০৭:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

উন্নয়নে বদলে গেছে ঐতিহ্যবাহী যশোর ক্লাব

নানা উন্নয়নে বদলে গেছে ঐতিহ্যবাহী যশোর ক্লাব। চারপাশে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। নতুন করে নির্মিত  হয়েছে আন্তজার্তিক মানের ইনডোর ব্যাডমিন্টন কমপ্লেক্স। অত্যাধুনিক কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণের কাজ শেষের দিকে। বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দের আন্তরিক প্রচেষ্টায় যশোর ক্লাবকে অত্যাধুনিকভাবে সাজানো হয়েছে। ফলে সদস্যদের উপস্থিতিতে ক্লাবটি সব সময় থাকছে মুখরিত।

জানা গেছে, বিট্রিশ সরকারের আমলে যাত্রা শুরু হয় যশোর ক্লাবের। পরে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেহাল দশায় পরিণত হয়।  ১৯৭৮ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মহিউদ্দিন খান আলমগীরের উদ্যোগে সংস্কার করা হয় যশোর ক্লাব। এরপর থেকে ক্লাবটির দিকে কারো সু-নজর ছিলো না। সদস্যদের যাতায়াত কমে যায়। এক প্রকার প্রাণহীন হয়ে পড়ে ঐতিহ্যবাহী যশোর ক্লাব। ২০১৫ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি একপ্রকার বন্ধের উপক্রম হয়। কিন্তু বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যশোর ক্লাবকে আধুনিক করার সব ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০২২ সাল থেকে একে একে করা হয়েছে নানা প্রকারের উন্নয়ন।

এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আন্তজার্তিক মানের ইনডোর ব্যাডমিন্টন কমপ্লেক্স, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের ড্রেসিং রুম, ওয়াশ রুম, অফিস রুম, টেবিল টেনিস কক্ষ ও টেবিল স্থাপন এবং ক্লাবের নিজস্ব জায়গায় লাক্সারি ডাইন নামে ত্রি-স্টার মানের রেস্টুরেন্ট করা হয়েছে। এছাড়া কার্ড রুম, বিলিয়ার্ড গ্যালারী, লেডিস ক্লাবের কক্ষসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কক্ষগুলো সংস্কার করা হয়েছে। আধুনিক ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।

যশোর ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম হুমায়ুন কবীর কবু জানান, যশোর ক্লাব ঐহিত্যবাহী ক্লাব। বর্তমানে এখানে ১১০ জন সদস্য রয়েছে।  দীর্ঘদিনের অযত্ন অবহেলায় ক্লাবটি তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছিলো। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্লাবটির মান উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। সেই অনুযায়ী ক্লাবের উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে নতুন করে অনেক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখানে রয়েছে নন টেনিস, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, কার্ড ও বিলিয়ার্ড খেলার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া ক্লাবে আধুনিক মানের সেলুন জিমের ব্যবস্থা করা হবে। ক্লাব সদস্যরা যাতে অবসর সময়ে এখানে এসে খেলাধুলার মধ্যে আনন্দ উপভোগ করতে পারে তার জন্য এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্লাবের আধুনিকায়নের মাধ্যমে এখানে সদস্যদের যাতায়াত বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

উন্নয়নে বদলে গেছে ঐতিহ্যবাহী যশোর ক্লাব

আপডেট সময় : ০২:০৩:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ মে ২০২৪

নানা উন্নয়নে বদলে গেছে ঐতিহ্যবাহী যশোর ক্লাব। চারপাশে আধুনিকতার ছোঁয়া লেগেছে। নতুন করে নির্মিত  হয়েছে আন্তজার্তিক মানের ইনডোর ব্যাডমিন্টন কমপ্লেক্স। অত্যাধুনিক কমিউনিটি সেন্টার নির্মাণের কাজ শেষের দিকে। বর্তমান কমিটির নেতৃবৃন্দের আন্তরিক প্রচেষ্টায় যশোর ক্লাবকে অত্যাধুনিকভাবে সাজানো হয়েছে। ফলে সদস্যদের উপস্থিতিতে ক্লাবটি সব সময় থাকছে মুখরিত।

জানা গেছে, বিট্রিশ সরকারের আমলে যাত্রা শুরু হয় যশোর ক্লাবের। পরে সঠিকভাবে রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে বেহাল দশায় পরিণত হয়।  ১৯৭৮ সালে তৎকালীন জেলা প্রশাসক মহিউদ্দিন খান আলমগীরের উদ্যোগে সংস্কার করা হয় যশোর ক্লাব। এরপর থেকে ক্লাবটির দিকে কারো সু-নজর ছিলো না। সদস্যদের যাতায়াত কমে যায়। এক প্রকার প্রাণহীন হয়ে পড়ে ঐতিহ্যবাহী যশোর ক্লাব। ২০১৫ সালের পর থেকে প্রতিষ্ঠানটি একপ্রকার বন্ধের উপক্রম হয়। কিন্তু বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে যশোর ক্লাবকে আধুনিক করার সব ধরণের উদ্যোগ গ্রহণ করে। ২০২২ সাল থেকে একে একে করা হয়েছে নানা প্রকারের উন্নয়ন।

এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো আন্তজার্তিক মানের ইনডোর ব্যাডমিন্টন কমপ্লেক্স, ব্যাডমিন্টন খেলোয়াড়দের ড্রেসিং রুম, ওয়াশ রুম, অফিস রুম, টেবিল টেনিস কক্ষ ও টেবিল স্থাপন এবং ক্লাবের নিজস্ব জায়গায় লাক্সারি ডাইন নামে ত্রি-স্টার মানের রেস্টুরেন্ট করা হয়েছে। এছাড়া কার্ড রুম, বিলিয়ার্ড গ্যালারী, লেডিস ক্লাবের কক্ষসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কক্ষগুলো সংস্কার করা হয়েছে। আধুনিক ভবন নির্মাণের কাজ চলছে।

যশোর ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ এস এম হুমায়ুন কবীর কবু জানান, যশোর ক্লাব ঐহিত্যবাহী ক্লাব। বর্তমানে এখানে ১১০ জন সদস্য রয়েছে।  দীর্ঘদিনের অযত্ন অবহেলায় ক্লাবটি তার ঐতিহ্য হারাতে বসেছিলো। বর্তমান কমিটি দায়িত্ব গ্রহণের পর ক্লাবটির মান উন্নয়ন নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনা গ্রহণ করে। সেই অনুযায়ী ক্লাবের উন্নয়ন কাজ এগিয়ে চলেছে। ইতিমধ্যে নতুন করে অনেক উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এখানে রয়েছে নন টেনিস, ব্যাডমিন্টন, টেবিল টেনিস, কার্ড ও বিলিয়ার্ড খেলার সুবিধা রয়েছে। এছাড়া ক্লাবে আধুনিক মানের সেলুন জিমের ব্যবস্থা করা হবে। ক্লাব সদস্যরা যাতে অবসর সময়ে এখানে এসে খেলাধুলার মধ্যে আনন্দ উপভোগ করতে পারে তার জন্য এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। ক্লাবের আধুনিকায়নের মাধ্যমে এখানে সদস্যদের যাতায়াত বাড়বে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।