১২:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ জানুয়ারী ২০২৬, ১১ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যমুনা সার কারখানা ১৩ মাস বন্ধ থাকার পর উৎপাদনের প্রস্তুতি

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিস কর্পোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন দেশের বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা ফার্টিলাইজার কোং লিঃ (জেএফসিএল) এ গ্যাস সংকটে ১৩ মাস উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ফের ইউরিয়া উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে ইউরিয়া উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে কারাখানা কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা সার কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক।

জানা যায়, কেপিআই-১ মানসম্পন্ন যমুনা সার কারখানাটি ১৯৯১ সাল থেকে দৈনিক ১ হাজার ৭শ’ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন করে আসছিল। কারখানায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে সার উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৪২-৪৩ পিএসআই গ্যাস প্রয়োজন। গ্যাসের চাপ স্বল্পতা ও বিভিন্ন ধরণের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দিনে দিনে উৎপাদন কমে বর্তমানে ১ হাজার ২শ’ মেট্রিন টন ইউরিয়া উৎপাদন হয়। গত বছর ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিআইসি। এ জন্য সেখানে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে যমুনা সার কারখানায় গত ১৫ জানুয়ারি ২৪ থেকে গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশর কোম্পানী লিঃ। এর পর থেকেই যমুনা সার কারখানায়  ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়ে। অপরদিকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৫ বৃহস্পতিবার থেকে গ্যাসের চাপ পুনরায় বৃদ্ধি করলে ইউরিয়া উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করে জেএফসিএল কর্তৃপক্ষ। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করে পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে ৫-৭ দিন সময় লাগতে পারে।

যমুনা কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে গত বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ করা হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিঃ গ্যাসের চাপ বাড়িয়ে দেওয়ায় আমরা উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে পুরোদমে উৎপাদনে যেতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

উৎসবমুখর আয়োজনে তিতুমীর কলেজে সরস্বতী পূজা উদযাপন

যমুনা সার কারখানা ১৩ মাস বন্ধ থাকার পর উৎপাদনের প্রস্তুতি

আপডেট সময় : ০১:০৫:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিস কর্পোরেশন (বিসিআইসি) নিয়ন্ত্রণাধীন দেশের বৃহৎ ইউরিয়া সার উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান যমুনা ফার্টিলাইজার কোং লিঃ (জেএফসিএল) এ গ্যাস সংকটে ১৩ মাস উৎপাদন বন্ধ থাকার পর ফের ইউরিয়া উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) বিকেল থেকে ইউরিয়া উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করে কারাখানা কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যমুনা সার কারখানার উপ-প্রধান প্রকৌশলী (রসায়ন) ফজলুল হক।

জানা যায়, কেপিআই-১ মানসম্পন্ন যমুনা সার কারখানাটি ১৯৯১ সাল থেকে দৈনিক ১ হাজার ৭শ’ মেট্রিক টন ইউরিয়া উৎপাদন করে আসছিল। কারখানায় নিরবিচ্ছিন্নভাবে সার উৎপাদনের জন্য দৈনিক ৪২-৪৩ পিএসআই গ্যাস প্রয়োজন। গ্যাসের চাপ স্বল্পতা ও বিভিন্ন ধরণের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে দিনে দিনে উৎপাদন কমে বর্তমানে ১ হাজার ২শ’ মেট্রিন টন ইউরিয়া উৎপাদন হয়। গত বছর ঘোড়াশাল ও পলাশ ইউরিয়া সার কারখানায় উৎপাদন নিরবিচ্ছিন্ন রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিসিআইসি। এ জন্য সেখানে পর্যাপ্ত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করতে যমুনা সার কারখানায় গত ১৫ জানুয়ারি ২৪ থেকে গ্যাসের চাপ কমিয়ে দেয় তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশর কোম্পানী লিঃ। এর পর থেকেই যমুনা সার কারখানায়  ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ হয়ে পড়ে। অপরদিকে ১৩ ফেব্রুয়ারি ২৫ বৃহস্পতিবার থেকে গ্যাসের চাপ পুনরায় বৃদ্ধি করলে ইউরিয়া উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করে জেএফসিএল কর্তৃপক্ষ। তবে যান্ত্রিক ত্রুটি মেরামত করে পুরোপুরি উৎপাদনে যেতে ৫-৭ দিন সময় লাগতে পারে।

যমুনা কারখানার মহাব্যবস্থাপক (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন বলেন, গ্যাস সংকটের কারণে গত বছরের ১৫ জানুয়ারি থেকে কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন বন্ধ করা হয়। বৃহস্পতিবার থেকে তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন আন্ড ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানী লিঃ গ্যাসের চাপ বাড়িয়ে দেওয়ায় আমরা উৎপাদনের কার্যক্রম শুরু করেছি। তবে পুরোদমে উৎপাদনে যেতে সপ্তাহ খানেক সময় লাগবে।