রাজবাড়ীতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে গণহত্যা ও গণগ্রেপ্তারের প্রতিবাদ সহ শিক্ষার্থীদের ৯ দফা দাবি আদায়ের লক্ষ্যে আজ শনিবার বিকেলে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকারীরা। তাঁদের সাথে অনেক অভিভাবক, শিক্ষক, আইনজীবী শরিক হন।
শনিবার (০৩ আগষ্ট) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে রাজবাড়ী শহরের বড়পুুল এলাকায় আন্দোলনকারীরা জড়ো হতে থাকে। এসময় পুলিশের সাথে সমঝোতা শেষে কয়েক’শ শিক্ষার্থী মিছিল সহকারে শহরের পান্না চত্ত্বরে যায়। সেখানে রাস্তা অবরোধ করে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে থাকে। মিছিলটি পান্না চত্ত্বরে আসার পথে কয়েক স্থানে বিরতি দিয়ে নানা ধরনের শ্লোগান দিতে থাকে।
এসময় তাদের সাথে একাত্মতা প্রকাশ করে বিএনপি, ছাত্রদল ও যুবদলের নেতাকর্মীরা যোগ দেয়। বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারের পদত্যাগ দাবী করে শ্লোগান দিতে থাকে। এ সময় বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এম এ খালেদ পাভেল।
বিকেল সাড়ে চারটার দিকে সমাবেশ শেষে পুলিশ সবাইকে বাড়ি ফিরে যাওয়ার অনুরোধ করলে আন্দোলনকারীরা সমাবেশ শেষ করে।
সভা শেষ হতেই আকষ্মিকভাবে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতাকর্মীরা এসে আন্দোলনকারীদের ধাওয়া দেয়। এসময় তাদের অনেকের হাতে লাঠি সোঠা ছিল। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
এঘটনায় পরে জেলা আ.লীগ কার্যালয়ের সামনে ছাত্র আন্দোলনের নামে সারা দেশে নৈরাজ্যের প্রতিবাদে বক্তব্য রাখেন রাজবাড়ী-১ আসনের সংসদ সদস্য কাজী কেরামত আলী, জেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী, সহসভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা ফকির আব্দুল জব্বার, সদর উপজেলা আ.লীগের সভাপতি রমজান আলী খান, পৌর আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক সফিকুল ইসলাম প্রমূখ। সভা থেকে আগামীকাল রোববার অসহযোগ আন্দোলনের প্রতিবাদে আ.লীগ ও সহযোগী অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দকে বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে জমায়েত হতে আহ্বান জানান।
অপরদিকে জেলার গোয়ালন্দেও বিকেল ৩ টার দিকে বিক্ষোভ করেছে শিক্ষার্থীরা। সরকারি গোয়ালন্দ কামরুল ইসলাম কলেজ চত্ত্বর থেকে বিক্ষোভ সহকারপ মিছিলটি ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দ বাসস্ট্যান্ডে জড়ো হয়। পরে কিছু সময়ের জন্য তারা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করতে থাকে। পরে শান্তিপূর্ণভাবে বিক্ষোভ শেষ করে আন্দোলনকারীরা।























