০২:৩৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মুন্সিগঞ্জে প্রশাসন পরিচয়ে একরাতে একাধিক বাড়িতে নগদ অর্থ সহ স্বর্ণালংকার ডাকাতি ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ

সারাদেশ যখন গত একমাস নানা অন্যায় অবিচার এর বিরুদ্ধে ছাত্র জনতা প্রতিবাদ করে দেশকে একটি শৃঙ্খলার মাধ্যে আনতে চেষ্টা চালাচ্ছে।ঠিক তখন’ই একটি মহল নানা ভাবে দেশকে কলঙ্কিত করার জন্য চুরি,ডাকাতি,হামলা,ভাংচুর এর মতো অপকর্ম করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলার দুটি পরিবার থেকে।

 

শুক্রবার(৯আগষ্ট) রাত আনুমানিক দেড় টায় থেকে শুরু করে ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জেলেপাড়া,ইসমানিচর,গজারিয়া ইউনিয়নের কলসকান্দি গ্রাম সহ একাধিক বাড়িতে ডাকাতি হয় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল মাধ্যমে এমন অভিযোগ।

 

ইসমানিচর গ্রামের প্রবাসী হান্নান সরদার এর বাড়িতে প্রথম ডাকাতি করে।হান্নান সরদারের স্ত্রী মাহমুদা বেগম জানান,আমি রাতে মেয়ে ও ছোট ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বাড়ির গেইট ডাকাচ্ছে জিজ্ঞেস করলাম কে।তখন দরজা খুলতে রাজি না হলে দুর্বৃত্তরা জানায়,না খুললে আগুন জ্বালিয়ে দিবে ঘরে।দরজা খুললে দেখতে পাই পরিচিত চার,পাঁচ জন সহ মুখোশপরিহীত কয়েক জন।পরে আমাকে জিজ্ঞেস করে, আমার স্বামী কই?আমি জানাই ওনি বাসায় নেই।তার পরপর আমার বাসার আসবাবপত্র ভাংচুর সহ স্বামী বিদেশ যারে সে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় তারা।ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার মুন্সিগঞ্জ জেলা দ্বায়িতে থাকা সেনাবাহিনীর ফোন নাম্বারে বিষয় টি জানিয়েছে।হান্নান আরো জানায় তার বড় ভাই এর বৌ তার ভাবি এ ডাকাত দলকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে বাড়িতে ডাকাতি করার জন্য।

 

অপর দিকে একি রাতে গজারিয়া ইউনিয়নের কলসকান্দি গ্রামের জাকির মিয়ার বাড়িতে প্রশাসন পরিচয়ে ডাকাতি করে।সেখান থেকে ও নগদ অর্থ সহ স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।আর বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে ডাকাত দল। না গেলে বাড়িঘরে আগুন লাগানোর ও হুমকি দিয়েছে যায়।

 

জাকিরের ভাবি নাছরিন বেগম জানান,সকলের হাতে অস্ত্র সজ্জিত ছিল।রাতে সে স্বামী সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে ছিল।প্রশাসন এর পরিচয় দিয়ে দরজা খোলার পর তার দেবর জাকির কে খুজতে শুরু করে।জাকির কে বাড়ি না পেয়ে, নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বর্ণালংকার নগদ অর্থ নিয়ে যায়।

কাউকে চিনতে পাড়ছেন এমন প্রশ্নের যবাবে নাছরিন জানায়,হোসেন্দি ইউনিয়নের ইসমানিচর গ্রামের আতাউর,নিজাম,সংগ্রাম সহ আরো ৩০ এর অধিক  সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কিরণ জানান, মমিন মৃধা মুঠোফোনে হুমকি দিয়ে বলেন,তোমাদের বলেছিলাম ওদের বাড়ি ঘর ক্ষতি করিও না,তোমরা আমার কথা রাখলেনা,তরা চোখ উল্টিয়ে ফেলছত,ঠিক আছে আমরা ও চোখ উল্টিয়ে ফেলবো।উক্ত ডাকাতি ঘটনার মমিন মৃধা জড়িত থাকতে পারে।এ বিষয়ে মমিন মৃধার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান,বিষয় টি সম্পর্কে সে অবগত না।কেউ যদি এমন অভিযোগ করে সঠিক প্রমান না দিতে পারলে তার নামে মানহানীর সংবাদ সম্মেলন করবো।

উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আতাউর,নিজাম,সংগ্রাম

এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করলে সংগ্রামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়। তিনি জানায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলয়ের বর্ষবর্তী হইয়া তাদের কে গ্রাম ছাড়া করার জন্য আজকের এ ঘটনা।তিনি আরো জানায় তারা আওয়ামী লীগ দলের সঙ্গে জড়িত ছিল।শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পরপর তারাও এলাকা ছেড়ে চলে যায়।ঠিক তার পরের দিন সংগ্রামের বাড়ি ও তার আপন ২ চাচার বাড়ি ঘর সহ

ইলিয়াস মেম্বার,আতাউর,আলি হোসেন সাবেক মেম্বার

,আলম,জাকির,নিজুম,অপু,মফিজুল এর বাড়িঘর দোকানের মালামাল ভাংচুর সহ নগদ স্বর্ণলাকার লুট করে নিয়ে গেছে।এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেবার জন্য কতিপয় বিএনপি লোকজন তাদের নিজেদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা সাজিয়েছে।আর তারা যে সিসি ক্যামেরা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে আমাদের নামে মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে তা একদম ভিত্তিহীন।আমাদের এসে আপনারা দেখে যান আর ভিডিও ফুটেজ দেখুন।তারা কি করে আমাদের নাম বলে।আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করছে আমরা করলে তো তাদের বাড়িঘর ভাংচুর করতাম।

জনপ্রিয় সংবাদ

মুন্সিগঞ্জে প্রশাসন পরিচয়ে একরাতে একাধিক বাড়িতে নগদ অর্থ সহ স্বর্ণালংকার ডাকাতি ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ

আপডেট সময় : ১১:১১:০৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অগাস্ট ২০২৪

সারাদেশ যখন গত একমাস নানা অন্যায় অবিচার এর বিরুদ্ধে ছাত্র জনতা প্রতিবাদ করে দেশকে একটি শৃঙ্খলার মাধ্যে আনতে চেষ্টা চালাচ্ছে।ঠিক তখন’ই একটি মহল নানা ভাবে দেশকে কলঙ্কিত করার জন্য চুরি,ডাকাতি,হামলা,ভাংচুর এর মতো অপকর্ম করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় উপজেলার দুটি পরিবার থেকে।

 

শুক্রবার(৯আগষ্ট) রাত আনুমানিক দেড় টায় থেকে শুরু করে ভোররাত পর্যন্ত উপজেলার হোসেন্দী ইউনিয়নের জেলেপাড়া,ইসমানিচর,গজারিয়া ইউনিয়নের কলসকান্দি গ্রাম সহ একাধিক বাড়িতে ডাকাতি হয় সংঘবদ্ধ ডাকাত দল মাধ্যমে এমন অভিযোগ।

 

ইসমানিচর গ্রামের প্রবাসী হান্নান সরদার এর বাড়িতে প্রথম ডাকাতি করে।হান্নান সরদারের স্ত্রী মাহমুদা বেগম জানান,আমি রাতে মেয়ে ও ছোট ছেলেকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলাম। হঠাৎ বাড়ির গেইট ডাকাচ্ছে জিজ্ঞেস করলাম কে।তখন দরজা খুলতে রাজি না হলে দুর্বৃত্তরা জানায়,না খুললে আগুন জ্বালিয়ে দিবে ঘরে।দরজা খুললে দেখতে পাই পরিচিত চার,পাঁচ জন সহ মুখোশপরিহীত কয়েক জন।পরে আমাকে জিজ্ঞেস করে, আমার স্বামী কই?আমি জানাই ওনি বাসায় নেই।তার পরপর আমার বাসার আসবাবপত্র ভাংচুর সহ স্বামী বিদেশ যারে সে নগদ টাকা স্বর্ণালংকার নিয়ে যায় তারা।ঘটনার পর ভুক্তভোগী পরিবার মুন্সিগঞ্জ জেলা দ্বায়িতে থাকা সেনাবাহিনীর ফোন নাম্বারে বিষয় টি জানিয়েছে।হান্নান আরো জানায় তার বড় ভাই এর বৌ তার ভাবি এ ডাকাত দলকে তথ্য দিয়ে সাহায্য করেছে বাড়িতে ডাকাতি করার জন্য।

 

অপর দিকে একি রাতে গজারিয়া ইউনিয়নের কলসকান্দি গ্রামের জাকির মিয়ার বাড়িতে প্রশাসন পরিচয়ে ডাকাতি করে।সেখান থেকে ও নগদ অর্থ সহ স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।আর বাড়ি থেকে চলে যেতে বলে ডাকাত দল। না গেলে বাড়িঘরে আগুন লাগানোর ও হুমকি দিয়েছে যায়।

 

জাকিরের ভাবি নাছরিন বেগম জানান,সকলের হাতে অস্ত্র সজ্জিত ছিল।রাতে সে স্বামী সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে ছিল।প্রশাসন এর পরিচয় দিয়ে দরজা খোলার পর তার দেবর জাকির কে খুজতে শুরু করে।জাকির কে বাড়ি না পেয়ে, নানা ভয়ভীতি দেখিয়ে স্বর্ণালংকার নগদ অর্থ নিয়ে যায়।

কাউকে চিনতে পাড়ছেন এমন প্রশ্নের যবাবে নাছরিন জানায়,হোসেন্দি ইউনিয়নের ইসমানিচর গ্রামের আতাউর,নিজাম,সংগ্রাম সহ আরো ৩০ এর অধিক  সংঘবদ্ধ ডাকাত দল।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কিরণ জানান, মমিন মৃধা মুঠোফোনে হুমকি দিয়ে বলেন,তোমাদের বলেছিলাম ওদের বাড়ি ঘর ক্ষতি করিও না,তোমরা আমার কথা রাখলেনা,তরা চোখ উল্টিয়ে ফেলছত,ঠিক আছে আমরা ও চোখ উল্টিয়ে ফেলবো।উক্ত ডাকাতি ঘটনার মমিন মৃধা জড়িত থাকতে পারে।এ বিষয়ে মমিন মৃধার সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান,বিষয় টি সম্পর্কে সে অবগত না।কেউ যদি এমন অভিযোগ করে সঠিক প্রমান না দিতে পারলে তার নামে মানহানীর সংবাদ সম্মেলন করবো।

উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে আতাউর,নিজাম,সংগ্রাম

এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে চেষ্টা করলে সংগ্রামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ হয়। তিনি জানায় রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বলয়ের বর্ষবর্তী হইয়া তাদের কে গ্রাম ছাড়া করার জন্য আজকের এ ঘটনা।তিনি আরো জানায় তারা আওয়ামী লীগ দলের সঙ্গে জড়িত ছিল।শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছাড়ার পরপর তারাও এলাকা ছেড়ে চলে যায়।ঠিক তার পরের দিন সংগ্রামের বাড়ি ও তার আপন ২ চাচার বাড়ি ঘর সহ

ইলিয়াস মেম্বার,আতাউর,আলি হোসেন সাবেক মেম্বার

,আলম,জাকির,নিজুম,অপু,মফিজুল এর বাড়িঘর দোকানের মালামাল ভাংচুর সহ নগদ স্বর্ণলাকার লুট করে নিয়ে গেছে।এ ঘটনাকে ধামাচাপা দেবার জন্য কতিপয় বিএনপি লোকজন তাদের নিজেদের বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা সাজিয়েছে।আর তারা যে সিসি ক্যামেরা ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে আমাদের নামে মিথ্যা কথা ছড়িয়ে বেড়াচ্ছে তা একদম ভিত্তিহীন।আমাদের এসে আপনারা দেখে যান আর ভিডিও ফুটেজ দেখুন।তারা কি করে আমাদের নাম বলে।আমাদের বাড়িঘর ভাংচুর করছে আমরা করলে তো তাদের বাড়িঘর ভাংচুর করতাম।