১১:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

দলের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করলে গ্রেপ্তারের হুমকি 

দলীর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি-ত্রাস সৃষ্টি করলে আইনের আওতায় আনার হুমকি দিয়েছেন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বিএনপি নেতা ও সাবেক মেয়র আজিজুল ইসলাম পিকুল।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে নেতাকর্মীদের এসব বিষয়ে সতর্ক করেন বিএনপি নেতা পিকুল।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, আমার নাম বা দলীয় নাম ব্যবহার করে মাদক,ইয়াবা, জুয়া, চাঁদাবাজি ও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা হলে তাদের আটক করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন। প্রয়োজনে তাদের গ্রেপ্তারে আমার সহযোগিতা থাকবে। এসব ক্ষেত্রে কোন ছাড় নেই।
এসব বিষয়ে পিকুল সবুজ বাংলাকে বলেন, সরকারের পতনের পর একদল দুর্বৃত্ত বিভিন্ন মন্দির ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা শুরু করে, তখনই আমরা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রাতভর মন্দির পাহারা দিয়েছি। একইসঙ্গে বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ড বিএনপি নেতাকর্মীদেরও সংখ্যালঘুদের দিকে নজর রাখার কথা বলেছি। ইদানীং বিভিন্ন দিক থেকে খবর পাচ্ছি আমার নাম ও দলীয় ব্যানার ব্যবহার করে অনেকেই সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। আমরা এগুলো শক্ত হাতে দমন করবো।
পিকুল আরও বলেন, ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার দ্বারা আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর পর স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে পেরেছি। কিন্তু আমাদের এই বিজয়কে একটি চক্র কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলো না। এখন তারা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে জনতার বিজয়কে ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতে চক্রান্ত শুরু করেছে। আমরা তাদের চক্রান্ত কোনোভাবেই সফল হতে দিবো না। আমরা রাজপথে ছিলাম, এখনও আছি।
প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার অবিস্মরণীয় এক অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। তবে এর একদিন আগেও ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ছিলো একধরনের চাপা আতঙ্ক। তবে এরমধ্যেও উপজেলার সাবেক পৌর মেয়র আজিজুল ইসলাম পিকুলের নেতৃত্বে নান্দাইলের রাজপথ ছিলো ছাত্র-জনতার দখলেই। যদিও নেতা-কর্মীরদের নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করায় দুই মামলায় হয়েছেন ১ নম্বার আসামী, এরপরও ঘন্টার জন্যও রাজপথ ছাড়েননি উপজেলা বিএনপির এই দুর্দিনের কান্ডারী।
জনপ্রিয় সংবাদ

দলের নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি করলে গ্রেপ্তারের হুমকি 

আপডেট সময় : ০৬:২১:১৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪
দলীর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি-ত্রাস সৃষ্টি করলে আইনের আওতায় আনার হুমকি দিয়েছেন ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলার বিএনপি নেতা ও সাবেক মেয়র আজিজুল ইসলাম পিকুল।
রোববার (৮ সেপ্টেম্বর) সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে নেতাকর্মীদের এসব বিষয়ে সতর্ক করেন বিএনপি নেতা পিকুল।
ফেসবুক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, আমার নাম বা দলীয় নাম ব্যবহার করে মাদক,ইয়াবা, জুয়া, চাঁদাবাজি ও এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করা হলে তাদের আটক করে আইনের হাতে সোপর্দ করুন। প্রয়োজনে তাদের গ্রেপ্তারে আমার সহযোগিতা থাকবে। এসব ক্ষেত্রে কোন ছাড় নেই।
এসব বিষয়ে পিকুল সবুজ বাংলাকে বলেন, সরকারের পতনের পর একদল দুর্বৃত্ত বিভিন্ন মন্দির ও সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা শুরু করে, তখনই আমরা দলীয় নেতাকর্মীদের নিয়ে রাতভর মন্দির পাহারা দিয়েছি। একইসঙ্গে বিভিন্ন ইউনিয়ন-ওয়ার্ড বিএনপি নেতাকর্মীদেরও সংখ্যালঘুদের দিকে নজর রাখার কথা বলেছি। ইদানীং বিভিন্ন দিক থেকে খবর পাচ্ছি আমার নাম ও দলীয় ব্যানার ব্যবহার করে অনেকেই সুযোগ-সুবিধা নিচ্ছেন এবং এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। আমরা এগুলো শক্ত হাতে দমন করবো।
পিকুল আরও বলেন, ছাত্র জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টার দ্বারা আমরা দীর্ঘ ১৬ বছর পর স্বৈরাচারের হাত থেকে দেশকে মুক্ত করতে পেরেছি। কিন্তু আমাদের এই বিজয়কে একটি চক্র কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলো না। এখন তারা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করে জনতার বিজয়কে ভিন্ন খাতে নিয়ে যেতে চক্রান্ত শুরু করেছে। আমরা তাদের চক্রান্ত কোনোভাবেই সফল হতে দিবো না। আমরা রাজপথে ছিলাম, এখনও আছি।
প্রসঙ্গত, ছাত্র-জনতার অবিস্মরণীয় এক অভ্যুত্থানে ফ্যাসিবাদী শেখ হাসিনা সরকারের পতন হয়। তবে এর একদিন আগেও ময়মনসিংহের নান্দাইল উপজেলায় ছিলো একধরনের চাপা আতঙ্ক। তবে এরমধ্যেও উপজেলার সাবেক পৌর মেয়র আজিজুল ইসলাম পিকুলের নেতৃত্বে নান্দাইলের রাজপথ ছিলো ছাত্র-জনতার দখলেই। যদিও নেতা-কর্মীরদের নিয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ গ্রহণ করায় দুই মামলায় হয়েছেন ১ নম্বার আসামী, এরপরও ঘন্টার জন্যও রাজপথ ছাড়েননি উপজেলা বিএনপির এই দুর্দিনের কান্ডারী।