জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলায় ভাইবোন ও মায়ের বিরুদ্ধে মো. আব্দুল গফুর (৬২) নামে এক কৃষককে পৈত্রিক সম্পত্তি থেকে বঞ্চিত ও নানাভাবে হয়রানির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী।
রবিবার (১৪ জুলাই) দুপুরে উপজেলার সাতপোয়া ইউনিয়নের চর চুনিয়াপটল গ্রামের নিজবাড়িতে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব অভিযোগ করেন। এ সময় তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতার কথা বলেন এবং প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আব্দুল গফুর বলেন, চর চুনিয়াপটল গ্রামে আমার বাবা আব্দুল করিম সোনারু মারা যাওয়ার পর আমরা চার ভাই, ২ বোন ও আমার মা ওয়ারিশপ্রাপ্ত হই। পৈত্রিক ৪ একর ৬০ শতাংশ জমির মধ্যে ২০.৭৫ শতাংশ বসতভিটা এবং ৮০.৫০ শতাংশ আবাদি জমির উত্তরাধিকারী হই। কিন্তু আমি মাত্র ৩০ শতাংশ চাষাবাদ করতে পারলেও বাকি ৫০.৫০ শতাংশ জমি ও বসতভিটার জমি আমার তিন ভাই জুলহাস উদ্দিন, আব্দুল সালাম, সাখাওয়াত হোসেন সখাসহ দুই বোন জোরপূর্বক দখল করে রেখেছেন। বাধ্য হয়ে আমি স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন সরকার নামে একজনের কাছ থেকে ৩৩ শতাংশ জমি ক্রয় করে বাড়িঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি। অপরদিকে আবুল কালাম নামে আরেকজন ব্যক্তির কাছ থেকে ক্রয়কৃত ১৬.৫০ শতাংশ জমিও আমার ছোটভাই সাখাওয়াত হোসেন সখা বেদখল করে ঘর নির্মাণ করার অভিযোগও করেন তিনি।
অসহায় কৃষক আব্দুল গফুর আরও জানান, জমিজমা সংক্রান্ত বিষয়ে স্থানীয়ভাবে একাধিক সালিশবৈঠক হলেও আমার ভাইবোনেরা তা মানেননি। উল্টো আমার উপর মোটরসাইকেলে হামলা চালিয়ে আহত করে, এসিড নিক্ষেপ করে হত্যা চেষ্টা করে, মাকে দিয়ে মিথ্যা মামলা এবং বাড়িঘর থেকে মূল্যবান মালামাল চুরি করে নানাভাবে হয়রানি করছে তারা।
এসব বিষয়ে তার দায়েরকৃত একাধিক মামলা আদালতে চলমান ও সিআইডির তদন্তাধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি। বর্তমানে তিনি পরিবার নিয়ে চরম নিরাপত্তাহীনতা থাকায় স্থানীয় প্রশাসনসহ প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
সংবাদ সম্মেলনে বড় ভাই আব্দুল গফুরের অভিযোগ প্রসঙ্গে তার ছোট ভাই সাখাওয়াত হোসেন সখা বলেন, আমরা চার ভাইয়ের সম্পত্তি সমানভাগে নিতে চাই। কিন্তু বড় ভাই আব্দুল গফুর বিষয়টি সমাধানে আসেন না। উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন।























