ফেনীর বর্তমান সার্বিক পরিস্থিতিতে ছাত্র ও বিএনপি-জামায়াত নেতাদের সাথে জেলা প্রশাসনের সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় জেলা প্রশাসক মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার সভাপতিত্ব করেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট শফিকুর রিদোয়ান আরমান শাকিলের পরিচালনায় সেনাবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত লে. কর্ণেল মীর কামরুল হাসান, ফেনীস্থ ৪ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল শেখ মোহাম্মদ বদরুদ্দোজা, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বক্তব্য রাখেন।
এছাড়া বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক মুহাইমিন তাজিম, ওমর ফারুক শুভ ছাড়াও বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতাদের মধ্যে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সসদ্য এডভোকেট মেজবাহ উদ্দিন খান, জেলা আহবায়ক শেখ ফরিদ বাহার, যুগ্ম-আহবায়ক গাজী হাবিব উল্যাহ মানিক, এয়াকুব নবী, আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী, সদর উপজেলা সদস্য সচিব আমান উদ্দিন কায়সার সাব্বির, পৌর সদস্য সচিব মেজবাহ উদ্দিন ভূঞা, জেলা যুবদলের আইন সম্পাদক হুমায়ুন কবীর বাদল, ছাত্রদল সভাপতি সালাহউদ্দিন মামুন, জামায়াত নেতাদের মধ্যে কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য অধ্যাপক লিয়াকত আলী ভূঞা, জেলা আমীর এ.কে.এম সামছুদ্দীন, প্রচার সম্পাদক আ.ন.ম আবদুর রহীম, শহর আমীর মুহাম্মদ ইলিয়াছ, ছাত্রশিবিরের শহর সভাপতি শরীফুল ইসলাম, অন্যদের মধ্যে ইসলামী আন্দোলনের জেলা সেক্রেটারী একরামুল হক ভূঞা, ফেনী ডিবেট সোসাইটির সভাপতি আবু সুফিয়ান নোমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।
মুছাম্মৎ শাহীনা আক্তার বলেছেন, “মহিপাল চত্বরকে শহীদ চত্বর হিসেবে নামকরণের উদ্যোগ নেয়া হবে। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের নিচতলায় শহীদদের স্মরণে স্থাপনা সহ বিভিন্ন উদ্যোগ রয়েছে। ছাত্র-জনতার আন্দোলনে যারা নিহত-আহত হয়েছে জেলা প্রশাসন তাদের সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। সবাইকে নিরাপদে রাখতে চাই। অনতিবিলম্বে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। রাষ্ট্রযন্ত্রকে সচল করতে হবে। জেলার মানুষের ভীতিকর পরিস্থিতি কাটাতে হবে। প্রয়োজনে মাইকিং করা হবে। অন্য জেলার তুলনায় ফেনীর মানুষ ব্যতিক্রম। ফেনীর মানুষ শান্তি চায়। সরকারি কর্মকর্তাদেরও আপনারা নিরাপত্তা দিচ্ছেন, এজন্য আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা। অন্তবর্তী সরকার গঠন হতে যাচ্ছে। উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার আলোকে অস্ত্রের লাইসেন্স বাতিল প্রক্রিয়া করা হবে।”























