০৬:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ১২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে শিলার আঘাতে ছিন্নভিন্ন টিনের চাল, ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ধমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে টিনের বাড়ি-ঘরসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

রবিবার দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে আকস্মিকভাবে ধেয়ে আসা ধমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়।

 

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে পড়া শিলগুলোর একেকটির ওজন প্রায় ২শ গ্রাম। গত ৫০ বছরেও এত বড় আকারের শিল পড়তে দেখেনি স্থানীয় কেউ।

 

জানা গেছে, শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার ত্রিশাল পৌরসভা, ত্রিশাল ইউনিয়ন, ধানীখোলা ইউনিয়ন, বইলর ইউনিয়ন ও রামপুর ইউনিয়নের সহস্রাধিক বাড়ি-ঘরের টিনের চাল ছিদ্র হয়ে গেছে। এছাড়াও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বোরো ধান, পাট, কাচা আম, লিচু, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন জাতের ফসলের।

 

রামপুর ইউনিয়নের বীররামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমার তিনটি ঘরই শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার একটি বকনা বাছুর শিলাবৃষ্টির আঘাতে মারা গেছে। এখন ঘর মেরামতের জন্য কম্বল(জিও টেক্সটাইল শীট) কিনতে বাজারে এসে দেখি এগুলোর দাম দ্বিগুণ হয়েছে। সুযোগ বুঝে ব্যবসায়িরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।’

 

রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আপেল মাহমুদ বলেন, ‘আমার রামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টিতে বোরোসহ বিভিন্ন ফসল ও বসতবাড়ির ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। আমার ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজার ঘরের টিনের চাল চালনির মতো ছিদ্র হয়েগেছে। হঠাৎ ঘটা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের এই মানুষগুলো তাদের ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর নিয়ে মহাবিপদে পড়েছে।’

 

ত্রিশাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসাইন বলেন, ‘আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও অসংখ্য বসতবাড়ি ও দোকানের টিনের চাল বড় বড় শিলার আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।’

ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবেলায় কতটুকু প্রস্তুত পবিপ্রবি?

ত্রিশালে শিলার আঘাতে ছিন্নভিন্ন টিনের চাল, ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি

আপডেট সময় : ০৭:৩৫:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৬ মে ২০২৪

ময়মনসিংহের ত্রিশালে ধমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে টিনের বাড়ি-ঘরসহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

 

রবিবার দিবাগত রাত পৌনে দুইটার দিকে আকস্মিকভাবে ধেয়ে আসা ধমকা হাওয়া ও শিলাবৃষ্টিতে এই ক্ষয়ক্ষতি হয়।

 

স্থানীয়রা জানান, বৃষ্টির সঙ্গে পড়া শিলগুলোর একেকটির ওজন প্রায় ২শ গ্রাম। গত ৫০ বছরেও এত বড় আকারের শিল পড়তে দেখেনি স্থানীয় কেউ।

 

জানা গেছে, শিলাবৃষ্টিতে উপজেলার ত্রিশাল পৌরসভা, ত্রিশাল ইউনিয়ন, ধানীখোলা ইউনিয়ন, বইলর ইউনিয়ন ও রামপুর ইউনিয়নের সহস্রাধিক বাড়ি-ঘরের টিনের চাল ছিদ্র হয়ে গেছে। এছাড়াও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বোরো ধান, পাট, কাচা আম, লিচু, শাক-সবজিসহ বিভিন্ন জাতের ফসলের।

 

রামপুর ইউনিয়নের বীররামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মান্নান বলেন, ‘আমার তিনটি ঘরই শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আমার একটি বকনা বাছুর শিলাবৃষ্টির আঘাতে মারা গেছে। এখন ঘর মেরামতের জন্য কম্বল(জিও টেক্সটাইল শীট) কিনতে বাজারে এসে দেখি এগুলোর দাম দ্বিগুণ হয়েছে। সুযোগ বুঝে ব্যবসায়িরা দাম বাড়িয়ে দিয়েছে।’

 

রামপুর ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আপেল মাহমুদ বলেন, ‘আমার রামপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় শিলাবৃষ্টিতে বোরোসহ বিভিন্ন ফসল ও বসতবাড়ির ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। আমার ইউনিয়নে প্রায় দেড় হাজার ঘরের টিনের চাল চালনির মতো ছিদ্র হয়েগেছে। হঠাৎ ঘটা প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত নিম্ন আয়ের এই মানুষগুলো তাদের ক্ষতিগ্রস্ত বসতঘর নিয়ে মহাবিপদে পড়েছে।’

 

ত্রিশাল ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জাকির হোসাইন বলেন, ‘আকস্মিক শিলাবৃষ্টিতে আমার ইউনিয়নের বিভিন্ন ফসলের ব্যপক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও অসংখ্য বসতবাড়ি ও দোকানের টিনের চাল বড় বড় শিলার আঘাতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে।’