০৯:৩১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ত্রিশালে গ্যারেজ মালিককে বেঁধে দুইটি সিএনজি ছিনতাই

ময়মনসিংহের ত্রিশালে পৌর শহরের একটি গ্যারেজের গেইটের তালা ভেঙ্গে মালিককে বেঁধে রাতের অন্ধকারে দুটি সিএনজি চালিত অটো রিক্সা ছিনতাই এর ঘটনা ঘটেছে। সিএনজি দুটির আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকা।
স্থানীয়রা গ্যারেজ মালিক হুমায়ুন কবির বাবুলকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
 গতকাল (৬ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার সকালে পৌরসভার ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের পশু হাসপাতাল রোডের নতুন কুঁড়ি স্কুল সংলগ্ন স্থানে ভাই ভাই অটো হাউজ নামক একটি গ্যারেজে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ভাড়াটিয়া সুরুজ মিয়া জানান, ভোরে আমার সহধর্মিনী রাশেদা খাতুন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গ্যারেজের ভিতরে কান্নার শব্দ পান। পরে সে বাসায় গিয়ে আমাকে বিষয়টি অবগত করলে স্থানীয় লোকদের সহযোগিতায় গ্যারেজ মালিককে হাত ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করি। গ্যারেজ মালিক হুমায়ুন কবির বাবুলের ছেলে তাওহীদ বলেন, আমার বাবা প্রতিদিন গ্যারেজের সাথে একটি রুমে থাকতো। গ্যারেজ গেইটের তালা ভেঙ্গে বাবাকে বেঁধে দুটি সিএনজি নিয়ে যান। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ত্রিশাল থানা পুলিশ। ত্রিশাল থানার এস আই দেবলাল সরকার বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর আয়োজনে তিতুমীর কলেজে সরস্বতী পূজা উদযাপন

ত্রিশালে গ্যারেজ মালিককে বেঁধে দুইটি সিএনজি ছিনতাই

আপডেট সময় : ০৫:০৪:৪৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
ময়মনসিংহের ত্রিশালে পৌর শহরের একটি গ্যারেজের গেইটের তালা ভেঙ্গে মালিককে বেঁধে রাতের অন্ধকারে দুটি সিএনজি চালিত অটো রিক্সা ছিনতাই এর ঘটনা ঘটেছে। সিএনজি দুটির আনুমানিক মূল্য ১০ লাখ টাকা।
স্থানীয়রা গ্যারেজ মালিক হুমায়ুন কবির বাবুলকে অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। বর্তমানে তিনি ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
 গতকাল (৬ ফেব্রুয়ারি) বৃহস্পতিবার সকালে পৌরসভার ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের পশু হাসপাতাল রোডের নতুন কুঁড়ি স্কুল সংলগ্ন স্থানে ভাই ভাই অটো হাউজ নামক একটি গ্যারেজে এই ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় ভাড়াটিয়া সুরুজ মিয়া জানান, ভোরে আমার সহধর্মিনী রাশেদা খাতুন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় গ্যারেজের ভিতরে কান্নার শব্দ পান। পরে সে বাসায় গিয়ে আমাকে বিষয়টি অবগত করলে স্থানীয় লোকদের সহযোগিতায় গ্যারেজ মালিককে হাত ও মুখ বাঁধা অবস্থায় উদ্ধার করি। গ্যারেজ মালিক হুমায়ুন কবির বাবুলের ছেলে তাওহীদ বলেন, আমার বাবা প্রতিদিন গ্যারেজের সাথে একটি রুমে থাকতো। গ্যারেজ গেইটের তালা ভেঙ্গে বাবাকে বেঁধে দুটি সিএনজি নিয়ে যান। তার অবস্থা খুবই আশঙ্কাজনক।
ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ত্রিশাল থানা পুলিশ। ত্রিশাল থানার এস আই দেবলাল সরকার বলেন, আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে আইনানুক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।