০৮:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ জানুয়ারী ২০২৬, ৪ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চরমপন্থী সাইফুল এমপি আনার  হত্যায় জড়িত কিনা তদন্তে ডিবি

চরমপন্থী সাইফুল আলম ওরফে সাইফুল মেম্বার এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার খুনে জড়িত কিনা তদন্ত শুরু করেছে ডিবি পুলিশ। সাইফুল পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা শিমুল ভুইয়ার সেকেন্ড ইন কামান্ড। মঙ্গলবার রাতে ডিবি যশোর শহরের চাঁচড়া বাবলাতলা এলাকার একটি মাছের হ্যাচারি থেকে আটক করেছিলো।  সাইফুল  অভয়নগর উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের দত্তগাতি গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে।
জানা গেছে, সাইফুলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলা করেছেন ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম। এই মামলায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  বুধবার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে। কিন্তু রিমান্ড শুনানী হয়নি। পরবর্তীতে শুনানী হবে।
এই মামলায় অন্যদুই পলাতক আসামি হলো, অভয়নগরের বারান্দী গ্রামের মৃত শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে ইমাদ উদ্দিন (৪৪) এবং যশোর শহরে চাচঁড়া এলাকার জিসান (২৮) নামে এক যুবক।
পুলিশ জানিয়েছে, ঝিনাইদহ -৪ (কালীগঞ্জ)
সংসদ সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল আজিম ভারতের কলকাতায় হত্যার শিকার হন সে সময় সাইফুল মেম্বার ভারতে পালিয়ে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি চোরাপথে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে দেশে ফেরেন এবং ছদ্দবেশ ধারণ করে যশোর চাঁচড়া বাবলাতলা এলাকার একটি মাছের হ্যাচারিতে শ্রমিকের কাজ নেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে আটক করে। এসময় সাইফুলের কাছ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও একটি ভারতীয় কোম্পানির মোবাইল ফোন সীমকার্ড উদ্ধার করা হয়। সাইফুল মেম্বার একজন চরমপন্থী। সে
মণিরামপুরের উদয় শংকর হত্যার মামলার আসামি।
গত ১৬ অক্টোবর মনিরামপুরের পাচাকড়ি গ্রামের যুবলীগ নেতা প্রভাষক উদয় শংকর হত্যার পর সাইফুল ভারতে পালিয়ে যায়। এছাড়া ভারত থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে দেশে নিয়ে আসতো নিয়মিত। ভারতীয় মোবাইল কোম্পানির সীমকার্ড ব্যবহার করে সে বিভিন্ন মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখতো। ওই বিস্ফোরক দ্রব্য ইমাদ উদ্দিনের মাধ্যমে অজ্ঞাত লোকজনের কাছ থেকে নিয়ে তা দেশে আনতো। জিসান নামে যে যুবক পলাতক রয়েছে তার কাছে ওই বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহ করার কথা ছিলো। সাইফুলের বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় চারটি মামলা আছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদয় শংকরর হত্যার পর আল আমিন নামে এক যুবককে আটক করা হয়। আল আমিন আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে সাইফুলের নাম বলে। তখন থেকে পুলিশ সাইফুলকে আটকের জন্য তৎপরতা চালায়। কিন্তু ভারতে পালিয়ে যাওযায় সে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো।
জনপ্রিয় সংবাদ

চরমপন্থী সাইফুল এমপি আনার  হত্যায় জড়িত কিনা তদন্তে ডিবি

আপডেট সময় : ০৩:১৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪
চরমপন্থী সাইফুল আলম ওরফে সাইফুল মেম্বার এমপি আনোয়ারুল আজিম আনার খুনে জড়িত কিনা তদন্ত শুরু করেছে ডিবি পুলিশ। সাইফুল পূর্ব বাংলার কমিউনিস্ট পার্টির নেতা শিমুল ভুইয়ার সেকেন্ড ইন কামান্ড। মঙ্গলবার রাতে ডিবি যশোর শহরের চাঁচড়া বাবলাতলা এলাকার একটি মাছের হ্যাচারি থেকে আটক করেছিলো।  সাইফুল  অভয়নগর উপজেলার পায়রা ইউনিয়নের দত্তগাতি গ্রামের কাশেম মোল্লার ছেলে।
জানা গেছে, সাইফুলসহ তিনজনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক দ্রব্য আইনের একটি মামলা করেছেন ডিবির এসআই মফিজুল ইসলাম। এই মামলায় পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য  বুধবার ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে। কিন্তু রিমান্ড শুনানী হয়নি। পরবর্তীতে শুনানী হবে।
এই মামলায় অন্যদুই পলাতক আসামি হলো, অভয়নগরের বারান্দী গ্রামের মৃত শাখাওয়াত হোসেনের ছেলে ইমাদ উদ্দিন (৪৪) এবং যশোর শহরে চাচঁড়া এলাকার জিসান (২৮) নামে এক যুবক।
পুলিশ জানিয়েছে, ঝিনাইদহ -৪ (কালীগঞ্জ)
সংসদ সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল আজিম ভারতের কলকাতায় হত্যার শিকার হন সে সময় সাইফুল মেম্বার ভারতে পালিয়ে ছিলেন। সম্প্রতি তিনি চোরাপথে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে দেশে ফেরেন এবং ছদ্দবেশ ধারণ করে যশোর চাঁচড়া বাবলাতলা এলাকার একটি মাছের হ্যাচারিতে শ্রমিকের কাজ নেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে আটক করে। এসময় সাইফুলের কাছ থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য ও একটি ভারতীয় কোম্পানির মোবাইল ফোন সীমকার্ড উদ্ধার করা হয়। সাইফুল মেম্বার একজন চরমপন্থী। সে
মণিরামপুরের উদয় শংকর হত্যার মামলার আসামি।
গত ১৬ অক্টোবর মনিরামপুরের পাচাকড়ি গ্রামের যুবলীগ নেতা প্রভাষক উদয় শংকর হত্যার পর সাইফুল ভারতে পালিয়ে যায়। এছাড়া ভারত থেকে বিস্ফোরক দ্রব্য নিয়ে দেশে নিয়ে আসতো নিয়মিত। ভারতীয় মোবাইল কোম্পানির সীমকার্ড ব্যবহার করে সে বিভিন্ন মানুষের সাথে যোগাযোগ রাখতো। ওই বিস্ফোরক দ্রব্য ইমাদ উদ্দিনের মাধ্যমে অজ্ঞাত লোকজনের কাছ থেকে নিয়ে তা দেশে আনতো। জিসান নামে যে যুবক পলাতক রয়েছে তার কাছে ওই বিস্ফোরক দ্রব্য সরবরাহ করার কথা ছিলো। সাইফুলের বিরুদ্ধে অভয়নগর থানায় চারটি মামলা আছে।
পুলিশ জানিয়েছে, উদয় শংকরর হত্যার পর আল আমিন নামে এক যুবককে আটক করা হয়। আল আমিন আদালতে ১৬৪ ধারার জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে সাইফুলের নাম বলে। তখন থেকে পুলিশ সাইফুলকে আটকের জন্য তৎপরতা চালায়। কিন্তু ভারতে পালিয়ে যাওযায় সে ধরাছোঁয়ার বাইরে ছিলো।