০৩:২০ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১০ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লক্ষ্মীপুরে চার আ.লীগ নেতার বাড়িতে ফের ভাঙচুর-আগুন

লক্ষ্মীপুরে উত্তেজিত ছাত্র-জনতা ৪ আঃলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতার বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর ও আগুন দিয়েছে। এর মধ্যে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাসের বহুতল ভবন ভাংচুর, লুটপাট ও আগুন জালিয়ে দেয়। শহরের উত্তর তেমুহনী থেকে মিছিল নিয়ে এসে হাতুড়ি ও হ্যামার দিয়ে ভাংচুর শুরু করে। গভীর রাত পর্যন্ত দলবদ্ধ হয়ে আলাদা ভাংচুর চলছিল। এর মধ্যে লোটাসের ভবন ছাড়া অন্য নেতাদের ভবনগুলোতে গত বছরের ৪, ৫, ৬ আগস্ট দফায় দফায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় মালামাল লুটে নেয় উত্তেজিতরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভংচুরের ঘটনা দেখতে উৎসুক জনতা বাড়িগুলোর আশপাশে ভিড় জমিয়েছে। ‘শেখ হাসিনার আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘শেখ হাসিনার ঠিকানা, এ বাংলায় হবে না’- এমন বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে ভাংগনে অংশ নেয় তারা। অন্যদিকে বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় চকবাজার থেকে উত্তর স্টেশন সড়ক বন্ধ রয়েছে। এতে বাজারে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিপরীত সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক আছে। এছাড়া বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটির তার ছিঁড়ে পড়েছে। এ ঘটনার আগেই বাজারের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৪ আগস্ট একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু নেতাকর্মীদের নিয়ে বাসার ছাদ থেকে প্রায় ৪ ঘন্টা গুলি করে। তার গুলি শেষ হওয়ার পর ওইদিন বিকালে ছাত্র-জনতা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়, ভাংচুর চালায়। টিপুসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের গুলিতে ওইদিন ৪ শিক্ষার্থী নিহত হয়। এছাড়া তমিজ মার্কেট এলাকায় গণপিটুনি ও আগুনে আরও ৮ জন মারা যান। তারা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা ও টিপুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিজয় র‍্যালি থেকে দ্বিতীয়বার আগুন দেয় ছাত্র-জনতা। টিপু লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু তাহেরের মেঝ ছেলে ও সাবেক যুবলীগের সভাপতি। এ ছাড়া চরশাহীর রিয়াজ সহ ছাত্রলীগ, যুবলীগের আরো ২ বাড়ীতে হামলা ভাংচুর এবং আগুনের খবর পাওয়া গেছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর আয়োজনে তিতুমীর কলেজে সরস্বতী পূজা উদযাপন

লক্ষ্মীপুরে চার আ.লীগ নেতার বাড়িতে ফের ভাঙচুর-আগুন

আপডেট সময় : ০৬:৪৪:৪৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

লক্ষ্মীপুরে উত্তেজিত ছাত্র-জনতা ৪ আঃলীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতার বাড়ীতে হামলা, ভাংচুর ও আগুন দিয়েছে। এর মধ্যে লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সাবেক এমপি ও জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক নুর উদ্দিন চৌধুরী নয়ন, জেলা যুবলীগের সাবেক সভাপতি এ কে এম সালাহ উদ্দিন টিপু, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি চৌধুরী মাহমুদুন্নবী সোহেল ও সাধারণ সম্পাদক রাকিব হোসেন লোটাসের বহুতল ভবন ভাংচুর, লুটপাট ও আগুন জালিয়ে দেয়। শহরের উত্তর তেমুহনী থেকে মিছিল নিয়ে এসে হাতুড়ি ও হ্যামার দিয়ে ভাংচুর শুরু করে। গভীর রাত পর্যন্ত দলবদ্ধ হয়ে আলাদা ভাংচুর চলছিল। এর মধ্যে লোটাসের ভবন ছাড়া অন্য নেতাদের ভবনগুলোতে গত বছরের ৪, ৫, ৬ আগস্ট দফায় দফায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় মালামাল লুটে নেয় উত্তেজিতরা।

সরেজমিনে দেখা গেছে, ভংচুরের ঘটনা দেখতে উৎসুক জনতা বাড়িগুলোর আশপাশে ভিড় জমিয়েছে। ‘শেখ হাসিনার আস্তানা ভেঙে দাও, গুঁড়িয়ে দাও’, ‘শেখ হাসিনার ঠিকানা, এ বাংলায় হবে না’- এমন বিভিন্ন স্লোগান দিচ্ছে ভাংগনে অংশ নেয় তারা। অন্যদিকে বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় চকবাজার থেকে উত্তর স্টেশন সড়ক বন্ধ রয়েছে। এতে বাজারে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়েছে। তবে বিপরীত সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক আছে। এছাড়া বাড়ি ভাংচুরের ঘটনায় সামনের বৈদ্যুতিক খুঁটির তার ছিঁড়ে পড়েছে। এ ঘটনার আগেই বাজারের বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ছাত্র-জনতার আন্দোলনে গত ৪ আগস্ট একেএম সালাহ উদ্দিন টিপু নেতাকর্মীদের নিয়ে বাসার ছাদ থেকে প্রায় ৪ ঘন্টা গুলি করে। তার গুলি শেষ হওয়ার পর ওইদিন বিকালে ছাত্র-জনতা বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেয়, ভাংচুর চালায়। টিপুসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের গুলিতে ওইদিন ৪ শিক্ষার্থী নিহত হয়। এছাড়া তমিজ মার্কেট এলাকায় গণপিটুনি ও আগুনে আরও ৮ জন মারা যান। তারা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতা ও টিপুর অনুসারী হিসেবে পরিচিত। ৫ আগস্ট সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় বিজয় র‍্যালি থেকে দ্বিতীয়বার আগুন দেয় ছাত্র-জনতা। টিপু লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আবু তাহেরের মেঝ ছেলে ও সাবেক যুবলীগের সভাপতি। এ ছাড়া চরশাহীর রিয়াজ সহ ছাত্রলীগ, যুবলীগের আরো ২ বাড়ীতে হামলা ভাংচুর এবং আগুনের খবর পাওয়া গেছে।