০৫:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পাহাড় ধসে ভেঙে গেছে বৌদ্ধ মন্দিরে আশ্রম

খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রেহাই পায়নি বৌদ্ধ মন্দিরটি।
খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ১ নং সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পুরঞ্জয় মহাজন পাড়ার গৌতম বৌদ্ধ বিহারের আওতাধীন নিরঞ্জয় অনাথালয় ছাত্রাবাসটি পাহাড় ধসে পড়ে চেঙ্গী নদীতে বিলিন হয়ে গেছে।
নিরঞ্জয় অনাথালয়ের সপ্তম শ্রেণি শিক্ষার্থী সুমেন চাকমা বলেছেন, আমরা যেখানে থাকি সে ঘর ভেঙ্গে গেছে আমরা এখন গৌতম বৌদ্ধ বিহারের ছোট একটা দেশনা ঘরে থাকি।
পহেলী চাকমা ২য় শ্রেণি পড়ে মেয়েটি বলেছেন, দুই বছর যাবত ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করেছি এখন থাকার ঘর নেই, পড়ালেখাও হয় না।
সবুজ বাংলার প্রতিনিধি হলাপ্রুসাই মারমা সরেজমিনে দেখতে গিয়ে জানা গেছে, পুরঞ্জয় মহাজন পাড়ার গৌতম বৌদ্ধ বিহারে নিরঞ্জয় অনাথালয়টি ১৬ মার্চ ১৯৯৩ সালে চালু করেছেন। প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়া যাবে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকার পিতা মাতাহীন এতিম ছেলে মেয়ে এই আশ্রয় স্থল এটি। বর্তমানে আশ্রমে থেকে ৩১ জন ছেলে মেয়ে পড়াশোনা করছে।
সমাজ সেবক ও মহালছড়ি ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ খীসা বলেছেন, অনাথালয় ছাত্রবাসটি পাহাড় ধসে ভেঙ্গে গেছে এখন ছাত্ররা কোথায় থাকবে, কিভাবে পড়াশোনা করবে, সরকার যদি সাহায্য সহিযোগিতা করেন তাহলে শিক্ষার্থীরা উপকার হবে।
গৌতম বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি তৃপ্তিকর চাকমা বলেছেন, গত শুক্রবার দুপুর ১ টার দিকে ছাত্রাবাসসহ জায়গাটি ধসে পরেগেছে। এখন ছাত্রদেরকে এই অবস্থায় রাখতে পারছি না, আপাদত বিহারে ফ্লোরে রাখছি তাদেরকে। বতর্মান সরকার ও প্রশাসনের কাছে দাবি করছি অতি শ্রীঘই নতুন ছাত্রবাস নির্মাণ করে দেয় তাহলে এই আশ্রমে আমরা ছাত্রদেরকে রাখতে পারবো।
পুরঞ্জয় মহাজন পাড়ার গৌতম বৌদ্ধ বিহারে বিহারাধ্যক্ষ ও নিরঞ্জয় অনাথালয়ের পরিচালক প্রজ্ঞ্যা জ্যোতি মহাথেরো বলেছেন, ছাত্রাবাস টিসহ বিহারে সীমানা প্রাচীন ৬শ থেকে ৭শ ফুট পাহাড় ধসে ভেঙ্গে পড়েছে। ধসে পড়ার কারণে ক্লাস বন্ধ রেখেছি। নিরঞ্জয় অনাথালয় চালু রাখার জন্য সরকার থেকে সাহায্য সহযোগিতা কামনা করছি।

জনপ্রিয় সংবাদ

পাহাড় ধসে ভেঙে গেছে বৌদ্ধ মন্দিরে আশ্রম

আপডেট সময় : ০১:৫৮:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৪

খাগড়াছড়িতে টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে রেহাই পায়নি বৌদ্ধ মন্দিরটি।
খাগড়াছড়ি জেলার মহালছড়ি উপজেলার ১ নং সদর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ডের পুরঞ্জয় মহাজন পাড়ার গৌতম বৌদ্ধ বিহারের আওতাধীন নিরঞ্জয় অনাথালয় ছাত্রাবাসটি পাহাড় ধসে পড়ে চেঙ্গী নদীতে বিলিন হয়ে গেছে।
নিরঞ্জয় অনাথালয়ের সপ্তম শ্রেণি শিক্ষার্থী সুমেন চাকমা বলেছেন, আমরা যেখানে থাকি সে ঘর ভেঙ্গে গেছে আমরা এখন গৌতম বৌদ্ধ বিহারের ছোট একটা দেশনা ঘরে থাকি।
পহেলী চাকমা ২য় শ্রেণি পড়ে মেয়েটি বলেছেন, দুই বছর যাবত ছাত্রাবাসে থেকে পড়াশোনা করেছি এখন থাকার ঘর নেই, পড়ালেখাও হয় না।
সবুজ বাংলার প্রতিনিধি হলাপ্রুসাই মারমা সরেজমিনে দেখতে গিয়ে জানা গেছে, পুরঞ্জয় মহাজন পাড়ার গৌতম বৌদ্ধ বিহারে নিরঞ্জয় অনাথালয়টি ১৬ মার্চ ১৯৯৩ সালে চালু করেছেন। প্রথম শ্রেণি থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়া যাবে এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার বিভিন্ন এলাকার পিতা মাতাহীন এতিম ছেলে মেয়ে এই আশ্রয় স্থল এটি। বর্তমানে আশ্রমে থেকে ৩১ জন ছেলে মেয়ে পড়াশোনা করছে।
সমাজ সেবক ও মহালছড়ি ইউপি সাবেক চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ খীসা বলেছেন, অনাথালয় ছাত্রবাসটি পাহাড় ধসে ভেঙ্গে গেছে এখন ছাত্ররা কোথায় থাকবে, কিভাবে পড়াশোনা করবে, সরকার যদি সাহায্য সহিযোগিতা করেন তাহলে শিক্ষার্থীরা উপকার হবে।
গৌতম বৌদ্ধ বিহারের সভাপতি তৃপ্তিকর চাকমা বলেছেন, গত শুক্রবার দুপুর ১ টার দিকে ছাত্রাবাসসহ জায়গাটি ধসে পরেগেছে। এখন ছাত্রদেরকে এই অবস্থায় রাখতে পারছি না, আপাদত বিহারে ফ্লোরে রাখছি তাদেরকে। বতর্মান সরকার ও প্রশাসনের কাছে দাবি করছি অতি শ্রীঘই নতুন ছাত্রবাস নির্মাণ করে দেয় তাহলে এই আশ্রমে আমরা ছাত্রদেরকে রাখতে পারবো।
পুরঞ্জয় মহাজন পাড়ার গৌতম বৌদ্ধ বিহারে বিহারাধ্যক্ষ ও নিরঞ্জয় অনাথালয়ের পরিচালক প্রজ্ঞ্যা জ্যোতি মহাথেরো বলেছেন, ছাত্রাবাস টিসহ বিহারে সীমানা প্রাচীন ৬শ থেকে ৭শ ফুট পাহাড় ধসে ভেঙ্গে পড়েছে। ধসে পড়ার কারণে ক্লাস বন্ধ রেখেছি। নিরঞ্জয় অনাথালয় চালু রাখার জন্য সরকার থেকে সাহায্য সহযোগিতা কামনা করছি।