কুড়িগ্রামের চিলমারীতে মাদ্রাসার অফিস সহকারীকে পেটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার শিক্ষকের বিরুদ্ধে।
জানাগেছে কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলার চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদ্রাসা চলাকালীন বুধবার ( ৫ জুন)বিকাল ৩.৪০মিনিটে ওই মাদ্রাসার শরীরচর্চা শিক্ষক হাসিবুল হাসান অফিস সহকারী মোঃ আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েলকে অতর্কিতভাবে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন। আহত অবস্থায় তাকে চিলমারী হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য জরুরি বিভাগে নেওয়া হলে সেখানেও ওই শিক্ষক হাসিবুল হাসান ও তার বড় ভাই হামিদুর ইসলাম আঙ্গুর আবারো হত্যার উদ্দেশ্যে কিলঘুষি মারতে থাকেন। পরে কর্তব্যরত চিকিৎসক থানায় ফোন করলে পুলিশ ঘটনা স্থলে উপস্থিত হওয়া মাত্রই হামলাকারী শিক্ষক ও তার বড় ভাই পালিয়ে যান। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েলকে রংপুর মেডিকেল হাসাপাতালে রেফার্ড করেন। বর্তমানে তিনি সার্জারী বিভাগে ১৫ নং ওয়ার্ডে পেইন বেডে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
আহত মো. আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েল বলেন,অফিসের কাজ শেষ করে বারান্দায় বসে ছিলাম। এ সময় আমার থানাহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমান মোবাইল ফোনে আমাকে মেরে ফেলার জন্য হুমকি প্রদান করেন এবং আমার বাড়িতে গিয়ে স্ত্রীকে তার ছোট ভাই হামিদুর ইসলাম আঙ্গুর হুমকি ও ভয়ভীতি দেখান ।এবং তার ছোট ভাই ওই মাদ্রাসার শিক্ষক হাসিবুল হাসানকে আমাকে মেরে ফেলার জন্য বলেন এরপর শিক্ষক হাসিবুল হাসান আমাকে মাদ্রাসার বারান্দা থেকে নীচে ফেলিয়ে আমাকে মারপিট করতে থাকেন। আমি ওই শিক্ষক ও তার ভাইদের শাস্তির দাবি করছি।
অভিযুক্ত শিক্ষক মো. হাসিবুল হাসানের সাথে কথা হলে তিনি বিষয়টি অস্বীকার করেন। হামিদুর ইসলাম আঙ্গুর সাথে ফোনে কথা হলে তিনি বলেন আনোয়ারুল ইসলাম জুয়েলকে হাসপাতালে দেখতে গিয়েছিলাম মারামারির কোন ঘটনা ঘটেনি। এবং তার স্ত্রীকে আমি হুমকি প্রদান করিনি।
থানাহাট বাজারের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হাফিজুর রহমানের মোবাইল ফোনে একাধিক বার ফোন করলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি। এ ব্যাপারে চিলমারী সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার অধ্যক্ষ নাজমুল হক জানান মারামারি ঘটনাটি আমি জানিনা। তবে আমি শুনেছি তিনি হঠাৎ নাকি অসুস্থ হয়েছেন।
চিলমারী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোজামেল হক জানান এবিষয়ে আমি কোন অভিযোগ পাইনি পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।






















