০১:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী সহকারী অধ্যক্ষের পদত্যাগ

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সোনারগাঁ সরকারি কলেজের দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু ও একই কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ তার সহধর্মিণী খন্দকার দিল আফরোজা।

রোববার বিকাল ৩টার দিকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেন নানা অভিযোগে অভিযুক্ত এই শিক্ষক ও শিক্ষিকা।

অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে গেল কয়েক দিন ধরেই ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন করে আসছে। রোববার সকাল থেকেই আন্দোলন প্রকট আকার ধারণ করে। ছাত্রছাত্রীরা অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে বিকাল ৩টার দিকে বাধ্য হয়ে অধ্যক্ষের পদ থেকে অব্যাহতি নেন আশরাফুজ্জামান অপু ও সহকারী অধ্যক্ষ তার সহধর্মিণী খন্দকার দিল আফরোজা।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ঐদিন কলেজের অফিস সহকারী সমালোচিত আরেক দূর্নীতিবাজ কর্মচারী জাহাঙ্গীর ক্যাম্পাস থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু ও তার সহধর্মিণী খন্দকার দিল আফরোজা আওয়ামী লীগপন্থি এবং তারা নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করে তাদেরকে আর এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখতে চান না বলেও জানায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রোববার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে ৮ দফা দাবি তুলে ধরে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শ্লোগান দিলে উত্তাল হয়ে উঠে কলেজ ক্যাম্পাস। শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে কলেজ চত্ত্বর।

অভিযোগ রয়েছে, দুর্নীতির বিষয়ে কোন শিক্ষার্থী যেন মুখ খূলতে না পারে সে জন্যে বিগত দিনে এলাকার বহিরাগত কিছু মাস্তান দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভিতি দেখানো হতো। লিখিতভাবে তুলে ধরা শিক্ষার্থীদের ৮ দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি নিয়ে ভর্তি ও ফরম ফিলাপ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকা কোন্ খাতে ব্যয় করা হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে জানিয়ে তা ফেরত দেয়া। ভবিষ্যতে কলেজের অফিসিয়াল কোন কাজের টাকা নেয়া যাবে না। নিলে তা রিসিটের মাধ্যমেই নিতে হবে।সার্টিফিকেট, রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, এডমিট কার্ড ও আইডি কার্ড নেয়া-দেয়ার ক্ষেত্রে টাকা লেনদেনের নিয়ম বাতিল করতে হবে। যেহেতু কলেজ সরকারীকরণ হয়েছে সেহেতু, বোর্ড পরীক্ষা ছাড়া কলেজে কোন পরীক্ষা হলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়ার নিয়ম বন্ধ করা। কলেজ ক্যাম্পাসে কোন ছাত্র রাজনীতি না রাখা।শিক্ষার্থীদের হয়রানী বন্ধ করতে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করে সে নির্ধারিত তারিখেই ক্লাশ ভিত্তিক ফলাফল ঘোষণা করা।

শিক্ষার্থীদের সকল দাবি মেনে অধ্যক্ষকে লিখিত জবাব দেয়া শিক্ষার্থীদের লিখিত ৮ দফা দাবি ছাড়াও মৌখিকভাবে আরও বেশ কিছু দাবি তোলে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের গ্রাহস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ও অধ্যক্ষের সহধর্মীনি দীল আফরোজ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে আসেন এবং শিক্ষার্থীদের কলেজ অধ্যক্ষের সাথে কথা বলার আহবান জানান। এতে শিক্ষার্থীরা অস্বীকৃতি জানায় এবং অধ্যক্ষকে নিজে মুক্তমঞ্চে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার আহবান জানিয়ে ১০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়, নয়তো ৮ দফা এক দফায় রূপ নিবে বলে হুশিয়ারী দেয় তারা। পরে শিক্ষার্থীদের বেঁধে দেয়া সময়ের ৮ মিনিটের মধ্যে কলেজ অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের মুক্ত মঞ্চে আসেন এবং শিক্ষার্থীদের সকল দাবি যৌক্তিক উল্লেখ করে বিনা শর্তে মেনে নেন এবং কিছু কিছু দাবির বিষয়ে তদন্ত করার সময় চান। প্রথমে শিক্ষার্থীরা রাজি না থাকলেও পরক্ষণে তা মেনে নেন এবং শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত কলেজ অধ্যক্ষের সাথে আলোচনায় বসেন। অধ্যক্ষের সাথে আলোচনার সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের গালাগাল করে এবং কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে কিছু বহিরাগতরা একাধিক বোমা বিষ্ফোরণ ঘটায়। এমন ঘটনায় শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের সামনেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং কোন আলোচনা হবেনা বলে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে দিতে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়। আন্দোলনের একপর্যায়ে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতা কলেজ ক্যাম্পাসে আসেন এবং ছাত্রদের দাবির সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে অধ্যক্ষের সাথে কথা বলেন। এমতাবস্থায় বিএনপি নেতাদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দিতে নেতারা অধ্যক্ষকে সিদ্ধান্ত নিতে ১০ মিনিট সময় বেঁধে দিয়ে অধ্যক্ষের কক্ষ ত্যাগ করেন।

এরমধ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বাইরে এসে অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু, তার স্ত্রী দীল আফরোজ, কেরানী জুয়েল এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের পদত্যাগ দাবিতে শ্লোগান দেয়।
পরবর্তীতে ছাত্র ও বিএনপি নেতারা কলেজ অধ্যক্ষকে ছাত্রদের তোলা দাবির বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করলে সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হয়ে সোনারগাঁ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ্য আশরাফুজ্জামান অপু ও তার সহধর্মীনি গ্রাহস্থ্য অর্থনীতি বিভাগে প্রধান দীল আফরোজ পদত্যাগ করতে বাধ্য হোন।

এসময় জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীব জানান, পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ার খবর পেয়ে তিনি কলেজে যান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে তাদের পদত্যাগের জন্য অনুরোধ করেন৷ পরে পদত্যাগপত্র জমা দিলে পরিস্থিতি অনুকূলে আসে বলেও জানান তিনি।

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ও তার স্ত্রী সহকারী অধ্যক্ষের পদত্যাগ

আপডেট সময় : ০৩:৪৯:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৪

শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পদ ছাড়তে বাধ্য হলেন নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের স্বনামধন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সোনারগাঁ সরকারি কলেজের দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু ও একই কলেজের সহকারী অধ্যক্ষ তার সহধর্মিণী খন্দকার দিল আফরোজা।

রোববার বিকাল ৩টার দিকে পদত্যাগপত্রে স্বাক্ষর করেন নানা অভিযোগে অভিযুক্ত এই শিক্ষক ও শিক্ষিকা।

অধ্যক্ষের পদত্যাগের দাবিতে গেল কয়েক দিন ধরেই ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন করে আসছে। রোববার সকাল থেকেই আন্দোলন প্রকট আকার ধারণ করে। ছাত্রছাত্রীরা অধ্যক্ষকে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে বিকাল ৩টার দিকে বাধ্য হয়ে অধ্যক্ষের পদ থেকে অব্যাহতি নেন আশরাফুজ্জামান অপু ও সহকারী অধ্যক্ষ তার সহধর্মিণী খন্দকার দিল আফরোজা।

এদিকে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মুখে ঐদিন কলেজের অফিস সহকারী সমালোচিত আরেক দূর্নীতিবাজ কর্মচারী জাহাঙ্গীর ক্যাম্পাস থেকে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু ও তার সহধর্মিণী খন্দকার দিল আফরোজা আওয়ামী লীগপন্থি এবং তারা নানা অনিয়ম-দুর্নীতিতে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ করে তাদেরকে আর এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দেখতে চান না বলেও জানায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

সকল অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে রোববার সকালে কলেজ ক্যাম্পাসে ৮ দফা দাবি তুলে ধরে শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন শ্লোগান দিলে উত্তাল হয়ে উঠে কলেজ ক্যাম্পাস। শ্লোগানে শ্লোগানে মুখরিত হয়ে উঠে কলেজ চত্ত্বর।

অভিযোগ রয়েছে, দুর্নীতির বিষয়ে কোন শিক্ষার্থী যেন মুখ খূলতে না পারে সে জন্যে বিগত দিনে এলাকার বহিরাগত কিছু মাস্তান দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয়-ভিতি দেখানো হতো। লিখিতভাবে তুলে ধরা শিক্ষার্থীদের ৮ দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, বোর্ড কর্তৃক নির্ধারিত ফি নিয়ে ভর্তি ও ফরম ফিলাপ করা এবং শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে নেয়া অতিরিক্ত টাকা কোন্ খাতে ব্যয় করা হয়েছে সুনির্দিষ্টভাবে জানিয়ে তা ফেরত দেয়া। ভবিষ্যতে কলেজের অফিসিয়াল কোন কাজের টাকা নেয়া যাবে না। নিলে তা রিসিটের মাধ্যমেই নিতে হবে।সার্টিফিকেট, রেজিষ্ট্রেশন কার্ড, এডমিট কার্ড ও আইডি কার্ড নেয়া-দেয়ার ক্ষেত্রে টাকা লেনদেনের নিয়ম বাতিল করতে হবে। যেহেতু কলেজ সরকারীকরণ হয়েছে সেহেতু, বোর্ড পরীক্ষা ছাড়া কলেজে কোন পরীক্ষা হলে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে কোন টাকা নেয়ার নিয়ম বন্ধ করা। কলেজ ক্যাম্পাসে কোন ছাত্র রাজনীতি না রাখা।শিক্ষার্থীদের হয়রানী বন্ধ করতে একাদশ ও দ্বাদশ শ্রেণীর পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট তারিখ নির্ধারণ করে সে নির্ধারিত তারিখেই ক্লাশ ভিত্তিক ফলাফল ঘোষণা করা।

শিক্ষার্থীদের সকল দাবি মেনে অধ্যক্ষকে লিখিত জবাব দেয়া শিক্ষার্থীদের লিখিত ৮ দফা দাবি ছাড়াও মৌখিকভাবে আরও বেশ কিছু দাবি তোলে শিক্ষার্থীরা। আন্দোলনের একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের সাথে অধ্যক্ষের পক্ষ থেকে প্রতিষ্ঠানের গ্রাহস্থ্য অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ও অধ্যক্ষের সহধর্মীনি দীল আফরোজ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলতে আসেন এবং শিক্ষার্থীদের কলেজ অধ্যক্ষের সাথে কথা বলার আহবান জানান। এতে শিক্ষার্থীরা অস্বীকৃতি জানায় এবং অধ্যক্ষকে নিজে মুক্তমঞ্চে এসে শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলার আহবান জানিয়ে ১০ মিনিট সময় বেঁধে দেয়, নয়তো ৮ দফা এক দফায় রূপ নিবে বলে হুশিয়ারী দেয় তারা। পরে শিক্ষার্থীদের বেঁধে দেয়া সময়ের ৮ মিনিটের মধ্যে কলেজ অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু অন্যান্য শিক্ষকদের সাথে নিয়ে কলেজ ক্যাম্পাসের মুক্ত মঞ্চে আসেন এবং শিক্ষার্থীদের সকল দাবি যৌক্তিক উল্লেখ করে বিনা শর্তে মেনে নেন এবং কিছু কিছু দাবির বিষয়ে তদন্ত করার সময় চান। প্রথমে শিক্ষার্থীরা রাজি না থাকলেও পরক্ষণে তা মেনে নেন এবং শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত কলেজ অধ্যক্ষের সাথে আলোচনায় বসেন। অধ্যক্ষের সাথে আলোচনার সময় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের গালাগাল করে এবং কলেজ ক্যাম্পাসের বাইরে কিছু বহিরাগতরা একাধিক বোমা বিষ্ফোরণ ঘটায়। এমন ঘটনায় শিক্ষার্থীরা অধ্যক্ষের সামনেই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং কোন আলোচনা হবেনা বলে বিভিন্ন শ্লোগান দিতে দিতে কক্ষ থেকে বেরিয়ে যায়। আন্দোলনের একপর্যায়ে স্থানীয় বিএনপি ও এর অঙ্গ সংগঠনের কয়েকজন নেতা কলেজ ক্যাম্পাসে আসেন এবং ছাত্রদের দাবির সাথে একাত্বতা প্রকাশ করে অধ্যক্ষের সাথে কথা বলেন। এমতাবস্থায় বিএনপি নেতাদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি সামাল দিতে নেতারা অধ্যক্ষকে সিদ্ধান্ত নিতে ১০ মিনিট সময় বেঁধে দিয়ে অধ্যক্ষের কক্ষ ত্যাগ করেন।

এরমধ্যে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বাইরে এসে অধ্যক্ষ আশরাফুজ্জামান অপু, তার স্ত্রী দীল আফরোজ, কেরানী জুয়েল এবং জাহাঙ্গীর হোসেনের পদত্যাগ দাবিতে শ্লোগান দেয়।
পরবর্তীতে ছাত্র ও বিএনপি নেতারা কলেজ অধ্যক্ষকে ছাত্রদের তোলা দাবির বিষয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন করলে সদুত্তর দিতে ব্যর্থ হয়ে সোনারগাঁ সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ্য আশরাফুজ্জামান অপু ও তার সহধর্মীনি গ্রাহস্থ্য অর্থনীতি বিভাগে প্রধান দীল আফরোজ পদত্যাগ করতে বাধ্য হোন।

এসময় জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীব জানান, পরিস্থিতি অস্থিতিশীল হওয়ার খবর পেয়ে তিনি কলেজে যান এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলে তাদের পদত্যাগের জন্য অনুরোধ করেন৷ পরে পদত্যাগপত্র জমা দিলে পরিস্থিতি অনুকূলে আসে বলেও জানান তিনি।