০৪:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৩ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নালিতাবাড়ীতে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু  

শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে একই পুকুরের পানিতে ডুবে দুই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে নির্খোঁজের পর সন্ধ্যায় পুকুর থেকে দুই পরিবারের দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতরা হলো- উপজেলার কাওয়াকুড়ি গ্রামের ভ্যান চালক আব্দুল হাই এর ৬ বছর বয়সী কন্যাশিশু আছিয়া এবং ইটভাটা শ্রমিক আবু হানিফার ৯ বছর বয়সী শিশুপুত্র সারোয়ার হোসেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাওয়াকুড়ি গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক আবু হানিফা সপরিবারে নরসিংদী বসবাস করে এবং  ইটের ভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে আসেন তিনি। অন্যদিকে ভ্যান চালক আব্দুল হাই এলাকায় ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। বিকেলে খেলতে গিয়ে পরিবারের লোকদের অজান্তে পার্শ্ববর্তী রফিকুলের পুকুরের পানিতে ডুবে যায় ওই দুই শিশু। সন্ধ্যা হলেও তাদের দেখতে না পেরে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। একপর্যায়ে রফিকুলের পুকুর পাড়ে এক শিশুর গায়ের গেঞ্জি পড়ে থাকতে দেখে গেলে সন্দেহজনকভাবে পুকুরে খোঁজতে থাকেন স্বজনেরা। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই শিশুর মরদেহ পুকুরের পানিতে জলমগ্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আল মামুন।
থানা পুলিশের এসআই শাহ আলম বিষয়য়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবাসীদের সুসংবাদ দিলেন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল

নালিতাবাড়ীতে পুকুরে ডুবে দুই শিশুর মৃত্যু  

আপডেট সময় : ০২:১৪:২৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৪
শেরপুরের নালিতাবাড়ীতে একই পুকুরের পানিতে ডুবে দুই পরিবারের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। রোববার (১৪ এপ্রিল) বিকেলে নির্খোঁজের পর সন্ধ্যায় পুকুর থেকে দুই পরিবারের দুই শিশুর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মৃতরা হলো- উপজেলার কাওয়াকুড়ি গ্রামের ভ্যান চালক আব্দুল হাই এর ৬ বছর বয়সী কন্যাশিশু আছিয়া এবং ইটভাটা শ্রমিক আবু হানিফার ৯ বছর বয়সী শিশুপুত্র সারোয়ার হোসেন।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, কাওয়াকুড়ি গ্রামের ইটভাটা শ্রমিক আবু হানিফা সপরিবারে নরসিংদী বসবাস করে এবং  ইটের ভাটায় শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ি বেড়াতে আসেন তিনি। অন্যদিকে ভ্যান চালক আব্দুল হাই এলাকায় ভ্যান চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করেন। বিকেলে খেলতে গিয়ে পরিবারের লোকদের অজান্তে পার্শ্ববর্তী রফিকুলের পুকুরের পানিতে ডুবে যায় ওই দুই শিশু। সন্ধ্যা হলেও তাদের দেখতে না পেরে খোঁজাখুঁজি শুরু করে পরিবারের লোকজন। একপর্যায়ে রফিকুলের পুকুর পাড়ে এক শিশুর গায়ের গেঞ্জি পড়ে থাকতে দেখে গেলে সন্দেহজনকভাবে পুকুরে খোঁজতে থাকেন স্বজনেরা। খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে অল্প সময়ের ব্যবধানে দুই শিশুর মরদেহ পুকুরের পানিতে জলমগ্ন অবস্থায় পাওয়া যায়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ওই ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মঞ্জুর আল মামুন।
থানা পুলিশের এসআই শাহ আলম বিষয়য়টি নিশ্চিত করে জানান, পরিবারের আবেদনের প্রেক্ষিতে বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের জন্য প্রক্রিয়া চলছে।