ঢাকায় সাধারন ম্যাটস শিক্ষার্থীদের যৌক্তিক চার দফা দাবীর আন্দোলনে পুলিশ বাহিনী কতৃক সাউন্ড গ্রেনেড, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও নির্বিচারে লাঠি চার্জে ও ৩৫ শিক্ষার্থী আহত হওয়ার প্রতিবাদে জামালপুরে ম্যাটস শিক্ষার্থীরা মোমবাতি প্রজ্জ্বলন ও প্রতিবাদ সমাবেশ করেছে।
সোমবার (১০ ফেব্রুয়ারী) রাত ৮টার দিকে শহরের দয়াময়ী মোড়ে বিডিএমএ, বিডিএমপিপিএ এবং ম্যাটস শিক্ষার্থীবৃন্দ ব্যানারে এই কর্মসূচি পালন করা হয়।
এসময় বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ ডিপ্লোমা মেডিকেল প্রাইভেট প্রেক্টিশনার এসোসিয়েশন (বিডিএমপিপিএ) জেলার সভাপতি রেজাউল করিম রেজা, সাধারন সম্পাদক নাহিদ হাসান রকি, মুবাশ্বের মাহমুদ শান্ত, ম্যাটস সাধারন শিক্ষার্থী ঐক্য পরিষদ জেলার ছাত্র সমন্বয়ক মাহফুজুর রহমান, সদস্য আরিফুল ইসলাম, ইকরামুল হক প্রমূখ।
শিক্ষার্থীরা জানান তাদের চার দফা দাবির মধ্যে রয়েছে, অনতিবিলম্বে ১০ম গ্রেডে শূন্যপদে নিয়োগ, কর্মসংস্থান ও সরকারী-বেসরকারী পর্যায়ে নতুন পদ সৃষ্টি করতে হবে। ৪ বছরের একাডেমিক কোর্স বহাল রেখে অসংগতিপূর্ণ কোর্স ক্যারিকুলাম সংশোধন ও ভাতাসহ ১ বছরের ইন্টার্নশিপ চালু করতে হবে। প্রস্তাবিত এলাইড-হেলথ প্রফেশনাল বোর্ড বাতিল করে সতন্ত্র মেডিকেল এডুকেশন বোর্ড অব বাংলাদেশ নামে বোর্ড করতে হবে। এবং আন্তজার্তিক মানদন্ড বিএমডিসি স্বীকৃত ক্লিনিক্যাল বিষয়ে উচ্চ শিক্ষার সযোগ দিতে হবে। এই চার দফা দাবীতে আমাদের ৯ ফেব্রুয়ারী রবিবার ঢাকার শাহবাগে লংমার্চ ছিল।
প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, ঢাকায় দীর্ঘ তিন মাস ধরে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এখনো কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি, ফলে আন্দোলনে নামতে বাধ্য হয়েছেন তারা। ঢাকায় শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করলেও পুলিশের টিয়ারগ্যাস, সাউন্ড গ্রেনেড ও লাঠিচার্জের মুখে পড়তে হয়েছে এতে ৩৫ শিক্ষার্থী আহত হয়েছে।
এ সময় শিক্ষার্থীরা পুলিশের আক্রমণের নিন্দা জানিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীদের উপর অমানবিক আচরণ বন্ধ করতে হবে এবং দায়ী পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে। কর্তৃপক্ষ দীর্ঘদিন ধরে আশ্বাস দিলেও চার দফা বাস্তবে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
ঢাকায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি একাত্মতা জানিয়ে জামালপুরের শিক্ষার্থীরাও তাদের কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়ে বলেন, দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে এবং প্রশাসনের দায়িত্ব শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ রক্ষা করা। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে আন্দোলন করছি, আমাদের ওপর দমন-পীড়ন চালানো হলে তার জবাব আমরা ঐক্যবদ্ধভাবেই দেব।
জামালপুরের শিক্ষার্থীরা সরকারের কাছে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “আমাদের দাবি যৌক্তিক, দয়া করে আমাদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করবেন না।”






















