০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

রংপুরে পরিচ্ছন্নতার কাজসহ ট্রাফিকের দায়িত্বে শিক্ষার্থী

রংপুর নগরীতে যানজট সবসময় লেগেই থাকে। এ অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশ কর্মবিরতি পালন করায় ভয়াবহ যানজট ও চলাচলে বিশৃংখলা সৃষ্টি প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে কাজ করছে শিক্ষার্থীগণ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যানজট নিরসনে কাজ করে শহরে শৃঙ্খলা ফিরে নিয়ে এসেছে। আজ ৮ আগস্ট বৃহ¯পতিবার রংপুর নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছেন আনসার সদস্যরা। নতুন অভিজ্ঞতা হলেও ফুরফুরে মেজাজে দায়িত্ব পালন করছেন তারা। দেশের ক্রান্তিলগ্নে তারাও অবদান রাখছেন। বসে ছিল না শিক্ষার্থীরাও। তারা পুরো শহরটা পরিষ্কারে নেমেছে। তারা ইটপাটকেল সরাচ্ছেন, দেওয়াল পরিষ্কার করছেন, পোড়া গাড়ি সরিয়ে মানুষের চলাচলের পথ করে দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, রংপুরে ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় এমন বিশৃ›খলা হয়েছিলো। যার ফলে ২ মিনিটের রাস্তা ১৫ মিনিটে পার করতে হতো। শিক্ষার্থীরা রাস্তা ক্লিয়ার না করলে ভায়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হত। সুশৃঙ্খল করার দায়িত্ব তো কেবল ছাত্রসমাজের না বরং আমাদের সবার। সবাই নিজ দায়িত্বে নিজের দেশ রক্ষা করুন একজন আরেকজনকে ওভারটেক না করে ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, এবারের শ্লোগান হোক আমরাই দেখবো আমাদের।ট্রাফিক দায়িত্ব পালন করেন রংপুর শহবে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে হাসান আলী, মো. হোসাইন আলী, মো. সাব্বির হোসেন, মোছা. নুসরাত জাহান লাবনী, মো.আরঙ্গ, মোছা. সাদিয়া ফারিহা মনি, তানজিনা বলেন, দেশ ও জাতির জন্য তারা যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করতে শিক্ষার্থীগণ প্রস্তুত রয়েছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য তারা কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের এমন কর্মকান্ড দেখে অবিভাবকরা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা নিজের তাজা প্রাণ দিয়ে দেশ পরিবর্তন করতে পারে সেটি দেখিয়েছে। শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে তা ভালো কাজ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, অংশ নিয়েছিলো তারাই বাংলাদেশকে নতুন পথ দেখাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এমন কর্মকান্ডগুলো পথ দেখাবে আগামী নেতৃত্বকে।

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে পরিচ্ছন্নতার কাজসহ ট্রাফিকের দায়িত্বে শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০৮:৪৪:৫২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অগাস্ট ২০২৪

রংপুর নগরীতে যানজট সবসময় লেগেই থাকে। এ অবস্থায় ট্রাফিক পুলিশ কর্মবিরতি পালন করায় ভয়াবহ যানজট ও চলাচলে বিশৃংখলা সৃষ্টি প্রতিরোধে স্বেচ্ছাসেবক হিসাবে কাজ করছে শিক্ষার্থীগণ। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা যানজট নিরসনে কাজ করে শহরে শৃঙ্খলা ফিরে নিয়ে এসেছে। আজ ৮ আগস্ট বৃহ¯পতিবার রংপুর নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছেন আনসার সদস্যরা। নতুন অভিজ্ঞতা হলেও ফুরফুরে মেজাজে দায়িত্ব পালন করছেন তারা। দেশের ক্রান্তিলগ্নে তারাও অবদান রাখছেন। বসে ছিল না শিক্ষার্থীরাও। তারা পুরো শহরটা পরিষ্কারে নেমেছে। তারা ইটপাটকেল সরাচ্ছেন, দেওয়াল পরিষ্কার করছেন, পোড়া গাড়ি সরিয়ে মানুষের চলাচলের পথ করে দিয়েছেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, রংপুরে ট্রাফিক পুলিশ না থাকায় এমন বিশৃ›খলা হয়েছিলো। যার ফলে ২ মিনিটের রাস্তা ১৫ মিনিটে পার করতে হতো। শিক্ষার্থীরা রাস্তা ক্লিয়ার না করলে ভায়াবহ অবস্থার সৃষ্টি হত। সুশৃঙ্খল করার দায়িত্ব তো কেবল ছাত্রসমাজের না বরং আমাদের সবার। সবাই নিজ দায়িত্বে নিজের দেশ রক্ষা করুন একজন আরেকজনকে ওভারটেক না করে ট্রাফিক আইন মেনে চলুন, এবারের শ্লোগান হোক আমরাই দেখবো আমাদের।ট্রাফিক দায়িত্ব পালন করেন রংপুর শহবে প্রায় দুই শতাধিক শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে হাসান আলী, মো. হোসাইন আলী, মো. সাব্বির হোসেন, মোছা. নুসরাত জাহান লাবনী, মো.আরঙ্গ, মোছা. সাদিয়া ফারিহা মনি, তানজিনা বলেন, দেশ ও জাতির জন্য তারা যে কোন পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাজ করতে শিক্ষার্থীগণ প্রস্তুত রয়েছে। নতুন বাংলাদেশ গড়ার জন্য তারা কাজ করছে। শিক্ষার্থীদের এমন কর্মকান্ড দেখে অবিভাবকরা বলেন, বর্তমান প্রজন্মের শিক্ষার্থীরা নিজের তাজা প্রাণ দিয়ে দেশ পরিবর্তন করতে পারে সেটি দেখিয়েছে। শিক্ষার্থীরা রাস্তায় ট্রাফিকের দায়িত্ব পালন করছে তা ভালো কাজ। বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. তুহিন ওয়াদুদ বলেন, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে যারা নেতৃত্ব দিচ্ছে, অংশ নিয়েছিলো তারাই বাংলাদেশকে নতুন পথ দেখাচ্ছে। নতুন বাংলাদেশ গড়তে সাধারণ শিক্ষার্থীদের এমন কর্মকান্ডগুলো পথ দেখাবে আগামী নেতৃত্বকে।