দেশের চলমান অচলাবস্থায় সড়কে পুলিশ ও ট্রাফিক না থাকায় ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছেন শিক্ষার্থীরা। সড়কে কোন ধরণের চাঁদা বা হয়রানী না থাকায় খুশি যানবাহন শ্রমিকরা। বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে খুশি থাকলেও পরবর্তী সময় কি হবে তা নিয়ে শঙ্কায় সাধারণ মানুষ। সড়কে নিরাপত্তার দায়িত্বে আনসার সদস্য থাকার কথা থাকলেও তাদের দেখা যায়নি। এমনকি কোথাও সেনাবাহিনীর সদস্যদেরও টহল দিতে দেখা যায়নি।
এদিকে কর্মরত পুলিশের কর্মবিরতি পালন করায় মাদারীপুরে আইন শৃঙ্খলা রক্ষায় বা ট্রাফিক কন্ট্রোলের জন্য জেলার কোথাও পুলিশের উপস্থিতি দেখা যায় নি। সকাল থেকেই ছাত্রছাত্রীসহ বিভিন্ন সংগঠনের স্বেচ্ছাসেবীদের দেখা গেছে ট্রাফিক কন্ট্রোল করতে। ট্রাফিক কন্ট্রোলের পাশাপাশি ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের মস্তফাপুরের পরিত্যক্ত গোলচত্বর পরিস্কার করে গাছ লাগানোর উদ্যোগ নিয়েছে তারা। নিজ অর্থায়নে শিক্ষার্থীরা এই স্বেচ্ছাশ্রম দিচ্ছেন বলে জানান শিক্ষার্থীরা। তাদের সহযোগীতা করছে স্থানীয়রা।
শিক্ষার্থী ও স্বেচ্ছাসেবীরা জানান, সাধারণ মানুষের যাতে চলাচল করতে সমস্যা না হয় তাই আমরা ট্রাফিক কন্ট্রোলের চেষ্টা করছি। এছাড়া মস্তফাপুর গোলচত্বরটি অবহেলিত ছিল। এখানে আবর্জনা ও আগাছায় ভরে উঠেছে। আমরা তা পরিস্কার করে বৃক্ষরোপন করার উদ্যোগ নিয়েছি। তাই স্থানটি পরিস্কার করছি। হর্টিকালচার থেকে গাছের চারা এনেছি। এখানে রোপন করবো।
পিকআপ চালক আরাফাত বেপারী জানান, আগে রাস্তার বিভিন্ন পয়েন্টে চাঁদা দেয়া লাগতো। এছাড়া বিভিন্ন হয়রানির শিকার হতাম। কিন্তু বর্তমানে ব্রিজের টোল, পৌর টোল ও সরকার নির্ধারিত সড়কগুলোতে টোল দিতে হয়। এছাড়া কোন চাঁদা দিতে হয় না। এমনকি কোন ধরণের হয়রানিও হচ্ছি না। এভাবে থাকলে আমাদের জন্য ভাল। যারাই ক্ষমতায় আসুক আশা করি তারা চাঁদা বন্ধ করবে। আমাদের আর কোন চাঁদা দিতে হবে না বা হয়রানি হতে হবে না।
উপজেলা আনসার কোম্পানী কমান্ডার মো. বজলু মাতুবার বলেন, উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমরা সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার জন্য কাজ করছি।
মাদারীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শফিউর রহমান বলেন, আজ সন্ধ্যার মধ্যে পুলিশের সকল সদস্য ও অফিসাররা এসে স্ব স্ব ইউনিটে হাজির হওয়ার কথা রয়েছে। তবে কবে নাগাদ মাদারীপুরের পুলিশ তাদের কার্যক্রম শুরু করবে এমন প্রশ্নের কোন উত্তর দেননি তিনি।























