০৮:৫৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৪ জানুয়ারী ২০২৬, ২১ পৌষ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

উপাচার্য নিয়োগে ২ দিনের আলটিমেটাম চবি শিক্ষার্থীদের

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের তোপের মুখে পড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যরাও পদত্যাগ করেন। ঢাবি,জাবি,জবি ও রাবিসহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলেও এখনও উপাচার্যের মুখ দেখেনি নৈসর্গিক সৌন্দর্য বৃহৎ আয়তনের এই ক্যাম্পাস। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে ২ দিনের আলটিমেটাম দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

এ সময়ে শিক্ষার্থীদেরকে ‘এক দফা এক দাবি, ভিসি মোদের কখন দিবি?,’ আর না আর না, পা চাটা ভিসি না, ‘শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য, ভিসি হবে দক্ষ’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

উপাচার্যহীন ক্যাম্পাসে চলছেনা কোন শিক্ষাকার্যক্রম। শিক্ষার্থীরা পড়ে যাচ্ছে সেশন জটে। স্থবিরতা দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক সবধরনের কার্যক্রমে।

অবস্থান কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় রাসেল আহমেদ বলেন, আমরা স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পা চাটা ভিসিকে পদত্যাগে বাধ্য করি। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা সেশনজটে পড়তে যাচ্ছে। যার কারণে আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্বতী সরকার আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। আমরা এমন একজন ভিসি চাই, যিনি শিক্ষা বান্ধব, শিক্ষার্থী বান্ধব এবং গবেষণা বান্ধব হবেন। আমরা এমন একজন ভিসি চাই যিনি শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিবেন, সুখ দুঃখের সাথী হবেন এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যায়কে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলবেন। আমরা দুই দিনের আল্টিমেটাম দিলাম। এ সময়ের মধ্যে ভিসি নিয়োগ না দিলে আমরা কঠোর অবস্থানে যাব।

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুরে সেনাবাহিনীর শীতবস্ত্র বিতরণ

উপাচার্য নিয়োগে ২ দিনের আলটিমেটাম চবি শিক্ষার্থীদের

আপডেট সময় : ১২:২৮:২২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের তোপের মুখে পড়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যরাও পদত্যাগ করেন। ঢাবি,জাবি,জবি ও রাবিসহ অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে উপাচার্য নিয়োগ দেওয়া হলেও এখনও উপাচার্যের মুখ দেখেনি নৈসর্গিক সৌন্দর্য বৃহৎ আয়তনের এই ক্যাম্পাস। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উপাচার্য নিয়োগের বিষয়ে ২ দিনের আলটিমেটাম দিয়ে অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (৮ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন।

এ সময়ে শিক্ষার্থীদেরকে ‘এক দফা এক দাবি, ভিসি মোদের কখন দিবি?,’ আর না আর না, পা চাটা ভিসি না, ‘শিক্ষার্থীদের লক্ষ্য, ভিসি হবে দক্ষ’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে দেখা যায়।

উপাচার্যহীন ক্যাম্পাসে চলছেনা কোন শিক্ষাকার্যক্রম। শিক্ষার্থীরা পড়ে যাচ্ছে সেশন জটে। স্থবিরতা দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক সবধরনের কার্যক্রমে।

অবস্থান কর্মসূচিতে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সমন্বয় রাসেল আহমেদ বলেন, আমরা স্বৈরাচারী শেখ হাসিনার পতনের পর আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পা চাটা ভিসিকে পদত্যাগে বাধ্য করি। এরপর থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ফলে শিক্ষার্থীরা সেশনজটে পড়তে যাচ্ছে। যার কারণে আমরা অবস্থান কর্মসূচি পালন করছি। যাতে দ্রুত সময়ের মধ্যে অন্তর্বতী সরকার আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভিসি নিয়োগ দিবেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। আমরা এমন একজন ভিসি চাই, যিনি শিক্ষা বান্ধব, শিক্ষার্থী বান্ধব এবং গবেষণা বান্ধব হবেন। আমরা এমন একজন ভিসি চাই যিনি শিক্ষার্থীদের খোঁজ খবর নিবেন, সুখ দুঃখের সাথী হবেন এবং আমাদের বিশ্ববিদ্যায়কে বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে গড়ে তুলবেন। আমরা দুই দিনের আল্টিমেটাম দিলাম। এ সময়ের মধ্যে ভিসি নিয়োগ না দিলে আমরা কঠোর অবস্থানে যাব।