০২:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬, ২৬ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কালীগঞ্জের বাইপাস কাঠের সেতু সংযোগ রাস্তাটির বেহাল দশা

  • সবুজ বাংলা
  • আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • 112

কালীগঞ্জ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চিত্রানদীর উপর নির্মান করা হচ্ছে নতুন সেতু। বাজারের এপার ওপার যাতায়াতের জন্য বানানো হয়েছে বাইপাস সেতু। জনতা মোড় হতে সলিমুননেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মোড় পর্যন্ত এ বাইপাস। মাঝে বানানো হয়েছে কাঠের সেতু। সেতুর আগে পরের কাচা রাস্তার বেহাল দশা। চলাচলের একেবারেই অযোগ্য। কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে কাঠের সেতুর সংযোগ রাস্তাটিতে চলাচলে জনসাধারনের পোহাতে হচ্ছে অর্বনীয় দুভোর্গ। স্কুল মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ ব্যাবসায়ী ও জনসাধারণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। সেতু নির্মান কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় এমন বেহাল অবস্থা। মটর সাইকেল নিয়ে তো দুরের কথা বাইসাইকেল নিয়ে কিংবা হেটেও যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। কাদাপানিতে এককার হয়ে থাকছে। পড়ে গিয়ে প্রায় দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে চলাচলকারীরা। জুবুথুবু করে কাঠের সেতু সংযোগ রাস্তাটি নির্মান করে দেয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংস্কার করে না দেয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। প্রতিদিন কাদা পানি ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের কাপড় চোপড় নষ্ট করতে হচ্ছে। বিকল্প রাস্তা না থাকায় ছাত্র-ছাত্রী,শ্রমজীবি,ব্যাবসায়ী সহ সকল লোকদের এভাবেই যাতায়াত করতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম বলেন, আমি এ রাস্তাটি চলাচল যোগ্য করে দিতে সড়ক জনপথ বিভাগের সাথে কথা বলেছি। কারন সেতু ও রাস্তার জন্য বরাদ্দ রয়েছে। তবে মুল সেতু তৈরী হতে আর বেশি সময় লাগবে না এবছরের শেষ নাগাদ সেতুটি চালু হয়ে যাবে। বর্ষার মৌসুমও প্রায় শেষ তারপরও যতটুকুন সময় আছে এর মধ্যে রাস্তাটি চলাচল যোগ্য থাকা উচিৎ। লোকজনের চলাচলের উপযুক্ত করার জন্য দ্রæত ব্যাবস্থা নিতে আমি আবারও বলবো।

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্র সংসদে ভোটের ফল জাতীয় নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে না: মির্জা ফখরুল

কালীগঞ্জের বাইপাস কাঠের সেতু সংযোগ রাস্তাটির বেহাল দশা

আপডেট সময় : ০৪:২৯:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

কালীগঞ্জ প্রতিনিধি

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে চিত্রানদীর উপর নির্মান করা হচ্ছে নতুন সেতু। বাজারের এপার ওপার যাতায়াতের জন্য বানানো হয়েছে বাইপাস সেতু। জনতা মোড় হতে সলিমুননেছা মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় মোড় পর্যন্ত এ বাইপাস। মাঝে বানানো হয়েছে কাঠের সেতু। সেতুর আগে পরের কাচা রাস্তার বেহাল দশা। চলাচলের একেবারেই অযোগ্য। কয়েকদিনের লাগাতার বৃষ্টিতে কাঠের সেতুর সংযোগ রাস্তাটিতে চলাচলে জনসাধারনের পোহাতে হচ্ছে অর্বনীয় দুভোর্গ। স্কুল মাদরাসা শিক্ষার্থীসহ ব্যাবসায়ী ও জনসাধারণ ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। সেতু নির্মান কর্তৃপক্ষের চরম অবহেলায় এমন বেহাল অবস্থা। মটর সাইকেল নিয়ে তো দুরের কথা বাইসাইকেল নিয়ে কিংবা হেটেও যাওয়া সম্ভব হচ্ছেনা। কাদাপানিতে এককার হয়ে থাকছে। পড়ে গিয়ে প্রায় দুর্ঘটনার স্বীকার হচ্ছে চলাচলকারীরা। জুবুথুবু করে কাঠের সেতু সংযোগ রাস্তাটি নির্মান করে দেয়া হয়েছে। ভালোভাবে সংস্কার করে না দেয়ায় জনদুর্ভোগ চরমে পৌছেছে। প্রতিদিন কাদা পানি ভেঙে যাতায়াত করতে গিয়ে স্কুল শিক্ষার্থীদের কাপড় চোপড় নষ্ট করতে হচ্ছে। বিকল্প রাস্তা না থাকায় ছাত্র-ছাত্রী,শ্রমজীবি,ব্যাবসায়ী সহ সকল লোকদের এভাবেই যাতায়াত করতে বাধ্য হতে হচ্ছে।

পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম বলেন, আমি এ রাস্তাটি চলাচল যোগ্য করে দিতে সড়ক জনপথ বিভাগের সাথে কথা বলেছি। কারন সেতু ও রাস্তার জন্য বরাদ্দ রয়েছে। তবে মুল সেতু তৈরী হতে আর বেশি সময় লাগবে না এবছরের শেষ নাগাদ সেতুটি চালু হয়ে যাবে। বর্ষার মৌসুমও প্রায় শেষ তারপরও যতটুকুন সময় আছে এর মধ্যে রাস্তাটি চলাচল যোগ্য থাকা উচিৎ। লোকজনের চলাচলের উপযুক্ত করার জন্য দ্রæত ব্যাবস্থা নিতে আমি আবারও বলবো।