়াচের চেয়ারপারসন ও জাতীয় শিক্ষানীতি-২০১০ প্রণয়ন কমিটির কো-চেয়ারম্যান কাজী খলীকুজ্জমান আহমদ বলেন, বাংলাদেশে শিক্ষা নিয়ে এত বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে যে, পঞ্চম শ্রেণি শেষে সমাপনী পরীক্ষা হবে। কিছুদিন পরে আবার হবে না। এখন বন্ধ করা হয়েছে। শোনা যাচ্ছে, আবারও নাকি কী ধরনের পরীক্ষা হবে। এভাবে যদি পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলতে থাকে তাহলে মানসম্মত শিক্ষা কী করে হবে? হতে পারে না। তিনি বলেন, একটার পর একটি পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছি, জাতি হিসেবে সিদ্ধান্ত নিতে পারছি না কীভাবে শিক্ষা এগোবে। সুতরাং এই পরীক্ষা-নিরীক্ষা বন্ধ হওয়া উচিত। পঞ্চম শ্রেণি ও অষ্টম শ্রেণি শেষে পরীক্ষা বন্ধ হয়েছে, এটি যেন পুনরায় চালু না করা হয়। এসময় সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী শিক্ষায় ন্যায্যতাভিত্তিক বাজেটের ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন, শিক্ষায় বিনিয়োগ, শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগ। সেই শ্রেষ্ঠ বিনিয়োগের জায়গা থেকে যেন সরে আসা না হয়, সেই প্রত্যাশা করেন তিনি। স্থায়ী শিক্ষা কমিশন করা এবং শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কার্যক্রমের বিকেন্দ্রীকরণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ। তিনি বলেন, এগুলো রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের ব্যাপার। ঢাবির চার ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফল এবার কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ১ লাখ ২ হাজার পরীক্ষার্থী অংশ নেন।

এর মধ্যে পাস করেছেন ১০ হাজার ২৭৫ জন, পাসের হার ১০ দশমিক ০৭ শতাংশ। এই ইউনিটে ২ হাজার ৯৩৪ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করানো হবে। ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ৩৪ হাজার ৩৬৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন ৪ হাজার ৫৮২ জন। এই ইউনিটে পাসের হার ১৩ দশমিক ৩৩ শতাংশ। এই ইউনিটে ১ হাজার ৫০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। বিজ্ঞান ইউনিটে ১ লাখ ৯ হাজার ৩৬৩ পরীক্ষার্থী অংশ নেন। এর মধ্যে পাস করেছেন করেছেন ৯ হাজার ৭২৩ জন, পাসের হার ৮ দশমিক ৮৯ শতাংশ। এই ইউনিটে ১ হাজার ৮৫১ জন শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। চারুকলা ইউনিটে ৪ হাজার ৫১০ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেন। পাস করেছেন ৫৩০ জন, পাসের হার ১১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এই ইউনিটে ১৩০ টি আসনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। চার ইউনিটে প্রথম হয়েছেন যারা কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ১০৫. ২৫ পেয়ে প্রথম হয়েছেন খুলনার সরকারি এম এম সিটি কলেজের শিক্ষার্থী প্রিয়ন্তী মণ্ডল। ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ১০৫. ৫০ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন চট্টগ্রাম সরকারি কমার্স কলেজের শিক্ষার্থী অথৈ ধর। বিজ্ঞান ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ১১১.২৫ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন নটর ডেম কলেজের শিক্ষার্থী প্রতীক রসুল। চারুকলা ইউনিটে ১২০ এর মধ্যে ৯৮. ১৬ নম্বর পেয়ে প্রথম হয়েছেন বীরশ্রেষ্ঠ মুন্সী আব্দুর রউফ পাবলিক কলেজের শিক্ষার্থী মো. বাঁধন তালুকদার। যেভাবে ফল জানা যাবে: ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা তাদের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার রোল নম্বর, বোর্ডের নাম, পাসের সন এবং মাধ্যমিক পরীক্ষার রোল নম্বর এর মাধ্যমে https://admission.eis.du.ac.bd ওয়েবসাইট থেকে পরীক্ষার ফলাফল জানতে পারবে।