১১:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ জানুয়ারী ২০২৬, ৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চট্টগ্রামে পরিবেশ অধিদপ্তরের নাকের ডগায় নাগিন পাহাড় কর্তন ঠেকাতে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের নাকের ডগায় নাগিন পাহাড় কেটে সমতল করছে ভূমিদস্যুরা খবর পেয়ে অভিযান চালিয়েছে কাট্টলী সার্কেল ভূমি সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে হাতেনাতে কেউকে ধরতে না পারলেও পেয়েছে পাহাড় কাটার ব্যাপক আলামত। শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালায় চালিয়েছে কাট্টলী সার্কেল ভূমি সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরফাত ছিদ্দিকী।

সরকারি হিসাবে নাগিন পাহাড়টি প্রায় ১০ একরের। এতে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড়ি ভূমি রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময় প্রায় দেড় একরের মতো পাহাড় কাটা হয়েছে। দিন দিন পাহাড় কাটার পরিধি বাড়ছে।

এই ব্যাপারে কাট্টলী সার্কেল ভূমি সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরফাত ছিদ্দিকী বলেন, আমরা গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়েছি যে এখানে পাহাড় কাটা হয়, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এর সত্যতা পেয়েছি। কোন আসামিকে পায়নি বিধায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা যায়নি। পাহাড় কাটার প্রেক্ষিতে জায়গাগুলো সমতল হয়ে গেছে। অস্থায়ী টিনশেড দিয়ে ঘর তৈরী করেছে সেগুলো ভাড়া দেওয়া হয়েছে, সেগুলো আমরা উচ্ছেদ করেছি। আমাদের নজরদারী অব্যাহত আছে, ভবিষ্যতে পাহাড় কাটার সংবাদ পেলে আবার অভিযান পরিচালনা করবো।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা গ্রামে নয়, এখন শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে পাহাড় কাটছে। এতে এলাকার পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের আশেপাশেো কাটা হচ্ছে পাহাড়। পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবনসহ নানা ধরনের স্থাপনা।

জনপ্রিয় সংবাদ

মা নিজেই নদীতে ফেলার ঘটনা স্বীকার, শিশু জীবিত উদ্ধার

চট্টগ্রামে পরিবেশ অধিদপ্তরের নাকের ডগায় নাগিন পাহাড় কর্তন ঠেকাতে ম্যাজিস্ট্রেটের অভিযান

আপডেট সময় : ০৭:১৭:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ এপ্রিল ২০২৪

বন্দরনগরী চট্টগ্রামের বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তরের নাকের ডগায় নাগিন পাহাড় কেটে সমতল করছে ভূমিদস্যুরা খবর পেয়ে অভিযান চালিয়েছে কাট্টলী সার্কেল ভূমি সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। তবে হাতেনাতে কেউকে ধরতে না পারলেও পেয়েছে পাহাড় কাটার ব্যাপক আলামত। শনিবার (২০ এপ্রিল) দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অনুসন্ধান চালায় চালিয়েছে কাট্টলী সার্কেল ভূমি সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরফাত ছিদ্দিকী।

সরকারি হিসাবে নাগিন পাহাড়টি প্রায় ১০ একরের। এতে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন পাহাড়ি ভূমি রয়েছে। এর আগে বিভিন্ন সময় প্রায় দেড় একরের মতো পাহাড় কাটা হয়েছে। দিন দিন পাহাড় কাটার পরিধি বাড়ছে।

এই ব্যাপারে কাট্টলী সার্কেল ভূমি সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আরফাত ছিদ্দিকী বলেন, আমরা গোপন সূত্রে সংবাদ পেয়েছি যে এখানে পাহাড় কাটা হয়, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এর সত্যতা পেয়েছি। কোন আসামিকে পায়নি বিধায় মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা যায়নি। পাহাড় কাটার প্রেক্ষিতে জায়গাগুলো সমতল হয়ে গেছে। অস্থায়ী টিনশেড দিয়ে ঘর তৈরী করেছে সেগুলো ভাড়া দেওয়া হয়েছে, সেগুলো আমরা উচ্ছেদ করেছি। আমাদের নজরদারী অব্যাহত আছে, ভবিষ্যতে পাহাড় কাটার সংবাদ পেলে আবার অভিযান পরিচালনা করবো।

স্থানীয় ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, এলাকার চিহ্নিত ভূমিদস্যুরা গ্রামে নয়, এখন শহরের বিভিন্ন এলাকায় নির্বিচারে পাহাড় কাটছে। এতে এলাকার পরিবেশ বিপন্ন হয়ে পড়ছে। চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিবেশ অধিদপ্তর কার্যালয়ের আশেপাশেো কাটা হচ্ছে পাহাড়। পাহাড় কেটে গড়ে তোলা হচ্ছে বহুতল ভবনসহ নানা ধরনের স্থাপনা।