০৮:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চবি ছাত্রলীগ ক্যাডারকে বাঁচাতে ছোট ভাই ছাত্রদলের শীর্ষ নেতা

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও ছাত্রলীগের উপগ্রুপ বাংলার মুখের প্রধান ক্যাডার আবু বকর ত্বহাকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তার বিরুদ্ধে মারধরের উসকানি, অতীতে হল দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ত্বহাকে বাঁচাতে দলবলসহ ছুটে আসেন ত্বহার ছোট ভাই শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন।
শিক্ষার্থীরা ত্বহার বিরুদ্ধে গত ১৪ জুলাই আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ আনেন। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন প্রক্টর। তাদের বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রহরী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, আমি এখানে এসেছি শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলতে। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কিংবা ভাইকে বাঁচানোর জন্য না। শিক্ষার্থীরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে এসেছে তাই আমার এখানে আসা। আগামীতে কোন শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে আনা হলে আমি আবার আসবো শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয় মোহাম্মদ আলী বলেন,অভিযুক্ত ত্বোহা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের উচ্চমান সহকারী হিসাবে কর্মক্ষেত্রে যোগদানের জন্য আজকে প্রশাসনিক ভবনে এসেছিলেন। এসময় তাকে আমরা ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি।মূলত সে গত ১৪ জুলাই জিরো পয়েন্ট এলাকায় শিক্ষার্থী হামলার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল। সেই সাথে তিনি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলার মুখ বগির লিডার ছিলেন।
নাট্যকলা বিভাগের ১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী রিজাউর রহমান বলেন,অভিযুক্ত ত্বোহা ১৪ জুলাই রাতে জিরো পয়েন্ট এলাকায় ২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী সুমনকে হামলার সাথে সরাসরি জড়িত ছিল। এরই প্রেক্ষিতে আমরা তাকে প্রক্টর আফিসে নিয়ে আসি এবং পরবর্তীতে তার বাবার থেকে মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রক্টর অধ্যাপক ড.তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত তোহাকে  আমার অফিসে নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দাখিল করতে পারেনি। শিক্ষার্থীরা  শুধুমাত্র মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে। যার কারণে আমি তার বাবার কাছ থেকে মুচলেখা নিয়ে তাকে  ছেড়ে দিয়েছি।
জনপ্রিয় সংবাদ

চবি ছাত্রলীগ ক্যাডারকে বাঁচাতে ছোট ভাই ছাত্রদলের শীর্ষ নেতা

আপডেট সময় : ০৭:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৪
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও ছাত্রলীগের উপগ্রুপ বাংলার মুখের প্রধান ক্যাডার আবু বকর ত্বহাকে ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে যান সাধারণ শিক্ষার্থীরা। তার বিরুদ্ধে মারধরের উসকানি, অতীতে হল দখল, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ করে শিক্ষার্থীরা।
সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অফিসে এ ঘটনা ঘটে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে ত্বহাকে বাঁচাতে দলবলসহ ছুটে আসেন ত্বহার ছোট ভাই শাখা ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন।
শিক্ষার্থীরা ত্বহার বিরুদ্ধে গত ১৪ জুলাই আন্দোলনকারীদের মারধরের অভিযোগ আনেন। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় মুচলেকা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেন প্রক্টর। তাদের বাবা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা দপ্তরের প্রহরী মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম।
ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ ইয়াসিন বলেন, আমি এখানে এসেছি শিক্ষার্থীদের পক্ষে কথা বলতে। ছাত্রদলের পক্ষ থেকে কিংবা ভাইকে বাঁচানোর জন্য না। শিক্ষার্থীরা তাকে প্রক্টর অফিসে নিয়ে এসেছে তাই আমার এখানে আসা। আগামীতে কোন শিক্ষার্থীকে প্রক্টর অফিসে আনা হলে আমি আবার আসবো শিক্ষার্থীদের পক্ষ থেকে।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয় মোহাম্মদ আলী বলেন,অভিযুক্ত ত্বোহা ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের উচ্চমান সহকারী হিসাবে কর্মক্ষেত্রে যোগদানের জন্য আজকে প্রশাসনিক ভবনে এসেছিলেন। এসময় তাকে আমরা ধরে প্রক্টর অফিসে নিয়ে আসি।মূলত সে গত ১৪ জুলাই জিরো পয়েন্ট এলাকায় শিক্ষার্থী হামলার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ছিল। সেই সাথে তিনি ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও বাংলার মুখ বগির লিডার ছিলেন।
নাট্যকলা বিভাগের ১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী রিজাউর রহমান বলেন,অভিযুক্ত ত্বোহা ১৪ জুলাই রাতে জিরো পয়েন্ট এলাকায় ২২-২৩ সেশনের শিক্ষার্থী সুমনকে হামলার সাথে সরাসরি জড়িত ছিল। এরই প্রেক্ষিতে আমরা তাকে প্রক্টর আফিসে নিয়ে আসি এবং পরবর্তীতে তার বাবার থেকে মুচলেখা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।
প্রক্টর অধ্যাপক ড.তানভীর মোহাম্মদ হায়দার আরিফ বলেন, শিক্ষার্থীরা অভিযুক্ত তোহাকে  আমার অফিসে নিয়ে আসে। তার বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ দাখিল করতে পারেনি। শিক্ষার্থীরা  শুধুমাত্র মৌখিক অভিযোগ দিয়েছে। যার কারণে আমি তার বাবার কাছ থেকে মুচলেখা নিয়ে তাকে  ছেড়ে দিয়েছি।