১০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ভোলায় আন্দোলন কারী-আওয়ামীলীগ-পুলিশ সংঘর্ষ,নিহত-১ আহত ৫০

অগ্নি সংযোগ আন্দোলনকারীদের দখলে শহর

ভোলায় অসযোগ আন্দোলনের প্রথম দিন গতকাল (৪ আগষ্ট) রবিবার সকাল ১১টার দিকে আন্দলোনকারীদের সাথে দফায় দফায় আওয়ামীলীগ-পুলিশের সংঘষে পুলিশের গুলিতে জসিম (৩৫) নামের ১ জন নিহত ও ছাত্র, জনতা এবং পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। আহতদেরকে ভোলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নিহত জসিমের বাড়ি পৌরনবীপুরের কালিবাড়ি রোর্ডের তালুকদার মসজিদের কাছে, তিনি একজন ছাতা ব্যবসায়ী।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ভোর থেকে শান্তিপূর্নভাবে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসুচী চলে। সকল প্রকার যানবাহন, অফিস আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাস্কুলের নিকট জেলা আওয়ামীলীগের অফিস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেড় হয়ে অসযোগ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উস্কানীমুলক শ্লোগান দিয়ে সদর রোড, চকবাজার হয়ে নতুন বাজার পৌছলে আন্দোলনকারীদের মুখামুখি হয়। ওই সময় উভয় পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে মুক্তিযোদ্ধা অফিস, পৌরসভা, শ্রমিকলীগ, কালিবাড়ি রোর্ড ও জেলা আওয়ামীলীগ অফিসে আশ্রয় নিয়ে ইট-পার্কেল মারতে থাকে। পরে আন্দোলনকারীরা শ্রমিক লীগ অফিস ভাংচুর করে ও জেলা আওয়ামীলীগ অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। আন্দোলনকারীদের প্রতিরোধে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা পালিয়ে যায়। তারা ডিসি অফিসের সামনে ও পৌরসভার সামনে কয়েকটি গাড়ি এবং মটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আন্দোনকারী ও প্রলিশের সাথে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল ও এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, ওই সময় গুলিতে জসিম নিহত এবং আরো ৫ জন গুলি বিদ্ধ হয়। তাদেরকে ভোলা ও বরিশাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ভোলা শহর আন্দোলনকারীদের দখলে এবং আইনশৃংঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পুলিশ জানান, আইন শৃংঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে আনতে টিয়ার সেল ও গুলি চালানো হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

ভোলায় আন্দোলন কারী-আওয়ামীলীগ-পুলিশ সংঘর্ষ,নিহত-১ আহত ৫০

আপডেট সময় : ০৬:০৯:৪২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অগাস্ট ২০২৪

ভোলায় অসযোগ আন্দোলনের প্রথম দিন গতকাল (৪ আগষ্ট) রবিবার সকাল ১১টার দিকে আন্দলোনকারীদের সাথে দফায় দফায় আওয়ামীলীগ-পুলিশের সংঘষে পুলিশের গুলিতে জসিম (৩৫) নামের ১ জন নিহত ও ছাত্র, জনতা এবং পুলিশসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। আহতদেরকে ভোলা সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নিহত জসিমের বাড়ি পৌরনবীপুরের কালিবাড়ি রোর্ডের তালুকদার মসজিদের কাছে, তিনি একজন ছাতা ব্যবসায়ী।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,ভোর থেকে শান্তিপূর্নভাবে অসহযোগ আন্দোলনের কর্মসুচী চলে। সকল প্রকার যানবাহন, অফিস আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাংলাস্কুলের নিকট জেলা আওয়ামীলীগের অফিস থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বেড় হয়ে অসযোগ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে উস্কানীমুলক শ্লোগান দিয়ে সদর রোড, চকবাজার হয়ে নতুন বাজার পৌছলে আন্দোলনকারীদের মুখামুখি হয়। ওই সময় উভয় পক্ষ ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে মুক্তিযোদ্ধা অফিস, পৌরসভা, শ্রমিকলীগ, কালিবাড়ি রোর্ড ও জেলা আওয়ামীলীগ অফিসে আশ্রয় নিয়ে ইট-পার্কেল মারতে থাকে। পরে আন্দোলনকারীরা শ্রমিক লীগ অফিস ভাংচুর করে ও জেলা আওয়ামীলীগ অফিসে আগুন ধরিয়ে দেয়। আন্দোলনকারীদের প্রতিরোধে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীরা পালিয়ে যায়। তারা ডিসি অফিসের সামনে ও পৌরসভার সামনে কয়েকটি গাড়ি এবং মটর সাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। আন্দোনকারী ও প্রলিশের সাথে দুপুর দেড়টা পর্যন্ত সংঘর্ষ চলে। পুলিশ কয়েক রাউন্ড টিয়ার সেল ও এলোপাতাড়ি গুলি চালায়, ওই সময় গুলিতে জসিম নিহত এবং আরো ৫ জন গুলি বিদ্ধ হয়। তাদেরকে ভোলা ও বরিশাল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে ভোলা শহর আন্দোলনকারীদের দখলে এবং আইনশৃংঙ্খলা বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন। পুলিশ জানান, আইন শৃংঙ্খলা নিয়ন্ত্রনে আনতে টিয়ার সেল ও গুলি চালানো হয়েছে।