মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে ডাকাতির চেষ্টা কালে দুই ডাকাতকে আটক করেছে স্থানীয় জনতা ও স্বেচ্ছাসেবী শিক্ষার্থী কর্মীরা। শনিবার রাত দুইটার সময় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বাউসিয়া আকিজ ইস্পাত শিল্প কারখানা সংলগ্ন কালো রঙের একটি মাইক্রোবাসে ডাকাতির চেষ্টায় আটক হয় দুই ডাকাত সদস্য।
ডাকাত শাহীন (৩৫), রানা( ৪০) এরা দুইজন ই উপজেলার দুই এলাকায় জনতার হাতে বন্দী রেয়েছে। আটককৃত ডাকাত শাহীন জানান সে গাজীপুর একটি এতিমখানায় বড় হয়। দুই মাস আগে থেকে মহাসড়ক সংলগ্ন বাউসিয়ায় মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন এর এক হোটেলে অবস্থান করে।
ডাকাতি কালে হাসান, ইসমাইল, ইমন, তুষার, সোহান ও রানাসহ তার সাথে ৮ জন ছিলেন বলে জানান যায়। ডাকাত শাহীনকে স্থানীয় জনতা ও শিক্ষার্থীরা মহাসড়ক সংলগ্ন মতলব সিএনজি পাম্প এলাকায় একটি গাছের সাথে বেঁধে রেখেছে। অপর ডাকাত সদস্য রানা কে ভবেরচর ইউনিয়ন আলিপুরা গ্রামে হাফিজ আইডিয়াল স্কুল এন্ড কলেজের কক্ষে আটক রেখেছে স্থানীয় জনতা।
ডাকাতি করা মাইক্রোবাসের চালক মনসুর আলী জানান কুমিল্লার শাসনগাছা থেকে ৬ জন যাত্রী নিয়ে ঢাকা ফার্মগেট যাত্রা করে । রাত দুইটার সময় গজারিয়ার বাউসিয়া এলাকায় ৮ থেকে ১০ জনের একটি ডাকাত চক্র গাড়ির গতিরোধ করে। গাড়ি থামানোর সাথে সাথে একজন ডাকাত আমাকে কোপ দেয়ার চেষ্টা করে। গাড়িতে থাকা ৬ জন যাত্রীর মধ্যে দুইজন পুরুষ ও চারজন মহিলা আছে। অপর ডাকাত সদস্যরা যাত্রীদের সাথে থাকা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায়।
ডাকাতদের আটক চেষ্টার সময়ে ঢাকা মুখি অপর একটি মাইক্রোবাসে থাকা শিক্ষার্থীরা আমাদের সাথে যোগ দেয়। তাদের সহযোগিতায় ডাকাত শাহীনক আটক করতে সক্ষম হয়। শুনেছি তাদের আরেকজন কে সেনাবাহিনী উপজেলার অন্য এক জায়গায় আটক করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় আটক রানা উপজেলার গোয়াগাছিয়া ইউনিয়ন নতুন চাষী গ্রামের আক্তার হোসেনের ছেলে। একই গ্রামের রয়েছে ডাকাত হাসান। অপরদিকে বাউশিয়া ইউনিয়ন পুরান গাউছিয়া গ্রামের রয়েছে একাধিক ডাকাত সদস্য। গজারিয়া থানায় জনগণের জানমাল নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ফোর্স কমান্ডার জিল্লুর রহমান জানান, ডাকাতের বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি। থানায় কার্যক্রম না থাকায় আটকৃত ডাকাত আমাদের হেফাজতে রাখার সুযোগ নেই।























