গতকাল রবিবার (২৫ আগস্ট) স্থানীয় জনতা, বিএনপি কর্মী ও ওই স্কুলের প্রাক্তন সাধারন শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয়ের মাঠে অবস্থান করে বিক্ষোভ মিছিল করেন।
এ সময় স্হানীয় লোকজন ও অভিভাবকরা উপস্থিত ছিলেন। ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা আদায়, স্বেচ্ছাচারিতা, রাজনৈতিক প্রভাব খাটানোসহ নানা অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়।
উত্তেজিত জনতা প্রধান শিক্ষকের অফিস কক্ষে প্রবেশ করে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষককে নানাভাবে প্রশ্ন করে নাজেহাল করে। এ সময় ওই বিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র ও বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা দাবী করা মো: রিপন (২১) প্রধান শিক্ষকের কাছে বিদ্যালয়ের শিক্ষার মান নিয়ে জিজ্ঞেস করতে থাকে। উপস্থিত বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীরা, স্কুলের প্রাক্তন ছাত্রবৃন্দ, স্থানীয় লোকজন, কিছু সংখ্যক অভিভাবক অফিস কক্ষে হইচই করতে থাকে। তবে এক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করে একই গ্রামের অবঃপ্রাপ্ত সেনা সদস্য আক্কাজ ওরফে মবিন।
এ সময় উপস্থিত জনতা নানা স্লোগানে প্রধান শিক্ষকের পদত্যাগের দাবি জানান।
এ আন্দোলনের মূল সংগঠক প্রাক্তন শিক্ষার্থী রিপন (২১) জানায়, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক তার নিজের ইচ্ছায় প্রধান শিক্ষকের দ্বায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়েছে।
স্থানীয় বিএনপি কর্মী শফিক (৩৫) জানান, তিনি দীর্ঘ ৯ বছর যাবৎ ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসাবে ছিলেন। আজকের আন্দোলনে তিনি পদত্যাগ করতে বাধ্য হন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হাফিজুর রহমান হাফিজের ছেলে আলী রেজা (৩২) মুটোফোনে বলেন, বাবার শরীর ভাল না। বাবাকে অফিস কক্ষে ঢুকে তারা প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে জোরপূর্বক কাগজে স্বাক্ষর নেয়। বাবা শ্রীঘই ইউএনও স্যারের কাছে অভিযোগ দিবেন। তিনি আরো বলেন, যেখানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়করা কাউকে জোর করে পদত্যাগ করতে নিষেধ করছেন, অথচ আমার বাবার সাথে এমন অন্যায় মেনে নিতে পারছিনা।























