০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬, ৩০ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যৌন হয়রানির শিকার জবি শিক্ষার্থী

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী  বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস বরাবর একটি অভিযোগপত্রও জমা দিয়েছে।

 

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ আগষ্ট ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ছবি তুলে দেওয়ার কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনে নিয়ে যান অভিযুক্ত জাহিদ হাসান জনি। সেখানে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন সাথে যৌন হয়রানী করেন৷ এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য প্রস্তাব দেন জনি।

 

অভিযুক্ত জাহিদ হাসান জনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, জাহিদ হাসান জনি আমাকে ছবি তোলার কথা বলে সে আমার জুনিয়র হওয়ায় আমি রাজি হয়। সে বলে অবকাশ ভবনের ছবি ভালো আসে সেখানে গিয়ে কয়েকটি ছবি তোলার পরই অশালীন কথা বলা শুরু করে একপর্যায়ে আমার গায়ে হাত দেই আমি বার বার সরিয়ে দেওয়ার পরও আমার স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেই। আমি এমন অবস্থা দেখে সেখান থেকে চলে আসি সেও আমার সাথে সেখান থেকে নিচে আসে আমাকে ছবি এডিট করার কথা বলে শহীদ সাজিদ একাডেমিক বিল্ডিং এর নিচতলায় যায় তখন বিদুৎ চলে যাওয়ায় অন্ধকার হয়ে পরে আমি ফোনের টর্চলাইট অন করি সে লাইট অনকরতে বাধা দেই এবং সে সময়ও আমার স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেয়। ভুক্তভোগী এই শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির শাস্তি চেয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক হুমায়ুন কবির স্যার আমাকে ডেকেছেন।  আমি এর সঠিক বিচারের আশা করছি।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বন্ধু সাম্য বলেন, সে আমার বন্ধু আমাকে জানিয়েছেন যে ছবি তোলার নাম করে বিভিন্ন স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেন এবং কুপ্রস্তাব দেন।

 

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত জাহিদ হাসান জনিকে বার বার কল দেওয়া হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির চৌধুরীকে বারবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।

জনপ্রিয় সংবাদ

দেশজুড়ে এলপি গ্যাসের হাহাকার

যৌন হয়রানির শিকার জবি শিক্ষার্থী

আপডেট সময় : ০১:৫৯:০৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অগাস্ট ২০২৪

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) এক নারী শিক্ষার্থীকে যৌন হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী  বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগীত বিভাগের ২০১৯-২০২০ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিস বরাবর একটি অভিযোগপত্রও জমা দিয়েছে।

 

অভিযোগপত্র সূত্রে জানা গেছে, গত ২৮ আগষ্ট ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে ছবি তুলে দেওয়ার কথা বলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অবকাশ ভবনে নিয়ে যান অভিযুক্ত জাহিদ হাসান জনি। সেখানে নিয়ে কুরুচিপূর্ণ কথা বলেন সাথে যৌন হয়রানী করেন৷ এক পর্যায়ে ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে শারীরিক সম্পর্ক করার জন্য প্রস্তাব দেন জনি।

 

অভিযুক্ত জাহিদ হাসান জনি একই বিশ্ববিদ্যালয়ের মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী বলেন, জাহিদ হাসান জনি আমাকে ছবি তোলার কথা বলে সে আমার জুনিয়র হওয়ায় আমি রাজি হয়। সে বলে অবকাশ ভবনের ছবি ভালো আসে সেখানে গিয়ে কয়েকটি ছবি তোলার পরই অশালীন কথা বলা শুরু করে একপর্যায়ে আমার গায়ে হাত দেই আমি বার বার সরিয়ে দেওয়ার পরও আমার স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেই। আমি এমন অবস্থা দেখে সেখান থেকে চলে আসি সেও আমার সাথে সেখান থেকে নিচে আসে আমাকে ছবি এডিট করার কথা বলে শহীদ সাজিদ একাডেমিক বিল্ডিং এর নিচতলায় যায় তখন বিদুৎ চলে যাওয়ায় অন্ধকার হয়ে পরে আমি ফোনের টর্চলাইট অন করি সে লাইট অনকরতে বাধা দেই এবং সে সময়ও আমার স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেয়। ভুক্তভোগী এই শিক্ষার্থী যৌন হয়রানির শাস্তি চেয়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক হুমায়ুন কবির স্যার আমাকে ডেকেছেন।  আমি এর সঠিক বিচারের আশা করছি।

 

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর বন্ধু সাম্য বলেন, সে আমার বন্ধু আমাকে জানিয়েছেন যে ছবি তোলার নাম করে বিভিন্ন স্পর্শ কাতর স্থানে হাত দেন এবং কুপ্রস্তাব দেন।

 

এ বিষয়ে কথা বলতে অভিযুক্ত জাহিদ হাসান জনিকে বার বার কল দেওয়া হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

 

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হুমায়ুন কবির চৌধুরীকে বারবার ফোন দিলেও তিনি ফোন ধরেননি।