১১:৫৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

জামালপুরে এপির উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে পুষ্টি ও অর্থনৈতিক সয়ম্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) এর উদ্যোগে ৩০ হাজার গাছের চারা বিতরণ কাজের উদ্বোধন করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিতরণ কাজ উদ্বোধন করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়ায় গাছের চারা বিতরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন, সিডিও সাব্বির হোসেন, উন্নয়ন সংঘের এসডিএইচসি প্রকল্প কর্মকর্তা আরজু মিয়া প্রমুখ।

এপির কর্মএলাকার শিশু, কিশোর ও উপকারভোগী মায়েদের মাঝে বিনামূল্যে নিম, লটকন ও পিয়ারা গাছের চারা দেয়া হয়। প্রতিজন ৩টি করে চারা গ্রহণ করেন। একই সাথে কিশোরীদের মাঝে ২ প্যাকেট করে উন্নত মানের স্যানেটারী ন্যপকিন বিতরণ করা হয়।

জানা যায়, জামালপুর পৌরসভা, সদর উপজেলার লক্ষিরচর ও শরিফপুর ইউনিয়নে ১০ হাজার জনের মাঝে মোট ৩০ হাজার উল্লেখিত গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়। এছাড়া ২ হাজার কিশোরীর মাঝের চার হাজার প্যাকেট স্যানেটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়।

অপরদিকে এপির পরামর্শে গঠিত জামালপুর বাগেরহাটা শিশু ফোরামের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। শিশু ফোরামের সদস্যরা নিজেরা চাঁদা তুলে গাছের চারা কিনে প্রতিবন্ধী সদস্যদের মাঝে বিতরণ করে। শিশুদের এ মহতী কাজকে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশ প্রেম এবং সচেতনতা সৃষ্টির অনন্য উদাহরণ বলে এলাকাবাসী মন্তব্য করেন।

এ বিতরণ কাজে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর এপির এরিয়া ম্যানেজার সাগর ডি কস্তা, স্পন্সরশিপ অফিসার উজ্জল কোরাইয়া পেড্রিক প্রমুখ।

উল্লেখ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংঘ গত তিন বছর যাবৎ জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ওয়াস, জীবীকায়ন, স্পন্সরশিপসহ শিশুদের সর্বোত্তম সুরক্ষায় বহুমাত্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। জানা যায় হংকং ও মালয়েশিয়ার অর্থ সহয়তায় ১০ বছরব্যপী এ কর্মসূচি জামালপুরে বাস্তবায়ন হবে।

উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বলেন শিশু, কিশোরদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি এবং যথাযথ যত্ন ও পরিচর্যার মাধ্যমে গাছকে বড় করে তুলে ভবিষ্যৎ তহবিল গঠন করা হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

জামালপুরে এপির উদ্যোগে গাছের চারা বিতরণ

আপডেট সময় : ০৬:১৪:৩০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩০ জুলাই ২০২৪

পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা এবং ভবিষ্যতে পুষ্টি ও অর্থনৈতিক সয়ম্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রাম (এপি) এর উদ্যোগে ৩০ হাজার গাছের চারা বিতরণ কাজের উদ্বোধন করা হয়।

মঙ্গলবার (৩০ জুলাই) বিতরণ কাজ উদ্বোধন করেন উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম।

জামালপুর পৌরসভার পাথালিয়ায় গাছের চারা বিতরণ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের অন্যান্যের মাঝে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের ব্যবস্থাপক মিনারা পারভীন, সিডিও সাব্বির হোসেন, উন্নয়ন সংঘের এসডিএইচসি প্রকল্প কর্মকর্তা আরজু মিয়া প্রমুখ।

এপির কর্মএলাকার শিশু, কিশোর ও উপকারভোগী মায়েদের মাঝে বিনামূল্যে নিম, লটকন ও পিয়ারা গাছের চারা দেয়া হয়। প্রতিজন ৩টি করে চারা গ্রহণ করেন। একই সাথে কিশোরীদের মাঝে ২ প্যাকেট করে উন্নত মানের স্যানেটারী ন্যপকিন বিতরণ করা হয়।

জানা যায়, জামালপুর পৌরসভা, সদর উপজেলার লক্ষিরচর ও শরিফপুর ইউনিয়নে ১০ হাজার জনের মাঝে মোট ৩০ হাজার উল্লেখিত গাছের চারা বিতরণের উদ্যোগ নেয়া হয়। এছাড়া ২ হাজার কিশোরীর মাঝের চার হাজার প্যাকেট স্যানেটারি ন্যাপকিন বিতরণ করা হয়।

অপরদিকে এপির পরামর্শে গঠিত জামালপুর বাগেরহাটা শিশু ফোরামের উদ্যোগে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাঝে গাছের চারা বিতরণ করা হয়। শিশু ফোরামের সদস্যরা নিজেরা চাঁদা তুলে গাছের চারা কিনে প্রতিবন্ধী সদস্যদের মাঝে বিতরণ করে। শিশুদের এ মহতী কাজকে সামাজিক দায়বদ্ধতা ও পরিবেশ প্রেম এবং সচেতনতা সৃষ্টির অনন্য উদাহরণ বলে এলাকাবাসী মন্তব্য করেন।

এ বিতরণ কাজে উপস্থিত ছিলেন জামালপুর এপির এরিয়া ম্যানেজার সাগর ডি কস্তা, স্পন্সরশিপ অফিসার উজ্জল কোরাইয়া পেড্রিক প্রমুখ।

উল্লেখ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে উন্নয়ন সংঘ গত তিন বছর যাবৎ জামালপুর এরিয়া প্রোগ্রামের মাধ্যমে স্বাস্থ্য, পুষ্টি, ওয়াস, জীবীকায়ন, স্পন্সরশিপসহ শিশুদের সর্বোত্তম সুরক্ষায় বহুমাত্রিক উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। জানা যায় হংকং ও মালয়েশিয়ার অর্থ সহয়তায় ১০ বছরব্যপী এ কর্মসূচি জামালপুরে বাস্তবায়ন হবে।

উন্নয়ন সংঘের মানবসম্পদ উন্নয়ন পরিচালক জাহাঙ্গীর সেলিম গাছের চারা বিতরণ অনুষ্ঠানে বলেন শিশু, কিশোরদের মাঝে পরিবেশ সচেতনতা সৃষ্টি এবং যথাযথ যত্ন ও পরিচর্যার মাধ্যমে গাছকে বড় করে তুলে ভবিষ্যৎ তহবিল গঠন করা হবে।