০৭:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ মে ২০২৪, ১৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ

চাহিদার চেয়ে বাড়ছে চালের উৎপাদন

আমদানির যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন

➤দেশে বছরে চাল প্রয়োজন ৩ কোটি ৬০ লাখ টন গত বছরে উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ১৩ লাখ টন
➤ দেশে মাথাপিছু দৈনিক চাল গ্রহণের পরিমাণ ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম
➤ চলতি মাসে এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি

সরকারি হিসেবে দেশে চাহিদার তুলনায় ধান-চালের উৎপাদন বেশি হচ্ছে। গতকাল খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার নিজেও বলেছেন, আমাদের যে পরিমাণ চাল উৎপাদন তা দিয়ে রপ্তানি করতে পারব। কিন্তু গত মার্চ মাসে বেসরকারিভাবে ৮৩ হাজার টন চাল আমদানির জন্য ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি প্রদান করেছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ চলতি মাসে এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির জন গত এপ্রিলে ৫০ টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হয়। পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও এভাবে চাল আমাদানির যৌক্তিকতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরকারকে প্রভাবিত করে বাইরে থেকে চাল আমাদানি করে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এছাড়া চাল আমাদানি করলে সরকারের কিছু কর্মকতার লাভবান হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

 

 

সূত্রমতে, গত বছরে বাংলাদেশে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ কোটি ৭৭ লাখ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে চালের উৎপাদন ছিল ৪ কোটি ১৩ লাখ মেট্রিক টন। কৃষি বিভাগ বলছে, এভাবে ২০১৮ সাল থেকেই বাংলাদেশে চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমাণ চাল উৎপাদন হচ্ছে। চলতি বছরেও উৎপাদনের এই ধারাহিকতা রক্ষা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাথাপিছু দৈনিক চাল গ্রহণের পরিমাণ ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম হয়েছে। শহরাঞ্চলে মাথাপিছু চাল গ্রহণের পরিমাণ ২৮৪ দশমিক ৭ গ্রাম, যা জাতীয় গড় থেকে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ১৭ কোটির মানুষের প্রতিদিনের হিসাব ধরে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টন চাল। শুধু ভাত হিসেবে এ চাল মানুষ গ্রহণ করে। এর বাইরে বিভিন্ন পোলট্রি ফিড, বীজসহ অন্যান্য প্রয়োজনে চাল ব্যবহার হয় ১ কোটি টন। সবমিলে প্রয়োজন ৩ কোটি ৬০ লাখ টন। কিন্তু গত বছরে উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ১৩ লাখ টন।

 

 

তাহলে এত চাল কোথায় যায়, সরকারকে কেন চাল আমদানি করতে হয়-এসব প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ধান বিজ্ঞানীরা বলছেন, দেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে। তাদের তথ্য আদমশুমারিতে যুক্ত হয়নি। এরা যে ভাত খায়, সে চাল আমাদের দেশেই উৎপাদিত হয়। একটি অংশ রাখতে বীজের জন্য রাখতে হয়। নানা কারণে চালের অপচয় হয়। ব্যক্তিগতভাবে অনেক কৃষক নিরাপত্তার জন্য বাড়িতে চাল মজুত করেন, যেটি হিসাবেও নেই। ব্যবসায়ীদের কাছেও মজুত থাকে। তথ্য বলছে, গত জুলাই মাসের পর দেশে আর চাল আমদানি করতে হয়নি।

 

 

আমাদের যে পরিমাণ চাল উৎপাদন হয় তা দিয়ে রপ্তানি করতে পারব উল্লেখ করে, গতকাল খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে এক কেজি চালও আমদানি করতে হয়নি। এখন আমরা অনায়াসে ৫-৭ লাখ টন চাল রপ্তানি করতে পারি, সে অবস্থা হয়েছে। আমাদের শুধু পালিশ করে যে চাল নষ্ট হচ্ছে, সেটা অর্ধেক রপ্তানি করলেই হবে। কারণ উৎপাদিত প্রায় চার কোটি টনের মধ্যে তিন শতাংশ হারে প্রায় ১২ লাখ টন চাল পালিশ করার কারণে অপচয় হচ্ছে।

 

সরকারিভাবে যথেষ্ট পরিমাণ মুজদের কথা উল্লেখ করলেও প্রায় বিভিন্ন সময় চালের বাজার লাগামহীন হয়ে যায়। এই যে গত মার্চ মাসে বেসরকারিভাবে ৮৩ হাজার টন চাল আমদানির জন্য ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি প্রদান করেছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ১৬ এপ্রিলেও এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির জন্য ৫০ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয় সরকার। এই অনুমোদনের শর্ত হচ্ছে-বরাদ্দ প্রাপ্ত আমদানিকারকগণকে ১৫ মে তারিখের মধ্যে সমুদয় চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে; আমদানিকৃত চালের পরিমাণ, গুদামজাত ও বাজারজাতকরণের তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে অবহিত করতে হবে; বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি ইস্যু/জারি করা যাবে না; আমদনিকৃত চাল অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নামে পুনঃপ্যাকেটজাত করা যাবে না; এবং আমদানিকৃত বস্তায় চাল বিক্রয় করতে হবে।

 

 

প্রতিবছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাল উৎপাদরে পরও সরকারকে চাল আমদানি করতে হয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও বিশিষ্ট ধান বিজ্ঞানী ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস দৈনিক সুবজ বাংলাকে বলেন, আমাদের মধ্যশয্যভোগী আছে অনেক ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা হয়। যার ফলে ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তারা অনেক সময় সরকারকে প্রভাবিত করে বাইরে থেকে আমাদানি করে। আমাদের যে খুব বেশি ঘাটতি থাকে তা না । ধান গবেষণা হিসেবে অনুযায়ী প্রতিবছর দেশের জনসংখ্যা চাহিদা পূরণ করে ২ মিলিয়ন টন অতিরিক্ত মজুদ থাকতে হবে।

 

 

তিনি বলেন, উৎপাদন নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। তবে জনসংখ্যা নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। সব মানুষের তথ্য কি উঠে আসছে ? গণনার বাইরেও অনেক মানুষ রয়ে গেছে। যেমন আমার বাড়িতেও গণনার জন্য কেউ আসেননি। এমন অনেক আছে। আমার মনেহয় বিবিএসকে আরও শক্তিশালী হতে হবে।

 

 

প্রতিবছর চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদন হওয়ার শর্তেও আমাদের চাল আমদানি করতে হয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন সবুজ বাংলাকে বলেন, চাল আমাদানি করলে সরকারের কিছু কর্মকতার লাভবান হচ্ছে। আমাদের যে পরিমাণ উৎপান হচ্ছে তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে আমাদানি না করলেও সংকট মুহুর্তে জণগণ উপকার হতো।

কিশোর গ্যাং এখন সামাজিক ব্যাধি

চাহিদার চেয়ে বাড়ছে চালের উৎপাদন

আপডেট সময় : ০৭:৩৩:৩৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১০ মে ২০২৪

➤দেশে বছরে চাল প্রয়োজন ৩ কোটি ৬০ লাখ টন গত বছরে উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ১৩ লাখ টন
➤ দেশে মাথাপিছু দৈনিক চাল গ্রহণের পরিমাণ ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম
➤ চলতি মাসে এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির অনুমতি

সরকারি হিসেবে দেশে চাহিদার তুলনায় ধান-চালের উৎপাদন বেশি হচ্ছে। গতকাল খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার নিজেও বলেছেন, আমাদের যে পরিমাণ চাল উৎপাদন তা দিয়ে রপ্তানি করতে পারব। কিন্তু গত মার্চ মাসে বেসরকারিভাবে ৮৩ হাজার টন চাল আমদানির জন্য ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি প্রদান করেছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়। সর্বশেষ চলতি মাসে এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির জন গত এপ্রিলে ৫০ টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয়া হয়। পর্যাপ্ত মজুদ থাকার পরও এভাবে চাল আমাদানির যৌক্তিকতা নিয়ে সংশ্লিষ্ট মহলে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। ব্যবসায়ীরা সরকারকে প্রভাবিত করে বাইরে থেকে চাল আমাদানি করে বলে বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন। এছাড়া চাল আমাদানি করলে সরকারের কিছু কর্মকতার লাভবান হচ্ছে বলেও সংশ্লিষ্টদের অভিমত।

 

 

সূত্রমতে, গত বছরে বাংলাদেশে চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৩ কোটি ৭৭ লাখ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে চালের উৎপাদন ছিল ৪ কোটি ১৩ লাখ মেট্রিক টন। কৃষি বিভাগ বলছে, এভাবে ২০১৮ সাল থেকেই বাংলাদেশে চাহিদার চেয়ে বেশি পরিমাণ চাল উৎপাদন হচ্ছে। চলতি বছরেও উৎপাদনের এই ধারাহিকতা রক্ষা হচ্ছে।
বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুযায়ী, দেশে মাথাপিছু দৈনিক চাল গ্রহণের পরিমাণ ৩২৮ দশমিক ৯ গ্রাম হয়েছে। শহরাঞ্চলে মাথাপিছু চাল গ্রহণের পরিমাণ ২৮৪ দশমিক ৭ গ্রাম, যা জাতীয় গড় থেকে ১৩ দশমিক ৪৪ শতাংশ কম। ১৭ কোটির মানুষের প্রতিদিনের হিসাব ধরে বছরে প্রয়োজন হয় প্রায় ২ কোটি ৬০ লাখ টন চাল। শুধু ভাত হিসেবে এ চাল মানুষ গ্রহণ করে। এর বাইরে বিভিন্ন পোলট্রি ফিড, বীজসহ অন্যান্য প্রয়োজনে চাল ব্যবহার হয় ১ কোটি টন। সবমিলে প্রয়োজন ৩ কোটি ৬০ লাখ টন। কিন্তু গত বছরে উৎপাদন হয়েছে ৪ কোটি ১৩ লাখ টন।

 

 

তাহলে এত চাল কোথায় যায়, সরকারকে কেন চাল আমদানি করতে হয়-এসব প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ বিষয়ে ধান বিজ্ঞানীরা বলছেন, দেশে ১২ লাখ রোহিঙ্গা রয়েছে। তাদের তথ্য আদমশুমারিতে যুক্ত হয়নি। এরা যে ভাত খায়, সে চাল আমাদের দেশেই উৎপাদিত হয়। একটি অংশ রাখতে বীজের জন্য রাখতে হয়। নানা কারণে চালের অপচয় হয়। ব্যক্তিগতভাবে অনেক কৃষক নিরাপত্তার জন্য বাড়িতে চাল মজুত করেন, যেটি হিসাবেও নেই। ব্যবসায়ীদের কাছেও মজুত থাকে। তথ্য বলছে, গত জুলাই মাসের পর দেশে আর চাল আমদানি করতে হয়নি।

 

 

আমাদের যে পরিমাণ চাল উৎপাদন হয় তা দিয়ে রপ্তানি করতে পারব উল্লেখ করে, গতকাল খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেন গত ২০২২-২৩ অর্থবছরে এক কেজি চালও আমদানি করতে হয়নি। এখন আমরা অনায়াসে ৫-৭ লাখ টন চাল রপ্তানি করতে পারি, সে অবস্থা হয়েছে। আমাদের শুধু পালিশ করে যে চাল নষ্ট হচ্ছে, সেটা অর্ধেক রপ্তানি করলেই হবে। কারণ উৎপাদিত প্রায় চার কোটি টনের মধ্যে তিন শতাংশ হারে প্রায় ১২ লাখ টন চাল পালিশ করার কারণে অপচয় হচ্ছে।

 

সরকারিভাবে যথেষ্ট পরিমাণ মুজদের কথা উল্লেখ করলেও প্রায় বিভিন্ন সময় চালের বাজার লাগামহীন হয়ে যায়। এই যে গত মার্চ মাসে বেসরকারিভাবে ৮৩ হাজার টন চাল আমদানির জন্য ৩০টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি প্রদান করেছিল খাদ্য মন্ত্রণালয়। গত ১৬ এপ্রিলেও এক লাখ ২৪ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানির জন্য ৫০ বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দেয় সরকার। এই অনুমোদনের শর্ত হচ্ছে-বরাদ্দ প্রাপ্ত আমদানিকারকগণকে ১৫ মে তারিখের মধ্যে সমুদয় চাল বাংলাদেশে বাজারজাত করতে হবে; আমদানিকৃত চালের পরিমাণ, গুদামজাত ও বাজারজাতকরণের তথ্য সংশ্লিষ্ট জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রককে অবহিত করতে হবে; বরাদ্দের অতিরিক্ত আইপি ইস্যু/জারি করা যাবে না; আমদনিকৃত চাল অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের নামে পুনঃপ্যাকেটজাত করা যাবে না; এবং আমদানিকৃত বস্তায় চাল বিক্রয় করতে হবে।

 

 

প্রতিবছর লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি চাল উৎপাদরে পরও সরকারকে চাল আমদানি করতে হয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাবেক মহাপরিচালক ও বিশিষ্ট ধান বিজ্ঞানী ড. জীবন কৃষ্ণ বিশ্বাস দৈনিক সুবজ বাংলাকে বলেন, আমাদের মধ্যশয্যভোগী আছে অনেক ক্ষেত্রে অনেক সমস্যা হয়। যার ফলে ব্যবসায়ীরা অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় যে বাজার নিয়ন্ত্রণ করে। তারা অনেক সময় সরকারকে প্রভাবিত করে বাইরে থেকে আমাদানি করে। আমাদের যে খুব বেশি ঘাটতি থাকে তা না । ধান গবেষণা হিসেবে অনুযায়ী প্রতিবছর দেশের জনসংখ্যা চাহিদা পূরণ করে ২ মিলিয়ন টন অতিরিক্ত মজুদ থাকতে হবে।

 

 

তিনি বলেন, উৎপাদন নিয়ে আমার কোনো সন্দেহ নেই। তবে জনসংখ্যা নিয়ে আমার প্রশ্ন আছে। সব মানুষের তথ্য কি উঠে আসছে ? গণনার বাইরেও অনেক মানুষ রয়ে গেছে। যেমন আমার বাড়িতেও গণনার জন্য কেউ আসেননি। এমন অনেক আছে। আমার মনেহয় বিবিএসকে আরও শক্তিশালী হতে হবে।

 

 

প্রতিবছর চাহিদার তুলনায় বেশি উৎপাদন হওয়ার শর্তেও আমাদের চাল আমদানি করতে হয় এ বিষয়ে জানতে চাইলে কনজ্যুমারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ক্যাব সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসেন সবুজ বাংলাকে বলেন, চাল আমাদানি করলে সরকারের কিছু কর্মকতার লাভবান হচ্ছে। আমাদের যে পরিমাণ উৎপান হচ্ছে তা সঠিকভাবে সংরক্ষণ করতে পারলে আমাদানি না করলেও সংকট মুহুর্তে জণগণ উপকার হতো।