১০:৪০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৩ জানুয়ারী ২০২৬, ২০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা বাইডেনের

❖ বাইডেন সরে দাঁড়ালে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে কমলা

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে নড়বড়ে পারফরম্যান্সের পর বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর যে গুঞ্জন উঠেছিল তা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। ডেমোক্র্যাট দলকে শান্ত রাখতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোরালো প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বাইডেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ট্রাম্পের কাছে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে ধরাশায়ী হওয়ার পর বাইডেনের প্রার্থীতা নিয়ে যে সংশয় উঠেছিল তা নাকচ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত বুধবার ডেমোক্র্যাট দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসের সাথে হোয়াইট হাউজে এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন বাইডেন। এরপর তারা দলটির নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। এসময় তিনি জানান, তিনিই আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে লড়াই করবেন। এসময় কমালা হ্যারিস বাইডেনের প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বাইডেন বলেছেন, আমিই ডেমোক্র্যাটিক দলের মনোনীত প্রার্থী। কেউ আমাকে বাইরে ঠেলে দিচ্ছে না।

এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের বাইডেনের বিপক্ষে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রেসিডেন্সিয়াল প্রথম বিতর্কে ট্রাম্পের কাছে অনেকটা নাস্তানাবুদ হয়েছিলেন বাইডেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে বাইডেনের প্রার্থিতা নিয়ে সমালোচনা করা হয়। অনেকেই বলছিলেন বাইডেনের আসন্ন নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ বয়সের ভারে অনেকটাই ক্লান্ত বাইডেন। এছাড়া অনেকে বাইডেনের শারীরিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। সেদিন যারা ওই বিতর্ক অনুষ্ঠানে দর্শক গ্যালারিতে ছিলেন তাদের ভোটও ট্রাম্পকে সমর্থন করেছে। ৬৭ শতাংশ দর্শক মনে করেন বিতর্কে ট্রাম্প ভালো করেছে।

বাইডেন সরে দাঁড়ালে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে কমলা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যদি আসন্ন নির্বাচন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন, তবে তার বিকল্প হিসেবে পছন্দের শীর্ষে আছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। বাইডেনের প্রচারণা শিবির, হোয়াইট হাউস এবং ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির সাত সূত্রের বরাতে এ কথা জানা গেছে। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের পর অনেকে এখন আর বাইডেনের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যেতে তার ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বাইডেন নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে গেলে তার বিকল্প কে হতে পারেন, তা নিয়েও গুঞ্জন চলছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় সূত্র বলছে, এ তালিকায় শীর্ষে আছেন কমলা হ্যারিস। ৫৯ বছর বয়সী কমলা ছাড়াও বাইডেনের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। যদি তিনি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দলের মনোনয়ন পেয়ে যান, তবে বাইডেনের প্রচার শিবিরের সংগ্রহ করা তহবিল কমলা হ্যারিসের কাছেই জমা হবে। প্রচার শিবিরের নিয়ন্ত্রণও তার কাছে থাকবে। তবে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে লড়ার ব্যাপারে কোনো ধরনের আলাপ–আলোচনার কথা নাকচ করেছেন কমলার সহযোগীরা। দ্বিতীয় মেয়াদে বাইডেন প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেই লড়তে চান এ নারী।

জনপ্রিয় সংবাদ

মাহমুদউল্লাহর ঝড়ো ক্যামিওতে রংপুরের দারুণ জয়

শেষ পর্যন্ত লড়াইয়ের ঘোষণা বাইডেনের

আপডেট সময় : ০৮:৪৫:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ জুলাই ২০২৪

❖ বাইডেন সরে দাঁড়ালে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে কমলা

যুক্তরাষ্ট্রের আসন্ন নির্বাচনে শেষ পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে নড়বড়ে পারফরম্যান্সের পর বাইডেনের সরে দাঁড়ানোর যে গুঞ্জন উঠেছিল তা নাকচ করে দিয়েছেন তিনি। ডেমোক্র্যাট দলকে শান্ত রাখতে নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জোরালো প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন বাইডেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, ট্রাম্পের কাছে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কে ধরাশায়ী হওয়ার পর বাইডেনের প্রার্থীতা নিয়ে যে সংশয় উঠেছিল তা নাকচ করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। গত বুধবার ডেমোক্র্যাট দলের ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসের সাথে হোয়াইট হাউজে এক মধ্যাহ্নভোজে অংশ নেন বাইডেন। এরপর তারা দলটির নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নেন। এসময় তিনি জানান, তিনিই আসন্ন নির্বাচনে প্রার্থী হিসেবে লড়াই করবেন। এসময় কমালা হ্যারিস বাইডেনের প্রতি তার পূর্ণ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেন। বাইডেন বলেছেন, আমিই ডেমোক্র্যাটিক দলের মনোনীত প্রার্থী। কেউ আমাকে বাইরে ঠেলে দিচ্ছে না।

এবারের নির্বাচনে ডেমোক্র্যাট দলের বাইডেনের বিপক্ষে শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন দেশটির সাবেক প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প। তবে স্থানীয় সময় গত বৃহস্পতিবার রাতে প্রেসিডেন্সিয়াল প্রথম বিতর্কে ট্রাম্পের কাছে অনেকটা নাস্তানাবুদ হয়েছিলেন বাইডেন। এরপর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে বাইডেনের প্রার্থিতা নিয়ে সমালোচনা করা হয়। অনেকেই বলছিলেন বাইডেনের আসন্ন নির্বাচনী লড়াই থেকে সরে দাঁড়ানো উচিত। কারণ বয়সের ভারে অনেকটাই ক্লান্ত বাইডেন। এছাড়া অনেকে বাইডেনের শারীরিক সুস্থতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। সেদিন যারা ওই বিতর্ক অনুষ্ঠানে দর্শক গ্যালারিতে ছিলেন তাদের ভোটও ট্রাম্পকে সমর্থন করেছে। ৬৭ শতাংশ দর্শক মনে করেন বিতর্কে ট্রাম্প ভালো করেছে।

বাইডেন সরে দাঁড়ালে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এগিয়ে কমলা
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন যদি আসন্ন নির্বাচন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নেন, তবে তার বিকল্প হিসেবে পছন্দের শীর্ষে আছেন বর্তমান ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। বাইডেনের প্রচারণা শিবির, হোয়াইট হাউস এবং ডেমোক্রেটিক ন্যাশনাল কমিটির সাত সূত্রের বরাতে এ কথা জানা গেছে। গত সপ্তাহে প্রেসিডেন্সিয়াল বিতর্কের পর অনেকে এখন আর বাইডেনের ওপর আস্থা রাখতে পারছেন না। নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে যেতে তার ওপর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। বাইডেন নির্বাচনী দৌড় থেকে সরে গেলে তার বিকল্প কে হতে পারেন, তা নিয়েও গুঞ্জন চলছে। ডেমোক্র্যাট দলীয় সূত্র বলছে, এ তালিকায় শীর্ষে আছেন কমলা হ্যারিস। ৫৯ বছর বয়সী কমলা ছাড়াও বাইডেনের সম্ভাব্য বিকল্প হিসেবে আরও কয়েকজন প্রভাবশালী ডেমোক্র্যাট নেতার নাম শোনা যাচ্ছে। যদি তিনি প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে দলের মনোনয়ন পেয়ে যান, তবে বাইডেনের প্রচার শিবিরের সংগ্রহ করা তহবিল কমলা হ্যারিসের কাছেই জমা হবে। প্রচার শিবিরের নিয়ন্ত্রণও তার কাছে থাকবে। তবে প্রেসিডেন্ট প্রার্থী হিসেবে লড়ার ব্যাপারে কোনো ধরনের আলাপ–আলোচনার কথা নাকচ করেছেন কমলার সহযোগীরা। দ্বিতীয় মেয়াদে বাইডেন প্রশাসনের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেই লড়তে চান এ নারী।