কক্সবাজারে কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে গত ৪ আগস্ট, আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের উপর আওয়ামী লীগ ছাত্রলীগ কর্তৃক সংঘর্ষ গুলি বর্ষণ কালে একজন নিহত হওয়ার ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতসহ ১৫০ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করেছে।
শুক্রবার (১৬ আগস্ট) দিবাগত রাতে কক্সববাজার সদর মডেল থানায় মামলাটি লিপিবদ্ধ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজার সদর মডেল থানার ওসি মো. রকিবুজ্জামান। তিনি জানান, কক্সসবাজার সদর মডেল থানার এসআই মো. সেলিম মিয়া বাদি হয়ে দায়ের করেন। মামলার নং-১১/২৪
পুলিশের দায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, এতে প্রধান আসামি করা হয়েছে কক্সবাজার জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শহরের বাহারছড়া এলাকার মৃত মোজাম্মেল হকের ছেলে শাহিনুল হক মার্শালকে। যদিও এজাহারে তার নাম লেখা হয়েছে মোহাম্মদ মার্শাল। ওই মামলায় দুই নম্বর আসামি মার্শালের অপর ভাই সাবেক সদর উপজেলা চেয়ারম্যান কায়সারুল হক জুয়েল। এজাহারে তার নাম লেখা হয়েছে জুয়েল আহমদ। এজাহারে উল্লেখিত অন্যান্য আসামিরা যথাক্রমে কক্সবাজার পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি হাসান তারেক, কক্সবাজার পৌরসভার মেয়র মাহাবু্ুবুর রহমান চৌধুরী, কক্সবাজার জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসাইন, সাধারণ সম্পাদক মারুফ আদনান, পৌরসভার প্যানেল মেয়র সালাউদ্দিন সেতু, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ইশতিয়াক আহমদ জয়, সাবেক সংসদ সদস্য ও হুইপ সাইমুম সরওয়ার কমল, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুজিবুর রহমান, জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি মাইন উদ্দিন, খুরুশকুল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শাহাজাহান সিদ্দিকী।
বৈষম্য বিরোধী কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে কক্সবাজারে গোলাগুলি সংঘর্ষ হত্যার এটি প্রথম মামলা বলে জানা যায়।























